ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরাঞ্চলে বেড়ে উঠছে কৃষকের ‘টাকার গাছ’

লিয়াকত হোসাইন লায়ন,জামালপুর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫ ৯১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলে ক্রমেই বেড়ে উঠছে বেগুন গাছ। স্থানীয় কৃষকরা বেগুন গাছকে ‘টাকার গাছ’ বলে মনে করেন।

কাঁসা, বেগুন ও গুড় এই তিনে মিলে ইসলামপুর। ইসলামপুরের কৃষকদের উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী এই বেগুন অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। সারাদেশে এই অঞ্চলের বেগুনের ব্যাপক কদর রয়েছে।

কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, বারি-১ জাতের বেগুন ইসলামপুরে বেশি চাষ হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে ৫০ হাজার মেট্রিক টন বেগুন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে উপজেলায় প্রায় ১৮শত হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষাবাদ হয়েছে। প্রতি একর জমিতে কমপক্ষে ১৫ মেট্রিক টন উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়ার অনুকূল থাকলে এ বছর বেগুনের বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।

ইসলামপুর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক তোরাব আলী জানান, এ বছর বন্যা ও বৃষ্টি কম হওয়ায় বেগুন ক্ষেত অনেক ভালো হয়েছে। সভার চর গ্রামের চাষী সুরুজ আলী জানান, এলাকার মানুষ বেগুন টালকে (ক্ষেত) টাকার ক্ষেত আর বেগুন গাছকে ‘টাকার গাছ’ বলে থাকেন। এখন কৃষকদের একটু কষ্ট হলেও বেগুন আসা শুরু হলে প্রতি দিন ঘরে টাকা আসবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বাংলা টাইমসকে বলেন, উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলের মাটি বেগুন চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় কৃষকরা লাভজনক এ ফসল চাষে আগ্রহী। আশা রাখছি ভাল ফলন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চরাঞ্চলে বেড়ে উঠছে কৃষকের ‘টাকার গাছ’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলে ক্রমেই বেড়ে উঠছে বেগুন গাছ। স্থানীয় কৃষকরা বেগুন গাছকে ‘টাকার গাছ’ বলে মনে করেন।

কাঁসা, বেগুন ও গুড় এই তিনে মিলে ইসলামপুর। ইসলামপুরের কৃষকদের উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী এই বেগুন অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। সারাদেশে এই অঞ্চলের বেগুনের ব্যাপক কদর রয়েছে।

কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, বারি-১ জাতের বেগুন ইসলামপুরে বেশি চাষ হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে ৫০ হাজার মেট্রিক টন বেগুন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে উপজেলায় প্রায় ১৮শত হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষাবাদ হয়েছে। প্রতি একর জমিতে কমপক্ষে ১৫ মেট্রিক টন উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়ার অনুকূল থাকলে এ বছর বেগুনের বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।

ইসলামপুর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক তোরাব আলী জানান, এ বছর বন্যা ও বৃষ্টি কম হওয়ায় বেগুন ক্ষেত অনেক ভালো হয়েছে। সভার চর গ্রামের চাষী সুরুজ আলী জানান, এলাকার মানুষ বেগুন টালকে (ক্ষেত) টাকার ক্ষেত আর বেগুন গাছকে ‘টাকার গাছ’ বলে থাকেন। এখন কৃষকদের একটু কষ্ট হলেও বেগুন আসা শুরু হলে প্রতি দিন ঘরে টাকা আসবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বাংলা টাইমসকে বলেন, উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলের মাটি বেগুন চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় কৃষকরা লাভজনক এ ফসল চাষে আগ্রহী। আশা রাখছি ভাল ফলন হবে।