ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেলেন ৯০ নারী-পুরুষ

মো. মশিউর রহমান, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪ ১৫১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস শেডে বুধবার (১৩ মার্চ) বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সরকার মোহাম্মদ কায়সার ( বিপিএম) ।

নির্বাচিত প্রার্থীরা আনন্দে আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন। তারা বিশ্বাস করতেই পারছেনা টাকা ছাড়া পুলিশে চাকুরী পেয়েছে। অশ্রুশিক্ত নয়নে অনেকের কান্নায় উপস্থিত সকলের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

এসময় পুলিশ সুপার জানান, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে আপনারা সকলে আজ এই জায়গায়। ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম মহোদয় বাংলাদেশ পুলিশকে যুগপোযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ার লক্ষ্য হিসেবে আপনাদের এই নিয়োগ অন্যতম একটি ধাপ। আপনাদের সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্বল হবে। আমরা টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে কথা দিয়েছিলাম একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নিয়োগ উপহার দেওয়ার, আমরা আমাদের কথা রেখেছি।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিকভাবে যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা সম্পূর্ণ তদবিরবিহীন, প্রভাবমুক্ত, স্বচ্ছ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে।

পুলিশ সুপার উত্তীর্ণ সকলকে আগামী দিনে ‘সেবার ব্র‌তে চাক‌রি’ এই মহান ব্রতে উজ্জীবিত হয়ে, সততা দেশপ্রেম এবং কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার আহ্বান জানান।

মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরির বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, স্মার্ট পুলিশ গঠন করার জন্য আমরা যোগ্য প্রার্থীদেরকে বাছাই করেছি। আর এই কার্যক্রম চালু হয়েছিল গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। নিয়োগ বোর্ডের যে সদস্য ছিল সবাই একদম সচ্ছ ছিল। যারা চান্স পেয়েছে সবাই যোগ্য প্রার্থী। মাত্র ১২০ টাকায় নিয়োগ পেয়েছে। কোন প্রকার সুপারিশ ও লেনদেনের সুযোগ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে ৪ হাজার ২’শ জন আবেদন করেছিল। পরে ৩ হাজার ৮’শ জন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। সেখান থেকে লিখিত পরীক্ষায় বাছাই হয়েছিল ১ হাজার ৫৮ জন। লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে ৩০২ জন থেকে মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলে চূড়ান্ত ভাবে চান্স পাওয়া ৯০ জনকে মনোনীত করেছি। এখানে পুরুষ ৭৬ ও নারী ১৪ জন মোট ৯০ জন নিয়োগ পেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেলেন ৯০ নারী-পুরুষ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস শেডে বুধবার (১৩ মার্চ) বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সরকার মোহাম্মদ কায়সার ( বিপিএম) ।

নির্বাচিত প্রার্থীরা আনন্দে আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন। তারা বিশ্বাস করতেই পারছেনা টাকা ছাড়া পুলিশে চাকুরী পেয়েছে। অশ্রুশিক্ত নয়নে অনেকের কান্নায় উপস্থিত সকলের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

এসময় পুলিশ সুপার জানান, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে আপনারা সকলে আজ এই জায়গায়। ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম মহোদয় বাংলাদেশ পুলিশকে যুগপোযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ার লক্ষ্য হিসেবে আপনাদের এই নিয়োগ অন্যতম একটি ধাপ। আপনাদের সততা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্বল হবে। আমরা টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে কথা দিয়েছিলাম একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নিয়োগ উপহার দেওয়ার, আমরা আমাদের কথা রেখেছি।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিকভাবে যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা সম্পূর্ণ তদবিরবিহীন, প্রভাবমুক্ত, স্বচ্ছ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে।

পুলিশ সুপার উত্তীর্ণ সকলকে আগামী দিনে ‘সেবার ব্র‌তে চাক‌রি’ এই মহান ব্রতে উজ্জীবিত হয়ে, সততা দেশপ্রেম এবং কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার আহ্বান জানান।

মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরির বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, স্মার্ট পুলিশ গঠন করার জন্য আমরা যোগ্য প্রার্থীদেরকে বাছাই করেছি। আর এই কার্যক্রম চালু হয়েছিল গত ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। নিয়োগ বোর্ডের যে সদস্য ছিল সবাই একদম সচ্ছ ছিল। যারা চান্স পেয়েছে সবাই যোগ্য প্রার্থী। মাত্র ১২০ টাকায় নিয়োগ পেয়েছে। কোন প্রকার সুপারিশ ও লেনদেনের সুযোগ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে ৪ হাজার ২’শ জন আবেদন করেছিল। পরে ৩ হাজার ৮’শ জন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। সেখান থেকে লিখিত পরীক্ষায় বাছাই হয়েছিল ১ হাজার ৫৮ জন। লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে ৩০২ জন থেকে মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলে চূড়ান্ত ভাবে চান্স পাওয়া ৯০ জনকে মনোনীত করেছি। এখানে পুরুষ ৭৬ ও নারী ১৪ জন মোট ৯০ জন নিয়োগ পেয়েছেন।