ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যাংক খাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন’ অনুমোদন দেশে প্রথমবার নৌযান শুমারি, ২০ আগস্ট থেকে ১০ দিন চলবে কার্যক্রম প্রথমবার নৌযান শুমারি, তালিকায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮০৮ নৌযান Allegations of Widespread Irregularities and Corruption Against Transrail Lighting in Rooppur Power Transmission Project ট্রান্সরেইল লাইটিং ও অমৃক সিংয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, দুদকে নালিশ একাদশ শ্রেণিতে আসন খালি থাকবে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি আপা যে পথে হেঁটেছেন, আপনারাও সেই পথে হাঁটছেন: জামায়াত আমির ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর বাংলাদেশ পুনর্গঠনের সময় এসেছে: প্রধানমন্ত্রী তিক্ততার দেয়াল ভেঙে সংলাপের পথে ঢাকা-দিল্লি যশোর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৪৭৮ জন

একাদশ শ্রেণিতে আসন খালি থাকবে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি

বিশেষ প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় আগামী শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ উপলক্ষে সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান।

তিনি জানান, আসন্ন শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। পুরো ভর্তি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে পরিচালিত হবে।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পর তাদের মেধাক্রম ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে কলেজ নির্ধারণ করা হবে। ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে বিভিন্ন কলেজে গিয়ে ভর্তি আবেদন করার প্রয়োজন হবে না।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির যোগ্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম হওয়ায় বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট আসনের অর্ধেকেরও বেশি খালি থাকবে। আনুমানিক ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন শিক্ষার্থীশূন্য থাকবে।

ভর্তি কার্যক্রমের বিস্তারিত সময়সূচি, আবেদন প্রক্রিয়া ও অন্যান্য নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ে জানানো হবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। চলতি বছর ১৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৪ পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

চলতি বছর ১৮ হাজার ৪৭৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৪ শিক্ষার্থী ২ হাজার ৪৯০টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এদিন সকাল ১০টায় ফল প্রকাশ উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিজ নিজ বোর্ডের ফল পাওয়া যাচ্ছে।

দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারের দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।

চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৮৭ জন। দাখিলে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ। এবার দাখিলে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৭১৬ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯ হাজার ৬৬ পরীক্ষার্থী। এবার দাখিলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৭৯ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫১ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষার্থী। এবার এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে।

ঢাকা বোর্ডে ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার এ বোর্ডের মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন প্রায় ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী। গতবার এই বোর্ডের পাসের হার ছিলো ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৬৮ পরীক্ষার্থী। ঢাকা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে।

যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪১০ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

রাজশাহী বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১৩ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২২ হাজার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮১৪ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯ হাজার ৯০২ জন পরীক্ষার্থী। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে।

বরিশাল বোর্ডে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৭৭৮ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩ হাজার ১১৪ জন পরীক্ষার্থী। বরিশাল বোর্ডে পাসের বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৯৮ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১১ হাজার ৮৪৩ জন পরীক্ষার্থী। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার কমেছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও কমেছে।

সিলেট বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৬ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৬১৪ জন পরীক্ষার্থী। সিলেট বোর্ডে পাসের হার কমেছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১৫ হাজার ৬২ জন পরীক্ষার্থী। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার কমেছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও কমেছে।

ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০০ জন। গতবছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ। গতবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৬৭৮ জন জন। ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

বোর্ডসমূহ কর্তৃক প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এডুবোর্ড রেজাল্ট ও এডুকেশন বোর্ড রেজাল্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে অনলাইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য উক্ত ওয়েবসাইটের Result কর্ণারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN এর মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একাদশ শ্রেণিতে আসন খালি থাকবে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় আগামী শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ উপলক্ষে সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান।

তিনি জানান, আসন্ন শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। পুরো ভর্তি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে পরিচালিত হবে।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়ার পর তাদের মেধাক্রম ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে কলেজ নির্ধারণ করা হবে। ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে বিভিন্ন কলেজে গিয়ে ভর্তি আবেদন করার প্রয়োজন হবে না।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির যোগ্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম হওয়ায় বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট আসনের অর্ধেকেরও বেশি খালি থাকবে। আনুমানিক ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন শিক্ষার্থীশূন্য থাকবে।

ভর্তি কার্যক্রমের বিস্তারিত সময়সূচি, আবেদন প্রক্রিয়া ও অন্যান্য নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ে জানানো হবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। চলতি বছর ১৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৪ পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

চলতি বছর ১৮ হাজার ৪৭৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৪ শিক্ষার্থী ২ হাজার ৪৯০টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এদিন সকাল ১০টায় ফল প্রকাশ উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিজ নিজ বোর্ডের ফল পাওয়া যাচ্ছে।

দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারের দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।

চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৮৭ জন। দাখিলে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ। এবার দাখিলে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৭১৬ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯ হাজার ৬৬ পরীক্ষার্থী। এবার দাখিলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৭৯ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫১ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষার্থী। এবার এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে।

ঢাকা বোর্ডে ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার এ বোর্ডের মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন প্রায় ৩৩ হাজার ২৫৩ শিক্ষার্থী। গতবার এই বোর্ডের পাসের হার ছিলো ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ৬৮ পরীক্ষার্থী। ঢাকা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে।

যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪১০ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

রাজশাহী বোর্ডে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ১১৩ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২২ হাজার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮১৪ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯ হাজার ৯০২ জন পরীক্ষার্থী। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে।

বরিশাল বোর্ডে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৭৭৮ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩ হাজার ১১৪ জন পরীক্ষার্থী। বরিশাল বোর্ডে পাসের বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৯৮ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১১ হাজার ৮৪৩ জন পরীক্ষার্থী। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার কমেছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও কমেছে।

সিলেট বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৬ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৬১৪ জন পরীক্ষার্থী। সিলেট বোর্ডে পাসের হার কমেছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৭ দশমিক ০৩ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১৫ হাজার ৬২ জন পরীক্ষার্থী। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার কমেছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও কমেছে।

ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০০ জন। গতবছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ। গতবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৬৭৮ জন জন। ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে।

বোর্ডসমূহ কর্তৃক প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এডুবোর্ড রেজাল্ট ও এডুকেশন বোর্ড রেজাল্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে অনলাইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য উক্ত ওয়েবসাইটের Result কর্ণারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN এর মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।