ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবরার ফাহাদের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় আবরার হত্যা মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, কুষ্টিয়ায় সেতু নির্মাণসহ পরিবারের বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহর সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা রোকেয়া খাতুন, ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ, এক মামা ও এক চাচা।

সাক্ষাৎকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী এবং তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এসব তথ্য জানান।

দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ছেলে হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। আদালত স্বাধীনভাবে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে আবরারের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এ সময় আবরার হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের বিষয়টিও তুলে ধরেন তাঁর বাবা। তিনি জানান, মামলার একজন আসামি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়েছিল। পালিয়ে যাওয়া এবং এখনো গ্রেপ্তার না হওয়া আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

আবরারের নামে সেতু নির্মাণের আশ্বাস

সাক্ষাতে কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান আবরারের বাবা। তাঁর দাবি, ওই এলাকার প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার করেন।

সেতুটি নির্মাণের বিষয়ে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সেতুটির নাম আবরার ফাহাদের নামে করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

এ ছাড়া আবরারের কবর পাকাকরণ এবং পাশে থাকা মসজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সহযোগিতা চান তাঁর বাবা। প্রধানমন্ত্রী মসজিদের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেন।

‘আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়’

সাক্ষাতে আবেগঘন বক্তব্য দেন আবরারের মা রোকেয়া খাতুন। তিনি বলেন, প্রত্যেক ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীই কোনো না কোনো মায়ের সন্তান। তাই তাঁর মতো আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়।

তিনি চান, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই যেন এমন পরিস্থিতি আর ফিরে না আসে।

বুয়েটে হল ও পাঠ্যবইয়ে আবরারের ঘটনা

আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ প্রধানমন্ত্রীকে বুয়েট ক্যাম্পাসে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে বুয়েটে আবরার ফাহাদের নামে একটি নতুন হল নির্মাণের দাবি করেন।

নতুন প্রজন্মকে আবরার সম্পর্কে জানাতে পাঠ্যবইয়ে তাঁর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানান তিনি।

এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা বলেন।

এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে নিহতদের তালিকার মতো বিভিন্ন সময়ে নিহত ব্যক্তিদেরও একটি তালিকা তৈরির দাবি জানান ফাইয়াজ। প্রধানমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে একটি প্রকল্প মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং কাজ চলছে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরও উপস্থিত ছিলেন।

যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল আবরারকে

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে তিনি মারা যান।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন, ৫ অক্টোবর ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে আবরার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে স্বাক্ষরিত কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ, ফেনী নদীর পানি ও গ্যাস রপ্তানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন।

পরদিন রাতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা তাঁকে হলে ডেকে নিয়ে ওই পোস্টের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অচেতন অবস্থায় তাঁকে হলের সিঁড়িতে ফেলে রাখা হয়। ময়নাতদন্তে অতিরিক্ত মারধরের কারণে শরীরে গুরুতর আঘাত ও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা হত্যাকারীদের শাস্তিসহ ১০ দফা দাবি জানান।

মামলার সর্বশেষ অবস্থা

২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আবরারের বাবা চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার রায়ে ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

এরপর ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রাখেন। পরে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা নয় আসামি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত একজন আসামিও লিভ টু আপিল করেন।

বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আবরার ফাহাদের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় আবরার হত্যা মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, কুষ্টিয়ায় সেতু নির্মাণসহ পরিবারের বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহর সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা রোকেয়া খাতুন, ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ, এক মামা ও এক চাচা।

সাক্ষাৎকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী এবং তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এসব তথ্য জানান।

দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ ছেলে হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। আদালত স্বাধীনভাবে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে আবরারের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এ সময় আবরার হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের বিষয়টিও তুলে ধরেন তাঁর বাবা। তিনি জানান, মামলার একজন আসামি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর বিষয়টি পরিবারকে জানানো হয়েছিল। পালিয়ে যাওয়া এবং এখনো গ্রেপ্তার না হওয়া আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

আবরারের নামে সেতু নির্মাণের আশ্বাস

সাক্ষাতে কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান আবরারের বাবা। তাঁর দাবি, ওই এলাকার প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার করেন।

সেতুটি নির্মাণের বিষয়ে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সেতুটির নাম আবরার ফাহাদের নামে করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

এ ছাড়া আবরারের কবর পাকাকরণ এবং পাশে থাকা মসজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সহযোগিতা চান তাঁর বাবা। প্রধানমন্ত্রী মসজিদের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেন।

‘আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়’

সাক্ষাতে আবেগঘন বক্তব্য দেন আবরারের মা রোকেয়া খাতুন। তিনি বলেন, প্রত্যেক ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীই কোনো না কোনো মায়ের সন্তান। তাই তাঁর মতো আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়।

তিনি চান, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই যেন এমন পরিস্থিতি আর ফিরে না আসে।

বুয়েটে হল ও পাঠ্যবইয়ে আবরারের ঘটনা

আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ প্রধানমন্ত্রীকে বুয়েট ক্যাম্পাসে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে বুয়েটে আবরার ফাহাদের নামে একটি নতুন হল নির্মাণের দাবি করেন।

নতুন প্রজন্মকে আবরার সম্পর্কে জানাতে পাঠ্যবইয়ে তাঁর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানান তিনি।

এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা বলেন।

এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে নিহতদের তালিকার মতো বিভিন্ন সময়ে নিহত ব্যক্তিদেরও একটি তালিকা তৈরির দাবি জানান ফাইয়াজ। প্রধানমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে একটি প্রকল্প মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং কাজ চলছে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরও উপস্থিত ছিলেন।

যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল আবরারকে

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে তিনি মারা যান।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন, ৫ অক্টোবর ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে আবরার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে স্বাক্ষরিত কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ, ফেনী নদীর পানি ও গ্যাস রপ্তানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন।

পরদিন রাতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা তাঁকে হলে ডেকে নিয়ে ওই পোস্টের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অচেতন অবস্থায় তাঁকে হলের সিঁড়িতে ফেলে রাখা হয়। ময়নাতদন্তে অতিরিক্ত মারধরের কারণে শরীরে গুরুতর আঘাত ও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের প্রমাণ পাওয়া যায়।

হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা হত্যাকারীদের শাস্তিসহ ১০ দফা দাবি জানান।

মামলার সর্বশেষ অবস্থা

২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর আবরারের বাবা চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার রায়ে ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

এরপর ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রাখেন। পরে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা নয় আসামি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত একজন আসামিও লিভ টু আপিল করেন।

বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।