ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিডনি সুস্থ রাখতে দিনে কতটা পানি প্রয়োজন? জানুন সঠিক হিসাব ‘শান্তি ফেরাতে আলোচনায় রাজি ইরান’, সঙ্গে দিলেন শর্ত একই শ্যাম্পু সবার জন্য নয়: চুলের ধরন বুঝে বানান ঘরোয়া শ্যাম্পু রোস্ট–কোর্মার বাইরে নতুন স্বাদ, বানান ফুলকপির কিমা আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব: রাজনৈতিক বার্তা নাকি আর্থিক নজরদারি? ঢাকা পলিটেকনিকে হামলার প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ বড় সাজ্জাদের দুই অনুসারী অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার এমপি নাসের রহমানের সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের বৈঠক নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে যাওয়া ইউনূসের গেজেট কোথায়? বাগেরহাটে ভয়াবহ আগুনে ৮ দোকান ভস্মীভূত, ক্ষতি ৩০ লাখ টাকার বেশি

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কলা চিনবেন যেভাবে? রইলো সহজ টিপস

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলা এমন এক ফল যা বছরের যে সময়ই পাওয়া যাক, সব বয়সের মানুষের কাছেই সমান জনপ্রিয়। এতে পটাসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন এ, আয়রন-সহ নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এই ফল নিয়মিত খেলে শরীর শক্তিশালী হয়, হজমশক্তি ভালো থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও উন্নত হয়।

যদিও, বাজারে যে কলা পাওয়া যায় তার একটি বড় অংশই কৃত্রিমভাবে বা রাসায়নিক দিয়ে পাকানো। ব্যবসায়ীরা কলা দ্রুত বাজারজাত করতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ইথারজাতীয় কেমিক্যাল, তরল ইথাইলিন বা অন্য কৃত্রিম গ্যাস ব্যবহার করেন। এগুলো অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং মানুষের শরীরে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা ধীরে সময় নিয়ে পাকালে তার ভেতরকার এনজাইম সক্রিয় হয় এবং পুষ্টি পুরোপুরি বিকশিত হয়। তাই এসব ফলের স্বাদ, গন্ধ, রং এবং চেহারা একেবারেই আলাদা। কিন্তু রাসায়নিক-দিয়ে পাকা কলা বাইরে থেকে সুন্দর দেখালেও এগুলো খেতে তেমন সুস্বাদু নয় এবং ভেতরে বেশিরভাগ সময় কাঁচাই থাকে। এ কারণে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতেই পারে। এই সব কারণেই প্রয়োজন কলা কেনার সময় সতর্ক হওয়া এবং প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা চিনে নেওয়া।

চিনে নিন এভাবে

রাসায়নিক দিয়ে পাকা কলা চেনার প্রথম উপায় রং পরীক্ষা করা। প্রাকৃতিকভাবে পাকলে কলা হালকা হলুদ রঙের হয় এবং তার গায়ে ছোট স্পট বা কালো দাগ দেখা যায়। এই দাগগুলিই আসলে পাকার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার লক্ষণ। অন্যদিকে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা হয় অত্যন্ত উজ্জ্বল হলুদ এবং অনেকটাই একরঙা। অনেক সময় এতে উজ্জ্বল কমলা-হলুদ আভা থাকে যা দেখে মনে হয় কলার ওপর যেন পালিশ করা হয়েছে। এই অস্বাভাবিকতা দেখলেই সতর্ক হওয়া উচিত।

দ্বিতীয় বড় লক্ষণ হল গন্ধ। প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলার গন্ধ মিষ্টি, তাজা এবং পরিচিত। অথচ রাসায়নিক দিয়ে পাকা কলার গন্ধ হয় হালকা, কৃত্রিম বা কখনও তীব্র এবং অস্বাভাবিক। কেমিক্যালের প্রভাবে অনেক সময় গন্ধই থাকে না। বাজারে কলার কাছে গিয়ে যদি মিষ্টি গন্ধ না পাওয়া যায়, তবে তা অনেক সময় কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো বলে বুঝতে হবে।

তৃতীয় উপায় হল পানির সাহায্যে শনাক্ত করা। একটি কলা পানিতে ফেলে দেখুন। যদি কলাটি পানিতে ভেসে থাকে, তবে সেটি কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর সময় কলার ভেতরে বাতাস জমে যায়। প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা সাধারণত পানিতে ডুবে যায়, কারণ এর ভেতরকার অংশ ঘন এবং পুষ্টিতে ভরপুর হয়। এটি একটি সহজ ও ঘরোয়া পরীক্ষা যার মাধ্যমে দ্রুত কলার আসল অবস্থা বোঝা সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কলা চিনবেন যেভাবে? রইলো সহজ টিপস

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

কলা এমন এক ফল যা বছরের যে সময়ই পাওয়া যাক, সব বয়সের মানুষের কাছেই সমান জনপ্রিয়। এতে পটাসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন এ, আয়রন-সহ নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এই ফল নিয়মিত খেলে শরীর শক্তিশালী হয়, হজমশক্তি ভালো থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও উন্নত হয়।

যদিও, বাজারে যে কলা পাওয়া যায় তার একটি বড় অংশই কৃত্রিমভাবে বা রাসায়নিক দিয়ে পাকানো। ব্যবসায়ীরা কলা দ্রুত বাজারজাত করতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ইথারজাতীয় কেমিক্যাল, তরল ইথাইলিন বা অন্য কৃত্রিম গ্যাস ব্যবহার করেন। এগুলো অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং মানুষের শরীরে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা ধীরে সময় নিয়ে পাকালে তার ভেতরকার এনজাইম সক্রিয় হয় এবং পুষ্টি পুরোপুরি বিকশিত হয়। তাই এসব ফলের স্বাদ, গন্ধ, রং এবং চেহারা একেবারেই আলাদা। কিন্তু রাসায়নিক-দিয়ে পাকা কলা বাইরে থেকে সুন্দর দেখালেও এগুলো খেতে তেমন সুস্বাদু নয় এবং ভেতরে বেশিরভাগ সময় কাঁচাই থাকে। এ কারণে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতেই পারে। এই সব কারণেই প্রয়োজন কলা কেনার সময় সতর্ক হওয়া এবং প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা চিনে নেওয়া।

চিনে নিন এভাবে

রাসায়নিক দিয়ে পাকা কলা চেনার প্রথম উপায় রং পরীক্ষা করা। প্রাকৃতিকভাবে পাকলে কলা হালকা হলুদ রঙের হয় এবং তার গায়ে ছোট স্পট বা কালো দাগ দেখা যায়। এই দাগগুলিই আসলে পাকার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার লক্ষণ। অন্যদিকে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা হয় অত্যন্ত উজ্জ্বল হলুদ এবং অনেকটাই একরঙা। অনেক সময় এতে উজ্জ্বল কমলা-হলুদ আভা থাকে যা দেখে মনে হয় কলার ওপর যেন পালিশ করা হয়েছে। এই অস্বাভাবিকতা দেখলেই সতর্ক হওয়া উচিত।

দ্বিতীয় বড় লক্ষণ হল গন্ধ। প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলার গন্ধ মিষ্টি, তাজা এবং পরিচিত। অথচ রাসায়নিক দিয়ে পাকা কলার গন্ধ হয় হালকা, কৃত্রিম বা কখনও তীব্র এবং অস্বাভাবিক। কেমিক্যালের প্রভাবে অনেক সময় গন্ধই থাকে না। বাজারে কলার কাছে গিয়ে যদি মিষ্টি গন্ধ না পাওয়া যায়, তবে তা অনেক সময় কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো বলে বুঝতে হবে।

তৃতীয় উপায় হল পানির সাহায্যে শনাক্ত করা। একটি কলা পানিতে ফেলে দেখুন। যদি কলাটি পানিতে ভেসে থাকে, তবে সেটি কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর সময় কলার ভেতরে বাতাস জমে যায়। প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা সাধারণত পানিতে ডুবে যায়, কারণ এর ভেতরকার অংশ ঘন এবং পুষ্টিতে ভরপুর হয়। এটি একটি সহজ ও ঘরোয়া পরীক্ষা যার মাধ্যমে দ্রুত কলার আসল অবস্থা বোঝা সম্ভব।