ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘ন্যায় বিচার প্রাপ্তি সাংবিধানিক অধিকার’

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ ২২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ন্যায় বিচার প্রাপ্তি সাংবিধানিক অধিকার। মানুষের সেই অধিকার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ আগের চেয়ে আরো গতিশীল।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকেলে নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য নব নির্মিত বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আইনের আশ্রয়ের জন্য যারা আদালতে আসেন তারা সুখী মন নিয়ে আসেন না; বিপদে পড়েই আসেন। বিপদগ্রস্ত এসব মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগে ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, যারা সেবা নিতে আসবেন ‘ন্যায়কুঞ্জ’ সাময়িকভাবে বসে তারা বিশ্রাম নিতে পারবেন। ‘ন্যায়কুঞ্জের’ ভেতরে মায়েরা চাইলে শিশুদের দুগ্ধপান করাতে পারবেন।

সাময়িক বিশ্রামের ফলে র ধীরে ধীরে বিচারের জটিলতা কমে যাবে ও বিচার ব্যবস্থা আরও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর, নওগাঁর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ (বিচারক) আবু শামীম আজাদ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বনাথ মন্ডল, জেলা প্রশাসক গোলাম মাওলা, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিরোজসহ অন্যান্যরা।পরে বিচারপতি আদালত চত্ত্বরে একটি বকুল ফুলের গাছের চারা রোপণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘ন্যায় বিচার প্রাপ্তি সাংবিধানিক অধিকার’

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ন্যায় বিচার প্রাপ্তি সাংবিধানিক অধিকার। মানুষের সেই অধিকার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ আগের চেয়ে আরো গতিশীল।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকেলে নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থীদের জন্য নব নির্মিত বিশ্রামাগার ‘ন্যায়কুঞ্জ’ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আইনের আশ্রয়ের জন্য যারা আদালতে আসেন তারা সুখী মন নিয়ে আসেন না; বিপদে পড়েই আসেন। বিপদগ্রস্ত এসব মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগে ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, যারা সেবা নিতে আসবেন ‘ন্যায়কুঞ্জ’ সাময়িকভাবে বসে তারা বিশ্রাম নিতে পারবেন। ‘ন্যায়কুঞ্জের’ ভেতরে মায়েরা চাইলে শিশুদের দুগ্ধপান করাতে পারবেন।

সাময়িক বিশ্রামের ফলে র ধীরে ধীরে বিচারের জটিলতা কমে যাবে ও বিচার ব্যবস্থা আরও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর, নওগাঁর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ (বিচারক) আবু শামীম আজাদ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বনাথ মন্ডল, জেলা প্রশাসক গোলাম মাওলা, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিরোজসহ অন্যান্যরা।পরে বিচারপতি আদালত চত্ত্বরে একটি বকুল ফুলের গাছের চারা রোপণ করেন।