ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংঘাত নয়, সহনশীলতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: রাষ্ট্রপতি ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জন্য নতুন নীতিমালা অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি বন্ধ বিধি বদলালেই বাজেয়াপ্ত হবে শেখ হাসিনাদের সম্পদ, নজর জুলাই শহীদ পরিবারে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে স্বস্তি, নতুন মৌসুমে শিরোপার লড়াইয়ে বসুন্ধরা কিংস শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল এমডি জেলে ‘নাগরিক সমন্বয়’ প্রকল্প বদলে দিল চা-শ্রমিক যুবতীর জীবন ডিসেম্বরে ফিরছেন না শেখ হাসিনা, বাড়ছে অনিশ্চয়তা ৮২৯ স্লিপার বাসই অনুমোদনহীন, বড় ধরনের প্রাণহানির ঝুঁকি সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার, আইন পাস

ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জন্য নতুন নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার, গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার।

নীতিমালার আওতায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মাসিক সম্মানি, উৎসব ভাতা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়মিত আয় ও আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানি ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

কেন এই উদ্যোগ

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

তাদের এই অবদান বিবেচনায় নিয়ে আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতা

নীতিমালার আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেবকদের মাসিক সম্মানি দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এর পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে উৎসব ভাতা দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সরকারের আশা, এতে উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়মিত আয় ও আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে।

থাকবে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ

শুধু আর্থিক সহায়তায় সীমাবদ্ধ থাকছে না সরকারের এ উদ্যোগ। ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের দক্ষতা বাড়াতেও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্পভাবে আয় করার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের আর্থিক সক্ষমতার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতাও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নতুন এই নীতিমালার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের জন্য নতুন নীতিমালা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার, গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার।

নীতিমালার আওতায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মাসিক সম্মানি, উৎসব ভাতা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়মিত আয় ও আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানি ও কল্যাণ সহায়তা প্রদান নীতিমালা ২০২৬’ শীর্ষক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

কেন এই উদ্যোগ

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

তাদের এই অবদান বিবেচনায় নিয়ে আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

মাসিক সম্মানি ও উৎসব ভাতা

নীতিমালার আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেবকদের মাসিক সম্মানি দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এর পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে উৎসব ভাতা দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। সরকারের আশা, এতে উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়মিত আয় ও আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে।

থাকবে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ

শুধু আর্থিক সহায়তায় সীমাবদ্ধ থাকছে না সরকারের এ উদ্যোগ। ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের দক্ষতা বাড়াতেও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্পভাবে আয় করার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের আর্থিক সক্ষমতার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতাও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

নতুন এই নীতিমালার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হলো।