সান্তাহারে মালবাহী কামড়া লাইনচ্যুত, বন্ধ ট্রেন চলাচল

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের পেছনে সংযুক্ত মালবাহী কামড়া লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে সান্তাহার জংশন স্টেশন দিয়ে সব রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে রেলক্রসিংয়ের ওপর ট্রেন আটকে থাকায় শহরের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যান চলাচলও বন্ধ হয়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সান্তাহার শহরের রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর সান্তাহার স্টেশনে রাজশাহী থেকে পার্বতীপুরগামী আন্তঃনগর বরেন্দ্র এক্সপ্রেস এবং আক্কেলপুর স্টেশনে রাজশাহীগামী আন্তঃনগর তিতুমীর এক্সপ্রেস আটকা পড়ে।
সান্তাহার স্টেশনের সুইচ কেবিন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত ঘণ্টা বিলম্বে ৭৯৮ নম্বর নিম্নগামী আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস সন্ধ্যা ৭টার দিকে সান্তাহার জংশন স্টেশনে প্রবেশ করছিল। এ সময় ট্রেনটির একেবারে পেছনে থাকা মালবাহী কামড়াটি লাইনচ্যুত হয়ে ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লাইনের ওপর পড়ে। এতে স্টেশন থেকে বিভিন্ন রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সান্তাহার স্টেশনের সুইচ কেবিনে দায়িত্বে থাকা স্টেশন মাস্টার আবু হানিফ বলেন, মালবাহী কামড়াটি লাইনচ্যুত হওয়ায় সব লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সিগন্যালের কোনো ত্রুটি ছিল না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রেনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে।
সান্তাহার স্টেশনের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) শ্যামল চন্দ্র জানান, লাইনচ্যুত কামড়াটি উদ্ধারে ক্যারেজ বিভাগের কর্মীরা কাজ করছেন। ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন আসার পর উদ্ধারকাজ আরও জোরালোভাবে শুরু হবে।
সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের গ্রেড-১ স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস প্রায় সাত ঘণ্টা বিলম্বে চলছিল। সন্ধ্যা ৭টার দিকে সান্তাহার স্টেশনে প্রবেশের সময় রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেনটির সর্বশেষ লাগেজ ভ্যানটি লাইনচ্যুত হয়। সিগন্যালের কোনো সমস্যা ছিল না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই দুর্ঘটনাটি হয়ে থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, লাইনচ্যুত লাগেজ ভ্যানটি কেটে আলাদা করে রাখার পর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস সান্তাহার স্টেশন ছেড়ে গেছে। ঈশ্বরদী থেকে রিলিফ ট্রেন এসে লাইনচ্যুত কামড়াটি উদ্ধারে কাজ করবে। কামড়াটি রেললাইন থেকে সরানো না পর্যন্ত সান্তাহারের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
























