ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনে চলছে নানান অনিয়ম, দুর্নীতি। কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ। প্রতিষ্ঠানটিতে যোগ্যদের অবমূল্যায়ন করে অযোগ্য ও নিম্নতম পদের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসহ একাধিক বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এমনকি বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন একাধিক উপ-পরিচালক।

কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখানেই শেষ নয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ফাউন্ডেশনের সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহার করছেন।

জানা গেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪টি গাড়ি ব্যবহার করছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার। ফাউন্ডেশনের চতুর্থ গ্রেডের একজন কর্মকর্তার প্রাপ্য গাড়ি নিয়ে সচিব তার পিএস-টুকে দিয়েছেন। যার নম্বর ঢাকা মেট্রো খ-১১৯৩৭৫। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আউটসোর্সিংয়ের গাড়ি (নম্বর ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৩৫২৯২) মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত দেখিয়ে সচিবের স্ত্রীকে দেয়া হয়েছে। ইসলমিক ফাউন্ডেশনের আরো দু’টি গাড়ি ধর্ম সচিবের দপ্তরে সংযুক্ত রয়েছে। এরমধ্যে তিনি নিজে একটি ব্যবহার করেন। আরেকটি তার বাসার কাজে নিয়োজিত। এই গাড়ি দু’টির চালক মো. মাসুদুর রহমান ও মো. জহিরুল ইসলাম। সরকারের টাকায় জ্বালানি ও চালকদের বেতনসহ সব খরচ দেয়া হয়। কিন্তু গাড়ি চারটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে ব্যবহার করছেন ধর্ম সচিব।

এসব বিষয়ে কথা বলতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অন্যদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আরও অনেক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ। ছোট ভাইকে নিয়োগ দেয়ার জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ। তিনি ওই নিয়োগ পরীক্ষার পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালে তিনি ভাইকে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক থাকা অবস্থায় ‘বিক্রয় সহকারী’ পদে নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা কমিটির সহযোগী হিসেবে শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন হারুনুর রশিদ। তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন না করে তার ছোট ভাইকে পরীক্ষায় সহায়তা করেন। এজন্য হারুনুর রশিদকে কারণ দর্শানো নোটিশও দেয়া হয়েছিলো। এই অভিযোগে তাকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি সেখানে না গিয়ে ঢাকায় অবস্থান করেন। প্রশাসনিক কাজে বিঘ্ন সৃষ্টির জন্য তাকে শোকজ করা হয়।

হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৩ সালে টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে দু’টি চেকের মাধ্যমে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি করা হলে জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। তবে অদৃশ্য কারণে হারুনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

অন্যদিকে ,‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম একটি সমীক্ষা’ শীর্ষক গবেষণাপত্রে ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যথাযথ সম্মান না দিয়ে ‘মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ১৯৭০-৭১ সাল পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়কে তিনি ‘দুর্যোগপূর্ণ দিন’ অখ্যায়িত করেন। স্বাধীনতাবরোধী মৌলবাদী গোষ্ঠার সাথে সম্পৃক্ততা সন্দেহে গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি হারুনূর রশিদকে তলব করেছিলো পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ (সিটিটিসি)।

উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশিদ বর্তমানে যাকাত বিভাগের পরিচালকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। এরপরও তাকে প্রেস ব্যবস্থাপকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও গবেষণা, অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও আছেন হারুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যাকাত বিভাগ ছাড়া অন্য দায়িত্বে নেই। কোনো অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িতও নেই।

ওইসলামিক ফাউন্ডেশনের আইসিটি বিভাগের পরিচালক হিসেবে চলতি দায়িত্ব পালন করছেন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তাকে পরিকল্পনা বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

উপ-পরিচালক মো.আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধেও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। জেলায় উপ-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। তারপরও তাকে ‘হাওর এলাকার জনগণের জীবন মান উন্নয়ন জীব ও বৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইমামদের উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম’ শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রকাশনা বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পরে তাকে হালাল সনদ বিভাগ ও ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ইসলাম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (প্রশাসন ও কার্যক্রম) মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের উপ-পরিচালক থাকা অবস্থায় ল অ্যান্ড এস্টেট বিভাগের চলতি দায়িত্ব পেয়েছেন মুহাম্মাদ রফিক উল। সেই সাথে তিনি প্রতিটি জেলা, উপজেলায় একটি করে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এসব বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মহা. বশিরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদেশে আছেন বলে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনে চলছে নানান অনিয়ম, দুর্নীতি। কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ। প্রতিষ্ঠানটিতে যোগ্যদের অবমূল্যায়ন করে অযোগ্য ও নিম্নতম পদের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসহ একাধিক বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এমনকি বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন একাধিক উপ-পরিচালক।

কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখানেই শেষ নয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ফাউন্ডেশনের সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহার করছেন।

জানা গেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪টি গাড়ি ব্যবহার করছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার। ফাউন্ডেশনের চতুর্থ গ্রেডের একজন কর্মকর্তার প্রাপ্য গাড়ি নিয়ে সচিব তার পিএস-টুকে দিয়েছেন। যার নম্বর ঢাকা মেট্রো খ-১১৯৩৭৫। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আউটসোর্সিংয়ের গাড়ি (নম্বর ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৩৫২৯২) মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত দেখিয়ে সচিবের স্ত্রীকে দেয়া হয়েছে। ইসলমিক ফাউন্ডেশনের আরো দু’টি গাড়ি ধর্ম সচিবের দপ্তরে সংযুক্ত রয়েছে। এরমধ্যে তিনি নিজে একটি ব্যবহার করেন। আরেকটি তার বাসার কাজে নিয়োজিত। এই গাড়ি দু’টির চালক মো. মাসুদুর রহমান ও মো. জহিরুল ইসলাম। সরকারের টাকায় জ্বালানি ও চালকদের বেতনসহ সব খরচ দেয়া হয়। কিন্তু গাড়ি চারটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে ব্যবহার করছেন ধর্ম সচিব।

এসব বিষয়ে কথা বলতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অন্যদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আরও অনেক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ। ছোট ভাইকে নিয়োগ দেয়ার জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ। তিনি ওই নিয়োগ পরীক্ষার পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালে তিনি ভাইকে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক থাকা অবস্থায় ‘বিক্রয় সহকারী’ পদে নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা কমিটির সহযোগী হিসেবে শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন হারুনুর রশিদ। তিনি সেখানে দায়িত্ব পালন না করে তার ছোট ভাইকে পরীক্ষায় সহায়তা করেন। এজন্য হারুনুর রশিদকে কারণ দর্শানো নোটিশও দেয়া হয়েছিলো। এই অভিযোগে তাকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বদলি করা হয়। কিন্তু তিনি সেখানে না গিয়ে ঢাকায় অবস্থান করেন। প্রশাসনিক কাজে বিঘ্ন সৃষ্টির জন্য তাকে শোকজ করা হয়।

হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৩ সালে টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে দু’টি চেকের মাধ্যমে সাত লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি করা হলে জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। তবে অদৃশ্য কারণে হারুনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

অন্যদিকে ,‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম একটি সমীক্ষা’ শীর্ষক গবেষণাপত্রে ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যথাযথ সম্মান না দিয়ে ‘মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ১৯৭০-৭১ সাল পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়কে তিনি ‘দুর্যোগপূর্ণ দিন’ অখ্যায়িত করেন। স্বাধীনতাবরোধী মৌলবাদী গোষ্ঠার সাথে সম্পৃক্ততা সন্দেহে গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি হারুনূর রশিদকে তলব করেছিলো পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ (সিটিটিসি)।

উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশিদ বর্তমানে যাকাত বিভাগের পরিচালকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। এরপরও তাকে প্রেস ব্যবস্থাপকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও গবেষণা, অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও আছেন হারুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যাকাত বিভাগ ছাড়া অন্য দায়িত্বে নেই। কোনো অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িতও নেই।

ওইসলামিক ফাউন্ডেশনের আইসিটি বিভাগের পরিচালক হিসেবে চলতি দায়িত্ব পালন করছেন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। তাকে পরিকল্পনা বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

উপ-পরিচালক মো.আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধেও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। জেলায় উপ-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। তারপরও তাকে ‘হাওর এলাকার জনগণের জীবন মান উন্নয়ন জীব ও বৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইমামদের উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম’ শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রকাশনা বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পরে তাকে হালাল সনদ বিভাগ ও ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ইসলাম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (প্রশাসন ও কার্যক্রম) মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের উপ-পরিচালক থাকা অবস্থায় ল অ্যান্ড এস্টেট বিভাগের চলতি দায়িত্ব পেয়েছেন মুহাম্মাদ রফিক উল। সেই সাথে তিনি প্রতিটি জেলা, উপজেলায় একটি করে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এসব বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মহা. বশিরুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদেশে আছেন বলে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।