ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শ্যামলী কোচের সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহত, আহত ৫

আজিজুল হক সরকার, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর)
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ ১১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহন কোচের সাথে দিনাজপুরগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় দুই নারীসহ গুরুতর আহত হয়েছেন পাঁচজন।

নিহত অ্যাম্বুলেন্স চালকের নাম এহসান আলী (৩২)। তিনি হাকিমপুর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হারেজ উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত অ্যাম্বুলন্সে যাত্রীরা হলো- হাকিমপুর উপজেলার সাধুরিয়া গ্রামের প্রফুল্ল চন্দ্রের ছেলে নরেশ চন্দ্র (৫০), মেয়ে লিপি রানী (৪৫), ছোট মেয়ে সেতু রানী (২০), বিপুল সরকারের ছেলে প্রান্ত সরকার (৩১) ও পরেশ চন্দ্রের ছেলে সিঙ্গার চন্দ্র (৩০)।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফুলবাড়ী-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফুলবাড়ী উপজেলার ভিমলপুর মোড় নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, হাকিমপুরের সাধুরিয়া গ্রাম থেকে বিষপান করা মুমুর্ষূ রোগীকে নিয়ে প্রমি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস (ঢাকা-মেট্রোÑছ-৭১-২১৮৭) নামের একটি অ্যাম্বুলেন্স দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যাওয়ার সময় ফুলবাড়ী-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফুলবাড়ী উপজেলার রাজারামপুরস্থ ভিমলপুর মোড় নামক স্থানে দিনাজপুর থেকে ঢাকা গামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিকট শব্দে অ্যাম্বুলন্সের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক অ্যাম্বুলেন্স চালক এহসান আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।গুরুতর আহত উল্লিখিত দুই নারীসহ পাঁচজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে ঘটনার পরপরই শ্যামলী পরিবহনের কোচটি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ জুন সকাল ১১টার দিকে বারাই হাট স্থানে ঢাকাগামী হানিফ কোচের সাথে ইজিবাইকের সংঘর্ষে দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরের দিন আরও একজন মারা যায়।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, পালিয়ে যাওয়া শ্যামলী পরিবহনের কোচটি আটকের চেষ্টা চলছে। মহদেহের আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে হতাহতের ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শ্যামলী কোচের সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহত, আহত ৫

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহন কোচের সাথে দিনাজপুরগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় দুই নারীসহ গুরুতর আহত হয়েছেন পাঁচজন।

নিহত অ্যাম্বুলেন্স চালকের নাম এহসান আলী (৩২)। তিনি হাকিমপুর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হারেজ উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত অ্যাম্বুলন্সে যাত্রীরা হলো- হাকিমপুর উপজেলার সাধুরিয়া গ্রামের প্রফুল্ল চন্দ্রের ছেলে নরেশ চন্দ্র (৫০), মেয়ে লিপি রানী (৪৫), ছোট মেয়ে সেতু রানী (২০), বিপুল সরকারের ছেলে প্রান্ত সরকার (৩১) ও পরেশ চন্দ্রের ছেলে সিঙ্গার চন্দ্র (৩০)।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফুলবাড়ী-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফুলবাড়ী উপজেলার ভিমলপুর মোড় নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, হাকিমপুরের সাধুরিয়া গ্রাম থেকে বিষপান করা মুমুর্ষূ রোগীকে নিয়ে প্রমি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস (ঢাকা-মেট্রোÑছ-৭১-২১৮৭) নামের একটি অ্যাম্বুলেন্স দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যাওয়ার সময় ফুলবাড়ী-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফুলবাড়ী উপজেলার রাজারামপুরস্থ ভিমলপুর মোড় নামক স্থানে দিনাজপুর থেকে ঢাকা গামী শ্যামলী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিকট শব্দে অ্যাম্বুলন্সের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক অ্যাম্বুলেন্স চালক এহসান আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।গুরুতর আহত উল্লিখিত দুই নারীসহ পাঁচজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে ঘটনার পরপরই শ্যামলী পরিবহনের কোচটি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ জুন সকাল ১১টার দিকে বারাই হাট স্থানে ঢাকাগামী হানিফ কোচের সাথে ইজিবাইকের সংঘর্ষে দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরের দিন আরও একজন মারা যায়।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, পালিয়ে যাওয়া শ্যামলী পরিবহনের কোচটি আটকের চেষ্টা চলছে। মহদেহের আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে হতাহতের ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।