ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ঈদে মিলাদুন্নবী: মহানবীর জীবনাদর্শে শান্তি ও মানবিকতার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল আজ। মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম, শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ স্মরণের মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করছেন। বাংলাদেশেও ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হচ্ছে পবিত্র এ দিন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে সরকারি ছুটি। বন্ধ রয়েছে সংবাদপত্রের প্রকাশনাও।

মানবতার জন্য অনন্য আদর্শ

হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইসলামের সর্বশেষ নবী ও রাসুল। তিনি মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, দয়া, সহমর্মিতা ও মানবিক মর্যাদার শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর প্রচারিত শান্তি, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের বাণী আরব সমাজের পাশাপাশি মানবসভ্যতার ইতিহাসেও ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করে।

মক্কার কুরাইশ বংশে জন্ম নেওয়া মহানবী (সা.) জন্মের আগেই পিতাকে এবং ছয় বছর বয়সে মা আমিনা (রা.)-কে হারান। এতিম অবস্থায় বেড়ে উঠলেও তাঁর চরিত্রে সততা, আমানতদারি, সংযম ও উত্তম নৈতিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটে ওঠে। মক্কার মানুষ তাঁকে তাই ‘আল-আমিন’—বিশ্বস্ত ও আমানতদার—হিসেবে অভিহিত করতেন।

তিনি এমন এক সময়ে পৃথিবীতে আগমন করেন, যখন আরব সমাজ পৌত্তলিকতা, কুসংস্কার, গোত্রীয় সংঘাত, হিংসা, অন্যায় ও বৈষম্যে জর্জরিত ছিল। চল্লিশ বছর বয়সে মক্কার হেরা গুহায় তাঁর ওপর প্রথম ওহি নাজিল হয়। এরপর প্রায় ২৩ বছর তিনি মানুষকে সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের পথে আহ্বান করেন।

মদিনায় ন্যায়ভিত্তিক সমাজের দৃষ্টান্ত

মক্কায় দীর্ঘদিন নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ার পর মহানবী (সা.) আল্লাহর নির্দেশে মদিনায় হিজরত করেন। সেখানে তিনি শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মদিনার সমাজব্যবস্থায় পারস্পরিক দায়িত্ববোধ, সহাবস্থান, ন্যায়বিচার ও মানুষের মর্যাদাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাঁর জীবনের প্রতিটি পর্যায়েই এতিম, দরিদ্র, অসহায়, নারী, শিশু ও সমাজের দুর্বল মানুষের অধিকার রক্ষার শিক্ষা পাওয়া যায়।

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ শুধু ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে সততা, ন্যায়, দায়িত্ববোধ, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা ও মানবিকতার যে শিক্ষা তিনি রেখে গেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

৬৩ বছর বয়সে মদিনায় ইন্তেকাল করেন মহানবী (সা.)। তাঁর ওফাত মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে এক গভীর শোকের ঘটনা হয়ে আছে।

ইবাদত ও ধর্মীয় আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, দোয়া, দান-খয়রাত ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। অনেকে নফল রোজাও রাখছেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, ওয়াজ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এসব আয়োজনে মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় জর্জরিত বর্তমান বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায় ও মানবিকতার শিক্ষা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল ও সহমর্মী হওয়ার পাশাপাশি নারী, শিশু ও সমাজের প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষার শিক্ষাও তিনি দিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষকালব্যাপী আয়োজন

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচি। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব সাহানে গতকাল মঙ্গলবার বাদ মাগরিব এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মাহফিল ও সম্মেলন, সেমিনার, কবিতাপাঠ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, প্রকাশনা ও প্রদর্শনী। এ ছাড়া বায়তুল মোকাররমের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ইসলামি বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন মসজিদ, ইসলামি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগেও নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ স্মরণের এই দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রত্যয়—ব্যক্তিজীবন থেকে সমাজজীবন পর্যন্ত শান্তি, ন্যায়, সততা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার চর্চা আরও শক্তিশালী করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঈদে মিলাদুন্নবী: মহানবীর জীবনাদর্শে শান্তি ও মানবিকতার আহ্বান

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল আজ। মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম, শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ স্মরণের মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করছেন। বাংলাদেশেও ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হচ্ছে পবিত্র এ দিন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে সরকারি ছুটি। বন্ধ রয়েছে সংবাদপত্রের প্রকাশনাও।

মানবতার জন্য অনন্য আদর্শ

হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইসলামের সর্বশেষ নবী ও রাসুল। তিনি মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, দয়া, সহমর্মিতা ও মানবিক মর্যাদার শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর প্রচারিত শান্তি, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের বাণী আরব সমাজের পাশাপাশি মানবসভ্যতার ইতিহাসেও ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করে।

মক্কার কুরাইশ বংশে জন্ম নেওয়া মহানবী (সা.) জন্মের আগেই পিতাকে এবং ছয় বছর বয়সে মা আমিনা (রা.)-কে হারান। এতিম অবস্থায় বেড়ে উঠলেও তাঁর চরিত্রে সততা, আমানতদারি, সংযম ও উত্তম নৈতিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটে ওঠে। মক্কার মানুষ তাঁকে তাই ‘আল-আমিন’—বিশ্বস্ত ও আমানতদার—হিসেবে অভিহিত করতেন।

তিনি এমন এক সময়ে পৃথিবীতে আগমন করেন, যখন আরব সমাজ পৌত্তলিকতা, কুসংস্কার, গোত্রীয় সংঘাত, হিংসা, অন্যায় ও বৈষম্যে জর্জরিত ছিল। চল্লিশ বছর বয়সে মক্কার হেরা গুহায় তাঁর ওপর প্রথম ওহি নাজিল হয়। এরপর প্রায় ২৩ বছর তিনি মানুষকে সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের পথে আহ্বান করেন।

মদিনায় ন্যায়ভিত্তিক সমাজের দৃষ্টান্ত

মক্কায় দীর্ঘদিন নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়ার পর মহানবী (সা.) আল্লাহর নির্দেশে মদিনায় হিজরত করেন। সেখানে তিনি শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মদিনার সমাজব্যবস্থায় পারস্পরিক দায়িত্ববোধ, সহাবস্থান, ন্যায়বিচার ও মানুষের মর্যাদাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাঁর জীবনের প্রতিটি পর্যায়েই এতিম, দরিদ্র, অসহায়, নারী, শিশু ও সমাজের দুর্বল মানুষের অধিকার রক্ষার শিক্ষা পাওয়া যায়।

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ শুধু ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে সততা, ন্যায়, দায়িত্ববোধ, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা ও মানবিকতার যে শিক্ষা তিনি রেখে গেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

৬৩ বছর বয়সে মদিনায় ইন্তেকাল করেন মহানবী (সা.)। তাঁর ওফাত মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে এক গভীর শোকের ঘটনা হয়ে আছে।

ইবাদত ও ধর্মীয় আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, দোয়া, দান-খয়রাত ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। অনেকে নফল রোজাও রাখছেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, ওয়াজ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এসব আয়োজনে মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় জর্জরিত বর্তমান বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায় ও মানবিকতার শিক্ষা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল ও সহমর্মী হওয়ার পাশাপাশি নারী, শিশু ও সমাজের প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষার শিক্ষাও তিনি দিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষকালব্যাপী আয়োজন

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচি। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব সাহানে গতকাল মঙ্গলবার বাদ মাগরিব এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মাহফিল ও সম্মেলন, সেমিনার, কবিতাপাঠ, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, প্রকাশনা ও প্রদর্শনী। এ ছাড়া বায়তুল মোকাররমের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ইসলামি বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন মসজিদ, ইসলামি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগেও নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ স্মরণের এই দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রত্যয়—ব্যক্তিজীবন থেকে সমাজজীবন পর্যন্ত শান্তি, ন্যায়, সততা, সহমর্মিতা ও মানবিকতার চর্চা আরও শক্তিশালী করা।