সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে বর্তমানে অনুমোদন থাকা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়ম মেনে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে সেগুলোর অনুমোদনও বাতিল করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিক অনুমোদন বন্ধ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। এটি পুরোপুরি বন্ধ। আর বর্তমানে যেগুলোর অনুমোদন রয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।’
সাপের কামড়ে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান
উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকার পরও সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সাপ দংশনের পর রোগী বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত কি না, তা বুঝতে অনেক সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হলে রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যেতে পারে।
তিনি সাপের কামড়ের পর দেরি না করে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।
৫০ থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত হবে হাসপাতাল
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি জানান, আগামী অক্টোবর থেকে ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগীর ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
হাসপাতালের অনিয়ম সমাধানের আশ্বাস
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





















