ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাত্রনেতা থেকে জননেতা: মীর শাহে আলমের রাজনৈতিক পথচলা প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, ‘আংশিক তথ্য প্রকাশে বিভ্রান্তি’ পার্বত্য চট্টগ্রামে উদ্ধার-ত্রাণে সেনাবাহিনীর তৎপরতা আরও ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, বন্যা-ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে ট্রাম্পের চাপে লাল কার্ড বাতিল, হ্যারি কেনদের আবেদন খারিজ! ফের বিতর্ক শিল্পের বিকাশ ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয় ৬ নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বহু প্রাম প্লাবিত আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কি সিদ্ধান্ত হয়েছিল? জানালেন কলিনা নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে দালালতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: সারজিস জামিনে কারামুক্ত গৌরনদী উপজেলা আ’ লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, ‘আংশিক তথ্য প্রকাশে বিভ্রান্তি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং পারিবারিক ব্যবসা-সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনায় ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের নামে ১ হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি এবং ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য উল্লেখ রয়েছে। অথচ সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে তাঁর মাত্র ৩১ শতাংশ জমির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বার্থের সংঘাত এড়াতে তিনি পারিবারিক ব্যবসার মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা থেকে লিখিতভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা পরিচালনা করছেন।

হলফনামায় উল্লেখিত ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে রোমা অটো রাইস মিল, রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেড, রূপসী ফ্লাওয়ার মিল, দুটি ফিলিং স্টেশন, একটি ট্রেডিং এজেন্সি, ওভারসিজ কোম্পানি, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী খামার, কংক্রিট ব্রিকস ফ্যাক্টরি এবং একটি মিনি কোল্ড স্টোরেজ।

ব্যবসার পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচনের আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক মালিকানাধীন রোমা অটো রাইস মিল নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ৪২ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়। মিলটির ক্রেতা বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ী রবিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তিনি মালামালসহ প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন।

এদিকে প্রতিমন্ত্রীর নামে নতুন করে ২৪২ শতাংশ জমি কেনার যে দাবি উঠেছে, সেটিও সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তাঁর প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান।

তিনি বলেন, আলোচিত জমিটি ব্যক্তি হিসেবে মীর শাহে আলমের নামে নয়; এটি রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেডের নামে ক্রয় করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কোনো ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।

প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলমও একই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বগুড়ার শিবগঞ্জের মীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদ এবং কৃষি ও শিল্পভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসার মাধ্যমে এ অঞ্চলের একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে পরিচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, ‘আংশিক তথ্য প্রকাশে বিভ্রান্তি’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং পারিবারিক ব্যবসা-সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনায় ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের নামে ১ হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি এবং ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য উল্লেখ রয়েছে। অথচ সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে তাঁর মাত্র ৩১ শতাংশ জমির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বার্থের সংঘাত এড়াতে তিনি পারিবারিক ব্যবসার মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা থেকে লিখিতভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা পরিচালনা করছেন।

হলফনামায় উল্লেখিত ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে রোমা অটো রাইস মিল, রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেড, রূপসী ফ্লাওয়ার মিল, দুটি ফিলিং স্টেশন, একটি ট্রেডিং এজেন্সি, ওভারসিজ কোম্পানি, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী খামার, কংক্রিট ব্রিকস ফ্যাক্টরি এবং একটি মিনি কোল্ড স্টোরেজ।

ব্যবসার পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচনের আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক মালিকানাধীন রোমা অটো রাইস মিল নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ৪২ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়। মিলটির ক্রেতা বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ী রবিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তিনি মালামালসহ প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন।

এদিকে প্রতিমন্ত্রীর নামে নতুন করে ২৪২ শতাংশ জমি কেনার যে দাবি উঠেছে, সেটিও সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তাঁর প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান।

তিনি বলেন, আলোচিত জমিটি ব্যক্তি হিসেবে মীর শাহে আলমের নামে নয়; এটি রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেডের নামে ক্রয় করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কোনো ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।

প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলমও একই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বগুড়ার শিবগঞ্জের মীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদ এবং কৃষি ও শিল্পভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসার মাধ্যমে এ অঞ্চলের একটি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে পরিচিত।