ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪ ৬২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া। আক্রান্ত হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু। এমনি এক ভয়ংকর আদ্যপ্রাণীর দেখা মিলেছে জাপানে। এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে পড়ার সম্ভাবনা বেশি পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের। গত ২ জুন থেকে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭৭ জন।

তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও জাপানে আতঙ্কের কারণ হয়েছিলো এই ব্যাকটেরিয়া। ১৯৯৯ সাল থেকেই এই ব্যাকটেরিয়া ও তার প্রকোপে হওয়া স্ট্রেপটোকক্কাল টক্সিক শক সিনড্রোম তথা এসটিএসস নামের অসুখটির কথা সবারই জানা। গত বছর এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৪১ জন। কিন্তু এ বছর এই সংখ্যাটা আরো বেশি। এর ফলে আতঙ্ক বাড়ছে।

এই ব্যাকটেরিয়াটি ছোটদের গলা ফোলা ও ব্যথার মতো উপসর্গ তৈরি করে। কিন্তু এরমধ্যে কোনো কোনো আদ্যপ্রাণী দ্রুত শরীরের আরো অবনতি ঘটাতে পারে। ফলে গায়ে ব্যথা, জ্বর, রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আর সেখান থেকে দ্রুত শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর অর্গ্যান ফেলিওর অর্থাৎ অঙ্গ অকেজো হয়ে যেতে থাকা এবং ক্রমে মৃত্যু।

টোকি বলছেন, এই রোগের সংক্রমণ হলে বেশির ভাগ মৃত্যুই হতে পারে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে। কোনো রোগী হয়তো দেখলেন তার পায়ের পাতা ফুলছে। দুপুরের মধ্যে সেটা হাঁটুতে পৌঁছে যেতে পারে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব শেষ।

চলতি বছর জাপানে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছুঁতে পারে। এই অসুখে মৃত্যুহারও বেশি। ৩০ শতাংশ।

শুধু জাপানই নয়। সম্প্রতি আরো কয়েকটি দেশে এই ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান মিলেছে। ২০২২ সালে WHO-র কাছে ইউরোপের অন্তত ৫টি দেশ রিপোর্ট করেছিলো গ্রুপ এ স্ট্রেপটোকক্কাসের উপস্থিতি নিয়ে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কোভিড নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর থেকে এই ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বাড়ার বিষয়টি নজরে আসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

মাংসখেকো ব্যাকটেরিয়া। আক্রান্ত হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু। এমনি এক ভয়ংকর আদ্যপ্রাণীর দেখা মিলেছে জাপানে। এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে পড়ার সম্ভাবনা বেশি পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের। গত ২ জুন থেকে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭৭ জন।

তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও জাপানে আতঙ্কের কারণ হয়েছিলো এই ব্যাকটেরিয়া। ১৯৯৯ সাল থেকেই এই ব্যাকটেরিয়া ও তার প্রকোপে হওয়া স্ট্রেপটোকক্কাল টক্সিক শক সিনড্রোম তথা এসটিএসস নামের অসুখটির কথা সবারই জানা। গত বছর এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৪১ জন। কিন্তু এ বছর এই সংখ্যাটা আরো বেশি। এর ফলে আতঙ্ক বাড়ছে।

এই ব্যাকটেরিয়াটি ছোটদের গলা ফোলা ও ব্যথার মতো উপসর্গ তৈরি করে। কিন্তু এরমধ্যে কোনো কোনো আদ্যপ্রাণী দ্রুত শরীরের আরো অবনতি ঘটাতে পারে। ফলে গায়ে ব্যথা, জ্বর, রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আর সেখান থেকে দ্রুত শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর অর্গ্যান ফেলিওর অর্থাৎ অঙ্গ অকেজো হয়ে যেতে থাকা এবং ক্রমে মৃত্যু।

টোকি বলছেন, এই রোগের সংক্রমণ হলে বেশির ভাগ মৃত্যুই হতে পারে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে। কোনো রোগী হয়তো দেখলেন তার পায়ের পাতা ফুলছে। দুপুরের মধ্যে সেটা হাঁটুতে পৌঁছে যেতে পারে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব শেষ।

চলতি বছর জাপানে আক্রান্তের সংখ্যা আড়াই হাজার ছুঁতে পারে। এই অসুখে মৃত্যুহারও বেশি। ৩০ শতাংশ।

শুধু জাপানই নয়। সম্প্রতি আরো কয়েকটি দেশে এই ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান মিলেছে। ২০২২ সালে WHO-র কাছে ইউরোপের অন্তত ৫টি দেশ রিপোর্ট করেছিলো গ্রুপ এ স্ট্রেপটোকক্কাসের উপস্থিতি নিয়ে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কোভিড নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর থেকে এই ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ বাড়ার বিষয়টি নজরে আসে।