নিখোঁজের সাত দিন পর ডোবা থেকে বস্তাবন্দি শিশুর মরদেহ উদ্ধার

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৩৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
পাবনার সদর উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর কামরুন্নাহার কলি নামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর টুকরো করা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ আশপাশের এলাকার মানুষ।
কামরুন্নাহার কলি পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে।
বাজার থেকে ফেরার পর নিখোঁজ
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে গিয়েছিল কলি। বাজার শেষে বাবার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশের দিকে যায় সে। এরপর আর বাড়িতে ফেরেনি।
পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে কলির পরা স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা পাবনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের পর বিভিন্ন মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে প্রচার চালায় পরিবার। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরে স্বজন ও সহপাঠীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।
এর পরদিন বুধবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় কলির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।
হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি
শিশুটির বাবা কামাল প্রামাণিক বলেন, বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে তাঁর মেয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছেন তাঁরা।
তিনি বলেন, তাঁর মেয়েকে কারা হত্যা করেছে এবং কারা তাঁদের এমন সর্বনাশ করেছে, তা জানতে চান। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।





















