ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪০ বিচারকের পদোন্নতি, সিনিয়র জেলা জজ হলেন তারা প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে গুজব, এখনো চূড়ান্ত হয়নি কোনো সূচি দিনাজপুরে ভয়াবহ শিলাবৃষ্টি, এক ঘণ্টায় ফসল-ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছয় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শত কোটি টাকার দুর্নীতি,আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ জাল সনদধারী শিক্ষক শনাক্তে উদ্যোগ, নিয়োগে এনটিআরসিএ বাধ্যতামূলক ঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা গড়াল সংঘর্ষে, ঢামেকে জরুরি বিভাগ বন্ধ পাবনায় ভৈজ্যতেল বাড়তি দামে বিক্রয়ের অভিযোগে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা তালাকের জেরে খুন,অতঃপর

জাল সনদধারী শিক্ষক শনাক্তে উদ্যোগ, নিয়োগে এনটিআরসিএ বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন করা এবং আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে অনিয়ম রোধে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ, জাল সনদধারীদের শনাক্তকরণ, আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য র‍্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রমও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ উল্লেখযোগ্য।

শিক্ষক সংকট নিরসনে শূন্য পদের তালিকা Bangladesh Public Service Commission-এ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষক উপস্থিতি ও পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ইমপ্যাক্ট ইভ্যালুয়েশন’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘অ্যাক্সিলারেটিং সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জাল সনদধারী শিক্ষক শনাক্তে উদ্যোগ, নিয়োগে এনটিআরসিএ বাধ্যতামূলক

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাল সনদধারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সম্পন্ন করা এবং আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে অনিয়ম রোধে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ, জাল সনদধারীদের শনাক্তকরণ, আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য র‍্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রমও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ উল্লেখযোগ্য।

শিক্ষক সংকট নিরসনে শূন্য পদের তালিকা Bangladesh Public Service Commission-এ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষক উপস্থিতি ও পাঠদান কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ইমপ্যাক্ট ইভ্যালুয়েশন’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘অ্যাক্সিলারেটিং সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে।