ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবে গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় আসছে নীতিমালা, লাইসেন্স-নিবন্ধনের উদ্যোগ ৯২ ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোপন তৎপরতার অভিযোগ, ৩ সদস্যের কমিটি মেট্রোরেলের রাতের শেষ ট্রেন ছাড়বে ১১টায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থী, বৈধতা মিলবে ১৬ আগস্ট ঠাকুরগাঁওয়ে চালু হলো ই-বেইল বন্ড, কমবে জামিনের ভোগান্তি দিল্লির দুই আমন্ত্রণ, তারেক রহমান কি শেষ পর্যন্ত ভারত যাবেন? রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট তৃণমূল থেকে বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল, রাষ্ট্রপতি পদে নতুন অধ্যায়

রাজনৈতিক সংকটে কানাডা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫ ২১১ বার পড়া হয়েছে

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘদিন থেকেই দেশে-বিদেশে কোণঠাসা কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বিরোধী থেকে শুরু করে দলের মধ্যে থেকেই উঠছে গদি ছাড়ার আওয়াজ। এই পরিস্থিতিতে, ইস্তফা দিতে চলেছেন ট্রুডো। আগামী বুধবার ট্রুডোর দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। তার আগে সোমবারই হয়তো ইস্তফা দিয়ে দেবেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে কানাডার সাধারণ নির্বাচন। সমীক্ষা বলছে, সেখানে বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে চলেছে ট্রুডোর লিবারাল পার্টি। বিপুল ভোটে জয় পেয়ে মসনদে বসতে চলেছে কনজারভেটিভরা, এমনটাই শোনা যাচ্ছে কানাডার রাজনৈতিক মহলে। এমন টালমাটাল অবস্থার জন্য ট্রুডোর দিকেই আঙুল তুলছে দলের একটা বড় অংশ। তার মধ্যে কয়েকদিন আগে ইস্তফা দিয়েছেন ট্রুডো সরকারের অর্থমন্ত্রী তথা উপপ্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। সবমিলিয়ে প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, দলের চাপেই নতিস্বীকার করতে চলেছেন ট্রুডো। আগামী বুধবার লিবারাল পার্টির বিশেষ সম্মেলন রয়েছে। তার আগেই দলীয় প্রধান হিসাবে ইস্তফা দিতে পারেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তবে ট্রুডো এখনই প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়বেন, নাকি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঠিক হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন, সেই নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফেও কোনও প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৩ থেকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জাস্টিন ট্রুডো।

জল্পনা ছড়াতেই প্রশ্ন, ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? দুরকম সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে। প্রথমত, অক্টোবরের পরিবর্তে বছরের প্রথম দিকেই নির্বাচন হতে পারে কানাডায়। আগামী চার বছরের জন্য সরকার গঠিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে কনজারভেটিভরাই ক্ষমতা দখল করবে বলে মত সমীক্ষার।

দ্বিতীয়ত, বর্তমান অর্থমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ককে অনুরোধ জানানো হবে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য। অবশ্য তিনি যদি নির্বাচনে লড়তে চান তাহলে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। অর্থাৎ ট্রুডো ইস্তফা দিলে কানাডায় বড়সড় রাজনৈতিক সংকট দেখা দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাজনৈতিক সংকটে কানাডা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

দীর্ঘদিন থেকেই দেশে-বিদেশে কোণঠাসা কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বিরোধী থেকে শুরু করে দলের মধ্যে থেকেই উঠছে গদি ছাড়ার আওয়াজ। এই পরিস্থিতিতে, ইস্তফা দিতে চলেছেন ট্রুডো। আগামী বুধবার ট্রুডোর দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। তার আগে সোমবারই হয়তো ইস্তফা দিয়ে দেবেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে কানাডার সাধারণ নির্বাচন। সমীক্ষা বলছে, সেখানে বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে চলেছে ট্রুডোর লিবারাল পার্টি। বিপুল ভোটে জয় পেয়ে মসনদে বসতে চলেছে কনজারভেটিভরা, এমনটাই শোনা যাচ্ছে কানাডার রাজনৈতিক মহলে। এমন টালমাটাল অবস্থার জন্য ট্রুডোর দিকেই আঙুল তুলছে দলের একটা বড় অংশ। তার মধ্যে কয়েকদিন আগে ইস্তফা দিয়েছেন ট্রুডো সরকারের অর্থমন্ত্রী তথা উপপ্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড। সবমিলিয়ে প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, দলের চাপেই নতিস্বীকার করতে চলেছেন ট্রুডো। আগামী বুধবার লিবারাল পার্টির বিশেষ সম্মেলন রয়েছে। তার আগেই দলীয় প্রধান হিসাবে ইস্তফা দিতে পারেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তবে ট্রুডো এখনই প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়বেন, নাকি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঠিক হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন, সেই নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফেও কোনও প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৩ থেকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জাস্টিন ট্রুডো।

জল্পনা ছড়াতেই প্রশ্ন, ট্রুডোর পরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? দুরকম সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে। প্রথমত, অক্টোবরের পরিবর্তে বছরের প্রথম দিকেই নির্বাচন হতে পারে কানাডায়। আগামী চার বছরের জন্য সরকার গঠিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে কনজারভেটিভরাই ক্ষমতা দখল করবে বলে মত সমীক্ষার।

দ্বিতীয়ত, বর্তমান অর্থমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ককে অনুরোধ জানানো হবে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য। অবশ্য তিনি যদি নির্বাচনে লড়তে চান তাহলে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। অর্থাৎ ট্রুডো ইস্তফা দিলে কানাডায় বড়সড় রাজনৈতিক সংকট দেখা দেবে।