ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে রাঙামাটির টেকসই উন্নয়নের সম্ভাবনা

আহমদ বিলাল খান
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:২৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাঙামাটির সামাজিক, পরিবেশ ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উদ্ভাবনী ধারণা তুলে ধরলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। হাল্ট প্রাইজ ২০২৬-এর ক্যাম্পাস ফাইনালে অংশ নেওয়া এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণ সরাসরি উপকৃত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাবিপ্রবির একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হাল্ট প্রাইজ ২০২৬ ক্যাম্পাস ফাইনালে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল- টেকসই মৎস্য খাত, পরিবেশ সংরক্ষণ, জননিরাপত্তা ও পর্যটন উন্নয়ন। প্রতিযোগিতায় ডি’আরটাগ্রান দল চ্যাম্পিয়ন, লোকাল স্টে প্রথম রানারআপ এবং ইকোনেক্সাস দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচিত হয়।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মো. আরিফুর রহমান, ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ঈপসা) এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাদ্দাম হোসেন, এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ফাহিম হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ছয়টি দল- দ্য সেভিয়ার, অ্যাকুয়ানোভা, সেফএক্সিট এআই, ডি’আরটাগ্রান, লোকাল স্টে এবং ইকোনেক্সাস- নানা উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করেন। বিষয়গুলো ছিল- মাছের খাদ্য উৎপাদন, শিল্পভিত্তিক টেকসই মৎস্য খাতের জন্য স্মার্ট শীতল সংরক্ষণ ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক স্মার্ট নজরদারি ও জননিরাপত্তা, জীবাণু প্রতিরোধক সুরক্ষা, টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা এবং প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়া।

বক্তারা বলেন, হাল্ট প্রাইজ তরুণদের সৃজনশীল চিন্তা ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে নেতৃত্ব দিতে উদ্বুদ্ধ করবে। পাশাপাশি এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন ও আতিথেয়তা বিভাগের ডিপার্টমেন্ট প্রধান মোসা. হাবিবা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ফখরুদ্দিন, ডিজিডেন আইটি এবং নেক্সট ওয়েভ ৩৬০ সলিউশন্সের প্রধান নির্বাহীরা।

হাল্ট প্রাইজ ফাইনালের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ছিল- রাবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাব, থিংক ব্রাইট, ইনফোগ্রাম, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, দ্য গ্র্যাজুয়েটস, নিউজ ২৪, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, দ্য বেইলাইন জার্নাল, দ্য পজিটিভ ওয়ান, স্কিনো, ডিজিডেন আইটি এবং নিশর্গ।

উদ্ভাবনী ধারণাগুলো বাস্তবায়িত হলে রাঙামাটির টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পর্যটন সম্ভাবনা নতুন মাত্রা পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে রাঙামাটির টেকসই উন্নয়নের সম্ভাবনা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:২৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাঙামাটির সামাজিক, পরিবেশ ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উদ্ভাবনী ধারণা তুলে ধরলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। হাল্ট প্রাইজ ২০২৬-এর ক্যাম্পাস ফাইনালে অংশ নেওয়া এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণ সরাসরি উপকৃত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাবিপ্রবির একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হাল্ট প্রাইজ ২০২৬ ক্যাম্পাস ফাইনালে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল- টেকসই মৎস্য খাত, পরিবেশ সংরক্ষণ, জননিরাপত্তা ও পর্যটন উন্নয়ন। প্রতিযোগিতায় ডি’আরটাগ্রান দল চ্যাম্পিয়ন, লোকাল স্টে প্রথম রানারআপ এবং ইকোনেক্সাস দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচিত হয়।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মো. আরিফুর রহমান, ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ঈপসা) এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক, বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাদ্দাম হোসেন, এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ফাহিম হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ছয়টি দল- দ্য সেভিয়ার, অ্যাকুয়ানোভা, সেফএক্সিট এআই, ডি’আরটাগ্রান, লোকাল স্টে এবং ইকোনেক্সাস- নানা উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করেন। বিষয়গুলো ছিল- মাছের খাদ্য উৎপাদন, শিল্পভিত্তিক টেকসই মৎস্য খাতের জন্য স্মার্ট শীতল সংরক্ষণ ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক স্মার্ট নজরদারি ও জননিরাপত্তা, জীবাণু প্রতিরোধক সুরক্ষা, টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা এবং প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়া।

বক্তারা বলেন, হাল্ট প্রাইজ তরুণদের সৃজনশীল চিন্তা ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে নেতৃত্ব দিতে উদ্বুদ্ধ করবে। পাশাপাশি এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন ও আতিথেয়তা বিভাগের ডিপার্টমেন্ট প্রধান মোসা. হাবিবা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ফখরুদ্দিন, ডিজিডেন আইটি এবং নেক্সট ওয়েভ ৩৬০ সলিউশন্সের প্রধান নির্বাহীরা।

হাল্ট প্রাইজ ফাইনালের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ছিল- রাবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাব, থিংক ব্রাইট, ইনফোগ্রাম, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, দ্য গ্র্যাজুয়েটস, নিউজ ২৪, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, দ্য বেইলাইন জার্নাল, দ্য পজিটিভ ওয়ান, স্কিনো, ডিজিডেন আইটি এবং নিশর্গ।

উদ্ভাবনী ধারণাগুলো বাস্তবায়িত হলে রাঙামাটির টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পর্যটন সম্ভাবনা নতুন মাত্রা পাবে।