ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিডনি সুস্থ রাখতে দিনে কতটা পানি প্রয়োজন? জানুন সঠিক হিসাব ‘শান্তি ফেরাতে আলোচনায় রাজি ইরান’, সঙ্গে দিলেন শর্ত একই শ্যাম্পু সবার জন্য নয়: চুলের ধরন বুঝে বানান ঘরোয়া শ্যাম্পু রোস্ট–কোর্মার বাইরে নতুন স্বাদ, বানান ফুলকপির কিমা আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব: রাজনৈতিক বার্তা নাকি আর্থিক নজরদারি? ঢাকা পলিটেকনিকে হামলার প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ বড় সাজ্জাদের দুই অনুসারী অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার এমপি নাসের রহমানের সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের বৈঠক নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে যাওয়া ইউনূসের গেজেট কোথায়? বাগেরহাটে ভয়াবহ আগুনে ৮ দোকান ভস্মীভূত, ক্ষতি ৩০ লাখ টাকার বেশি

জামালপুরে প্রতীক গ্রহণ করেননি স্বতন্ত্র প্রার্থী

জামালপুর প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জামালপুরে ৫টি সংসদীয় আসনের ৩০ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জামালপুর-২ আসনের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তার পছন্দের প্রতীক না পাওয়ায় তিনি প্রতীক গ্রহণ করেননি।

বুধবার (২১ জানুয়ারী) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় জামালপুরের ৫টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী ও তাদের এজেন্টগণ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই নির্বাচনী আচরণবিধি সমূহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো: যাবের সাদেক, লেফটেনেন্ট কর্নেল আশরাফ ফেরদৌস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বক্তব্য রাখেন। বক্তারা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচারণা করার জন্য প্রার্থীদের আহবান জানান। আচরণবিধি ভঙ্গ বা সহিংসতার ঘটনা ঘটলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নিবে। পরে ৫টি সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের ৩০ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

প্রতীক প্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- জামালপুর- ১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিএনপির এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: আব্দুর রউফ তালুকদার (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির এ. কে. এম ফজলুল হক (লাঙল)। জামালপুর- ২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির এ.ই সুলতান মাহমুদ বাবু (ধানের শীষ), জামায়াতের মো: ছামিউল হক ফারুকী (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুলতান মাহমুদ সিরাজী (হাতপাখা)। জামালপুর- ৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বিএনপির মো: মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (ধানের শীষ), জামায়াতের মো: মজিবুর রহমান আজাদী (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম লিপটন (লাঙল), গণসংহতি আন্দোলনের ফিদেল নঈম (মাথাল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের লিটন মিয়া (ট্রাক), স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা ফরিদ (ফুটবল), স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ (কাপ-পিরিচ), স্বতন্ত্র প্রার্থী শিবলুল বারী রাজু (সূর্যমূখী ফুল)। জামালপুর- ৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপির মো: ফরিদুল কবীর তালুকদার (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: আলী আকবর (হাতপাখা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মো: মাহবুব জামান জুয়েল (কাস্তে), গণঅধিকার পরিষদের মো: ইকবাল হোসেন (ট্রাক), নাগরিক ঐক্যের মো: কবির হাসান (কেতলি)।

জামালপুর- ৫ (সদর) আসনে বিএনপির শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মদ (হাতপাখা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির শেখ মো: আক্কাস আলী (কাস্তে), বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম (ডাব), জাতীয় পার্টি-জেপির মো: বাবর আলী খান (বাইসাইকেল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো: আমির উদ্দিন (তারা), গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন (ট্রাক)। প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার করেন প্রার্থীরা।

জামালপুর- ২ (ইসলামপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্নব ওয়ারেস খান প্রতীক হিসেবে বাঘ মার্কা দাবী করেন। কিন্তু বাঘ প্রতীক নিয়ে আইনগত জটিলতার কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্য কোন প্রতীক পছন্দ করতে বললে স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্নব ওয়ারেছ খান বাঘ মার্কা ছাড়া অন্য কোন প্রতীক গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। পছন্দের প্রতীক না পাওয়ায় অন্য কোন প্রতীক তিনি গ্রহণ করেননি।

এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্নব ওয়ারেস খান জানান, আমি বাঘ প্রতীক চেয়েছি, কিন্তু আমাকে দেয়া হয়নি। বাঘ প্রতীক না পেলে আমি নির্বাচন করব না। আমি এখনো অপেক্ষায় আছি।

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বাঘ ব্যাতিত অন্য কোন প্রতীক গ্রহণ করবেন না। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন যে আদেশ দিবে সেভাবেই প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, বৈধ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। আচরণবিধি ও কিভাবে প্রচার-প্রচারণা করবে তা প্রার্থীদেরকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে সাত উপজেলায় ২ জন করে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি ৫টি আসনে ৫ জন দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রতিদিন আমাদের টিম মাঠে কাজ করবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহীনি, র‌্যাব, পুলিশ, আনসারসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহীনির সদস্যরা কাজ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জামালপুরে প্রতীক গ্রহণ করেননি স্বতন্ত্র প্রার্থী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জামালপুরে ৫টি সংসদীয় আসনের ৩০ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জামালপুর-২ আসনের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তার পছন্দের প্রতীক না পাওয়ায় তিনি প্রতীক গ্রহণ করেননি।

বুধবার (২১ জানুয়ারী) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় জামালপুরের ৫টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী ও তাদের এজেন্টগণ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতেই নির্বাচনী আচরণবিধি সমূহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো: যাবের সাদেক, লেফটেনেন্ট কর্নেল আশরাফ ফেরদৌস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বক্তব্য রাখেন। বক্তারা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচারণা করার জন্য প্রার্থীদের আহবান জানান। আচরণবিধি ভঙ্গ বা সহিংসতার ঘটনা ঘটলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নিবে। পরে ৫টি সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের ৩০ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

প্রতীক প্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন- জামালপুর- ১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিএনপির এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: আব্দুর রউফ তালুকদার (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির এ. কে. এম ফজলুল হক (লাঙল)। জামালপুর- ২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির এ.ই সুলতান মাহমুদ বাবু (ধানের শীষ), জামায়াতের মো: ছামিউল হক ফারুকী (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুলতান মাহমুদ সিরাজী (হাতপাখা)। জামালপুর- ৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বিএনপির মো: মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (ধানের শীষ), জামায়াতের মো: মজিবুর রহমান আজাদী (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম লিপটন (লাঙল), গণসংহতি আন্দোলনের ফিদেল নঈম (মাথাল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের লিটন মিয়া (ট্রাক), স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা ফরিদ (ফুটবল), স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ (কাপ-পিরিচ), স্বতন্ত্র প্রার্থী শিবলুল বারী রাজু (সূর্যমূখী ফুল)। জামালপুর- ৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপির মো: ফরিদুল কবীর তালুকদার (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: আলী আকবর (হাতপাখা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মো: মাহবুব জামান জুয়েল (কাস্তে), গণঅধিকার পরিষদের মো: ইকবাল হোসেন (ট্রাক), নাগরিক ঐক্যের মো: কবির হাসান (কেতলি)।

জামালপুর- ৫ (সদর) আসনে বিএনপির শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মদ (হাতপাখা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির শেখ মো: আক্কাস আলী (কাস্তে), বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম (ডাব), জাতীয় পার্টি-জেপির মো: বাবর আলী খান (বাইসাইকেল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো: আমির উদ্দিন (তারা), গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন (ট্রাক)। প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার করেন প্রার্থীরা।

জামালপুর- ২ (ইসলামপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্নব ওয়ারেস খান প্রতীক হিসেবে বাঘ মার্কা দাবী করেন। কিন্তু বাঘ প্রতীক নিয়ে আইনগত জটিলতার কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্য কোন প্রতীক পছন্দ করতে বললে স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্নব ওয়ারেছ খান বাঘ মার্কা ছাড়া অন্য কোন প্রতীক গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। পছন্দের প্রতীক না পাওয়ায় অন্য কোন প্রতীক তিনি গ্রহণ করেননি।

এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্নব ওয়ারেস খান জানান, আমি বাঘ প্রতীক চেয়েছি, কিন্তু আমাকে দেয়া হয়নি। বাঘ প্রতীক না পেলে আমি নির্বাচন করব না। আমি এখনো অপেক্ষায় আছি।

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বাঘ ব্যাতিত অন্য কোন প্রতীক গ্রহণ করবেন না। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন যে আদেশ দিবে সেভাবেই প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, বৈধ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। আচরণবিধি ও কিভাবে প্রচার-প্রচারণা করবে তা প্রার্থীদেরকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে সাত উপজেলায় ২ জন করে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি ৫টি আসনে ৫ জন দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রতিদিন আমাদের টিম মাঠে কাজ করবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহীনি, র‌্যাব, পুলিশ, আনসারসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহীনির সদস্যরা কাজ করবে।