ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদী দীনেশ ত্রিবেদী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, ‘আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। সঠিক সময়ে সব আয়োজন হবে।’

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

‘ভারত সফরের আমন্ত্রণ সবসময় রয়েছে’

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় ভারত সফরের আমন্ত্রণ রয়েছে এবং বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজেও জানেন।

দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় থাকার পাশাপাশি পারস্পরিক সুসম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

‘বৈঠক আজ না হলেও কাল বা পরশু হতে পারে’

বাংলাদেশ ও ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার কাজ থেমে থাকার কোনো কারণ নেই। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আজ না হলেও কাল বা পরশু হতে পারে।

তবে শুধু শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের অপেক্ষায় না থেকে দুই দেশের অভিন্ন লক্ষ্য ও স্বার্থের জায়গা থেকে বাস্তব কাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও জোরদারের কথাও বলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

‘পরিবেশগত সংকটের কোনো সীমান্ত নেই’

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সহযোগিতার বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাতাস, নদী, জলবায়ু কিংবা বন্যপ্রাণীর কোনো সীমান্ত নেই। এসব সীমান্তহীন সংকট যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

তিনি বলেন, পরিষ্কার বায়ু ও নীল আকাশের মতো সুবিধা নিশ্চিত করার পথ এক দিনে তৈরি হয় না। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।

আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পাশাপাশি কার্বন ক্রেডিট, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং হাতি চলাচলের করিডোর ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়ে দুই দেশের কর্মকর্তাদের পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

এর আগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার। বৈঠকে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বন্যপ্রাণীসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের জনগণের স্বার্থ এবং বাণিজ্যিক ও পরিবেশগত নির্ভরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, কোনো পক্ষ থেকেই সহযোগিতার পথ থেমে থাকবে না। কর্মকর্তা পর্যায়ে আলোচনা এবং যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদী দীনেশ ত্রিবেদী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, ‘আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী। সঠিক সময়ে সব আয়োজন হবে।’

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

‘ভারত সফরের আমন্ত্রণ সবসময় রয়েছে’

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সবসময় ভারত সফরের আমন্ত্রণ রয়েছে এবং বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজেও জানেন।

দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় থাকার পাশাপাশি পারস্পরিক সুসম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

‘বৈঠক আজ না হলেও কাল বা পরশু হতে পারে’

বাংলাদেশ ও ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের মধ্যে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার কাজ থেমে থাকার কোনো কারণ নেই। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আজ না হলেও কাল বা পরশু হতে পারে।

তবে শুধু শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের অপেক্ষায় না থেকে দুই দেশের অভিন্ন লক্ষ্য ও স্বার্থের জায়গা থেকে বাস্তব কাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও জোরদারের কথাও বলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

‘পরিবেশগত সংকটের কোনো সীমান্ত নেই’

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সহযোগিতার বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাতাস, নদী, জলবায়ু কিংবা বন্যপ্রাণীর কোনো সীমান্ত নেই। এসব সীমান্তহীন সংকট যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

তিনি বলেন, পরিষ্কার বায়ু ও নীল আকাশের মতো সুবিধা নিশ্চিত করার পথ এক দিনে তৈরি হয় না। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।

আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পাশাপাশি কার্বন ক্রেডিট, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং হাতি চলাচলের করিডোর ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়ে দুই দেশের কর্মকর্তাদের পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

এর আগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার। বৈঠকে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বন্যপ্রাণীসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সমীকরণের চেয়ে দুই দেশের জনগণের স্বার্থ এবং বাণিজ্যিক ও পরিবেশগত নির্ভরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, কোনো পক্ষ থেকেই সহযোগিতার পথ থেমে থাকবে না। কর্মকর্তা পর্যায়ে আলোচনা এবং যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।