কিডনিতে পাথর: পানি খেলে ঝুঁকি কমে, কিন্তু বড় স্টোনে যথেষ্ট নয়
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
কিডনিতে পাথর বা স্টোন সমস্যা এখন ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে। বয়স যেকোনো হতেই পারে, এবং অনেক সময় উপসর্গ ছাড়াই হঠাৎ পেটে তীব্র ব্যথার মাধ্যমে ধরা পড়ে। ছোট পাথর ওষুধে বেরিয়ে যেতে পারে, তবে বড় পাথরের জন্য প্রয়োজন হয় অস্ত্রোপচার বা ইউআরএসএল-এর মতো চিকিৎসা পদ্ধতির।
বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, কিডনি সুস্থ রাখতে বেশি জল খেলে পাথর বেরিয়ে যাবে। তবে বিশাখাপত্তনম কিডনি হাসপাতাল-এর চিকিৎসক অমিত সাপলের মতে, পানি খাওয়া কিডনির জন্য সহায়ক, কিন্তু বড় স্টোনের ক্ষেত্রে সমাধান নয়।
কেন হয় কিডনিতে পাথর?
কিডনি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ ছেঁকে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে। পানি কম খেলে প্রস্রাব ঘন হয়, ক্যালশিয়াম, অক্সালেট ও ইউরিক অ্যাসিড জমাট বাঁধে এবং স্টোন তৈরি হয়। অতিরিক্ত অক্সালেট জাতীয় খাবার যেমন বাদাম, পালংশাক, বিট, ক্যালশিয়ামের সঙ্গে মিলিত হয়ে পাথর তৈরি করে। অতিরিক্ত নুনযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারও কিডনির ক্ষতি করতে পারে।
পানি পাথর বের করতে সাহায্য করে কি?
ছোট স্টোনের ক্ষেত্রে বেশি পানি খেলে প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু পানি পাথর গলাতে পারে না। ৫ মিলিমিটারের চেয়ে বড় স্টোনের জন্য চিকিৎসা প্রয়োজন। কিছু ওষুধ স্টোন ভাঙতে সাহায্য করে, এবং বড় পাথরের জন্য শব্দতরঙ্গ বা অস্ত্রোপচার প্রয়োগ করা হয়।
দিনে কতটা পানি খাওয়া দরকার?
পানির পরিমাণ নির্ভর করে পরিবেশ ও শারীরিক শ্রমের উপর। গরমকালে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ১০–১২ গ্লাস পানি খেতে পারেন। প্রস্রাবের রং যদি গাঢ় হলুদ হয়, বুঝতে হবে পানি কম খাওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা মনে করাচ্ছেন, যথাযথ পানি পান জরুরি, তবে কিডনির স্টোনের শেষ চিকিৎসা শুধুমাত্র জল নয়।




















