ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খালে পড়েও বেঁচে গেলো ৭ মাসের সাবরিন, ভেসে ছিলো কচুরিপানায়

বরগুনা প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাত মাসের শিশু সাবরিন। বাবার কোলে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সে হয়তো জানে না, তার মা আর কোনদিন ফিরে আসবে না। চলে গেছে না ফেরার দেশে। ছোট্ট মেয়ে শিশুটিকে নিয়ে বৌভাতের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় মারা যান রাইতি খান (৩৫)।

বরগুনার আমতলীতে শনিবার (২২ জুন) বৌভাতে যাওয়ার সময় সেতু ভেঙে মাইক্রোবাস খালে পড়ে ৯ জন মারা যায়। নিহতের মধ্যে ছিলেন রাইতি।

শনিবার দুপুরে বরগুনার আমতলী উপজেলার ৫নম্বর চাওড়া ইউনিয়ন এবং ৪ নম্বর হলদিয়া ইউনিয়নের মাঝামাঝি হলদিয়া হাট সেতু ভেঙে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪ জন আহত হন এবং আরও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

জানা গেছে, সাবরিনের মা মাইক্রোবাসে ছিলেন। সেতু ভেঙে মাইক্রোবাস যখন খালের মধ্যে ডুবে যাচ্ছিল তখন রাইতি খান তার কোলে থাকা সাবরিনকে কচুরিপানার ওপর ফেলে দেন। আর পেছনের অটোয় ছিলেন শিশুটির বাবা। অটোটিও পানিতে ডুবে যাচ্ছিলো। তবে তিনি কোনোভাবে বের হয়ে আসেন। এরপর তার চোখ পড়ে কচুরিপানায়। সেখানে তিনি সাবরিনকে দেখে তাকে উদ্ধার করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

খালে পড়েও বেঁচে গেলো ৭ মাসের সাবরিন, ভেসে ছিলো কচুরিপানায়

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

সাত মাসের শিশু সাবরিন। বাবার কোলে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সে হয়তো জানে না, তার মা আর কোনদিন ফিরে আসবে না। চলে গেছে না ফেরার দেশে। ছোট্ট মেয়ে শিশুটিকে নিয়ে বৌভাতের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় মারা যান রাইতি খান (৩৫)।

বরগুনার আমতলীতে শনিবার (২২ জুন) বৌভাতে যাওয়ার সময় সেতু ভেঙে মাইক্রোবাস খালে পড়ে ৯ জন মারা যায়। নিহতের মধ্যে ছিলেন রাইতি।

শনিবার দুপুরে বরগুনার আমতলী উপজেলার ৫নম্বর চাওড়া ইউনিয়ন এবং ৪ নম্বর হলদিয়া ইউনিয়নের মাঝামাঝি হলদিয়া হাট সেতু ভেঙে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪ জন আহত হন এবং আরও ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

জানা গেছে, সাবরিনের মা মাইক্রোবাসে ছিলেন। সেতু ভেঙে মাইক্রোবাস যখন খালের মধ্যে ডুবে যাচ্ছিল তখন রাইতি খান তার কোলে থাকা সাবরিনকে কচুরিপানার ওপর ফেলে দেন। আর পেছনের অটোয় ছিলেন শিশুটির বাবা। অটোটিও পানিতে ডুবে যাচ্ছিলো। তবে তিনি কোনোভাবে বের হয়ে আসেন। এরপর তার চোখ পড়ে কচুরিপানায়। সেখানে তিনি সাবরিনকে দেখে তাকে উদ্ধার করেন।