ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বান্ধবীকে বিয়ে’ ছিল স্বপ্ন, স্তন অপসারণের পরই তরুণীর মৃত্যু বন্ধ নয়, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সান্তাহারে মালবাহী কামড়া লাইনচ্যুত, বন্ধ ট্রেন চলাচল ঢাকার দুই সিটে কৌশল পাল্টাচ্ছে এনসিপি? সাইফুজ্জামান চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের তথ্য দুদককে দিল এফবিআই দেলদুয়ারে পুকুর থেকে বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদী দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনার দাফনও বাংলাদেশের মাটিতে হবে না: সারজিস আলম আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দুমকিতে ৫৩তম জাতীয় স্কুল-মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

বন্ধ নয়, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পুরোপুরি বন্ধ না করে ডিজিটাল নিবন্ধন, কিউআর কোড ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার আওতায় এনে শৃঙ্খলায় ফেরাতে চায় সরকার। এ জন্য ইতোমধ্যে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধির আওতায় সরকারি দলের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুর জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি অটোরিকশার ডিজিটাল নিবন্ধন করা হবে। নিবন্ধনের পর প্রতিটি যানকে কিউআর কোড ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ফলে একটি নম্বর ব্যবহার করে একাধিক অটোরিকশা অবৈধভাবে পরিচালনার সুযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে প্রণীত নীতিমালায় অটোরিকশা চালকদের কর্মসংস্থান যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এসব যানকে নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

নীতিমালায় অটোরিকশায় ব্যবহৃত ক্ষতিকর লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চলাচল করছে। এসব যান দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবহার করে। অথচ বৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে মাত্র প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি।

শুধু ঢাকাতেই প্রায় ৪৮ হাজার অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে সরকার বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ডিএমপি, ডেসকো ও ডিপিডিসির যৌথ অভিযান চলছে বলে সংসদে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কর্মসংস্থানের বড় উৎস, আবার সড়কে ঝুঁকিও

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ তিন চাকার বৈদ্যুতিক যান গ্রামীণ ও নগর পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। কম খরচে যাতায়াতের সুযোগের পাশাপাশি চালক, গ্যারেজ শ্রমিক, যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী ও চার্জিং সেবাদাতাসহ বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানও তৈরি হয়েছে।

তবে অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালে দেশে ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ১১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনার সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জড়িত ছিল।

নম্বর প্লেট ও লাইসেন্সের আওতায় আনার দাবি

সংসদে নোটিশ দেওয়ার সময় রেহানা আক্তার রানু বলেন, রাজধানীর ১৭টি সিগন্যালে চালু থাকা ৫০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ট্রাফিক ক্যামেরার কারণে লালবাতি অমান্য, লেন পরিবর্তন ও অতিরিক্ত গতিসহ বিভিন্ন অনিয়ম অনেকটাই কমেছে।

কিন্তু নম্বর প্লেট না থাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ম শনাক্ত হলেও অনেক ক্ষেত্রে জরিমানা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রেহানা আক্তার রানু বলেন, কম ভাড়া ও সহজলভ্যতার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে অটোরিকশা জনপ্রিয়। তাই এগুলো পুরোপুরি বন্ধ না করে নম্বর প্লেট, চালকদের প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় এনে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

সম্পূরক প্রশ্নে তিনি স্পষ্ট করেন, অটোরিকশা নিষিদ্ধ করার দাবি তিনি করেননি। বরং পরিকল্পিতভাবে এসব যানকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার কথা বলেছেন। এ জন্য অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের সুযোগ, সৌরবিদ্যুৎনির্ভর চার্জিং অবকাঠামো, বিআরটিএ নিবন্ধন এবং এলাকাভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন তিনি।

আরও ২০০ এআই ক্যামেরা বসছে

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধে ডিএমপি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়ানো হচ্ছে।

বর্তমানে ১৭টি সিগন্যালে ৫০টি এআই ক্যামেরা থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতে তেজগাঁও ও রমনা বিভাগে আরও ২০০টি এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে পুরো রাজধানীতে এ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অটোরিকশা বন্ধ করে দেওয়া নয়, বরং এগুলোকে নিবন্ধিত, ডিজিটাল ও শৃঙ্খলিত ব্যবস্থার মধ্যে আনাই সরকারের লক্ষ্য। সড়ক নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অটোরিকশার সঙ্গে যুক্ত মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত নীতিমালার পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বন্ধ নয়, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পুরোপুরি বন্ধ না করে ডিজিটাল নিবন্ধন, কিউআর কোড ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার আওতায় এনে শৃঙ্খলায় ফেরাতে চায় সরকার। এ জন্য ইতোমধ্যে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধির আওতায় সরকারি দলের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুর জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি অটোরিকশার ডিজিটাল নিবন্ধন করা হবে। নিবন্ধনের পর প্রতিটি যানকে কিউআর কোড ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ফলে একটি নম্বর ব্যবহার করে একাধিক অটোরিকশা অবৈধভাবে পরিচালনার সুযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে প্রণীত নীতিমালায় অটোরিকশা চালকদের কর্মসংস্থান যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এসব যানকে নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

নীতিমালায় অটোরিকশায় ব্যবহৃত ক্ষতিকর লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে আনুমানিক ৫০ থেকে ৮০ লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার চলাচল করছে। এসব যান দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবহার করে। অথচ বৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে মাত্র প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি।

শুধু ঢাকাতেই প্রায় ৪৮ হাজার অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে সরকার বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ডিএমপি, ডেসকো ও ডিপিডিসির যৌথ অভিযান চলছে বলে সংসদে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কর্মসংস্থানের বড় উৎস, আবার সড়কে ঝুঁকিও

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত এক দশকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ তিন চাকার বৈদ্যুতিক যান গ্রামীণ ও নগর পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। কম খরচে যাতায়াতের সুযোগের পাশাপাশি চালক, গ্যারেজ শ্রমিক, যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী ও চার্জিং সেবাদাতাসহ বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানও তৈরি হয়েছে।

তবে অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালে দেশে ৬ হাজার ৭২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ হাজার ১১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ দুর্ঘটনার সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জড়িত ছিল।

নম্বর প্লেট ও লাইসেন্সের আওতায় আনার দাবি

সংসদে নোটিশ দেওয়ার সময় রেহানা আক্তার রানু বলেন, রাজধানীর ১৭টি সিগন্যালে চালু থাকা ৫০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ট্রাফিক ক্যামেরার কারণে লালবাতি অমান্য, লেন পরিবর্তন ও অতিরিক্ত গতিসহ বিভিন্ন অনিয়ম অনেকটাই কমেছে।

কিন্তু নম্বর প্লেট না থাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ম শনাক্ত হলেও অনেক ক্ষেত্রে জরিমানা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রেহানা আক্তার রানু বলেন, কম ভাড়া ও সহজলভ্যতার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে অটোরিকশা জনপ্রিয়। তাই এগুলো পুরোপুরি বন্ধ না করে নম্বর প্লেট, চালকদের প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় এনে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

সম্পূরক প্রশ্নে তিনি স্পষ্ট করেন, অটোরিকশা নিষিদ্ধ করার দাবি তিনি করেননি। বরং পরিকল্পিতভাবে এসব যানকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার কথা বলেছেন। এ জন্য অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের সুযোগ, সৌরবিদ্যুৎনির্ভর চার্জিং অবকাঠামো, বিআরটিএ নিবন্ধন এবং এলাকাভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন তিনি।

আরও ২০০ এআই ক্যামেরা বসছে

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধে ডিএমপি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়ানো হচ্ছে।

বর্তমানে ১৭টি সিগন্যালে ৫০টি এআই ক্যামেরা থেকে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতে তেজগাঁও ও রমনা বিভাগে আরও ২০০টি এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে পুরো রাজধানীতে এ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অটোরিকশা বন্ধ করে দেওয়া নয়, বরং এগুলোকে নিবন্ধিত, ডিজিটাল ও শৃঙ্খলিত ব্যবস্থার মধ্যে আনাই সরকারের লক্ষ্য। সড়ক নিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অটোরিকশার সঙ্গে যুক্ত মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত নীতিমালার পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে।