ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
২০২৭ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বই দিল্লিতে মোদী-দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক, আলোচনায় তারেক রহমানের ভারত সফর মেসির যে ৫ রেকর্ড ভাঙা হবে সবচেয়ে কঠিন ২৬ কোটি টাকায় বদলে যাচ্ছে ধানমন্ডি লেক, হবে ‘নজরুল সরোবর’ নোট অব ডিসেন্টসহ যেভাবে সই, সেভাবেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গাপূজায় ঢাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, মাঠে থাকবে সোয়াট-বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট রামেবি ভিসিকে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ, পিএসকে মারধর দুই বছরের সাজা, আপিলে জামিনে মুক্ত দুই শ্রমিকদল নেতা সীমান্তে দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় ৪ তরুণ আটক, পালাল আরও ৩ জন স্কুল ফিডিংয়ের দুধ পান করে অসুস্থ ১৯ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি

দুই বছরের সাজা, আপিলে জামিনে মুক্ত দুই শ্রমিকদল নেতা

মোঃ মশিউর রহমান
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজনৈতিক মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডের পর আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যাওয়া ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিকদল নেতা মোকলেস মিয়া জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। কারাগারের বাইরে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা ফুলের মালা ও ফুল দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।

একই মামলায় কারাগারে যাওয়া যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলামও এদিন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পরে নেতাকর্মীরা তাকেও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আপিল করেন মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম। তাদের আইনজীবী সোহেল খান আপিলের পাশাপাশি মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আদালত দুজনের জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিনের কাগজপত্র যাচাই শেষে বিকেল ৫টার দিকে তাদের কারামুক্তি দেওয়া হয়।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কারা উপ-তত্ত্বাবধায়ক (জেলার) মো. ফখর উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৭ সালের ২২ জুন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলাটি করা হয়।

ওই মামলায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে দুজনকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে মামলার অন্যান্য ধারায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের পর মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি আপিল করেন। আপিলে নিম্ন আদালতের রায় ও সাজা বাতিল করে খালাস দেওয়ার আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনও চাওয়া হয়।

জামিনে মুক্তির পর কারাগারের বাইরে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে ফুলের মালা পরিয়ে ও ফুল দিয়ে মোকলেস মিয়া এবং জাহিদুল ইসলামকে শুভেচ্ছা জানান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দুই বছরের সাজা, আপিলে জামিনে মুক্ত দুই শ্রমিকদল নেতা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনৈতিক মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডের পর আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যাওয়া ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিকদল নেতা মোকলেস মিয়া জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। কারাগারের বাইরে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা ফুলের মালা ও ফুল দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।

একই মামলায় কারাগারে যাওয়া যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলামও এদিন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। পরে নেতাকর্মীরা তাকেও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আপিল করেন মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম। তাদের আইনজীবী সোহেল খান আপিলের পাশাপাশি মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আদালত দুজনের জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিনের কাগজপত্র যাচাই শেষে বিকেল ৫টার দিকে তাদের কারামুক্তি দেওয়া হয়।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কারা উপ-তত্ত্বাবধায়ক (জেলার) মো. ফখর উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০১৭ সালের ২২ জুন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলাটি করা হয়।

ওই মামলায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে দুজনকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে মামলার অন্যান্য ধারায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের পর মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি আপিল করেন। আপিলে নিম্ন আদালতের রায় ও সাজা বাতিল করে খালাস দেওয়ার আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনও চাওয়া হয়।

জামিনে মুক্তির পর কারাগারের বাইরে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে ফুলের মালা পরিয়ে ও ফুল দিয়ে মোকলেস মিয়া এবং জাহিদুল ইসলামকে শুভেচ্ছা জানান তারা।