ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘হাসিনা কার্ড’ ব্যবহার করে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সব বাধা পেরিয়ে বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী নীরবে এতিম শিশুদের পাশে সায়েম সোবহান আনভীর সেবার মানসিকতা ছাড়া চিকিৎসাব্যবস্থার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে সক্রিয় চক্র: প্রধানমন্ত্রী তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে পুনরায় গ্রেপ্তার হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগের হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর বিশ্বকাপে মেসিকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি, নিশানায় ছিলেন রোনাল্ডোও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চট্টগ্রাম সফর, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

সব বাধা পেরিয়ে বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রীয় ও সরকারি নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও সেসব বাধা অতিক্রম করে বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নিয়োগপত্র হস্তান্তর শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের কেউ সরাসরি জুলাইয়ের গণআন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, আবার কেউ হারিয়েছেন তাঁদের প্রিয়জনকে। তাঁদের ও তাঁদের স্বজনদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশের মানুষ আজ মুক্ত ও স্বাধীন পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ের এসব ত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি নাগরিক উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাঁদের হারানো হয়েছে এবং যাঁরা শারীরিকভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি সুন্দর বাংলাদেশ দেখা। ব্যক্তিগতভাবে কে কী পেলেন, সেটি বড় বিষয় নয়; বরং দেশকে কী দেওয়া গেল, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে পারলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা প্রতিটি মানুষের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসনে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এই দায়িত্ব পালনের ধারা অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সব বাধা পেরিয়ে বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রীয় ও সরকারি নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও সেসব বাধা অতিক্রম করে বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর, বৈষম্যহীন ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নিয়োগপত্র হস্তান্তর শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের কেউ সরাসরি জুলাইয়ের গণআন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, আবার কেউ হারিয়েছেন তাঁদের প্রিয়জনকে। তাঁদের ও তাঁদের স্বজনদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশের মানুষ আজ মুক্ত ও স্বাধীন পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ের এসব ত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিটি নাগরিক উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাঁদের হারানো হয়েছে এবং যাঁরা শারীরিকভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি সুন্দর বাংলাদেশ দেখা। ব্যক্তিগতভাবে কে কী পেলেন, সেটি বড় বিষয় নয়; বরং দেশকে কী দেওয়া গেল, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে পারলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা প্রতিটি মানুষের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসনে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এই দায়িত্ব পালনের ধারা অব্যাহত থাকবে।