ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছয় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ জাল সনদধারী শিক্ষক শনাক্তে উদ্যোগ, নিয়োগে এনটিআরসিএ বাধ্যতামূলক ঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা গড়াল সংঘর্ষে, ঢামেকে জরুরি বিভাগ বন্ধ পাবনায় ভৈজ্যতেল বাড়তি দামে বিক্রয়ের অভিযোগে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা তালাকের জেরে খুন,অতঃপর গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপের মাধ্যমে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু সান্তাহারে সংঘর্ষের ঘটনায় যান চলাচল বন্ধ, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার

সংরক্ষিত নারী আসন: ১৩টিতে জামায়াতের প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩টিতে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট। জাতীয় নির্বাচনে ৭৭টি আসনে জয় পাওয়ার ফলে এই সংখ্যক সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী মনোনয়নের সুযোগ পাচ্ছে দলটি।

নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর হিসাব অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি পেয়েছে বিএনপি জোট এবং ১৩টি পেয়েছে জামায়াত। ত্রয়োদশ সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে জামায়াতে ইসলামী।

দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে পরিবারতন্ত্র নয়, বরং যোগ্যতা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও জনগ্রহণযোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে সম্ভাব্য নারী প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করে দলের আমিরের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় সরাসরি নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব হয়নি, সেসব অঞ্চল থেকে নারীদের প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের নেত্রীরা জানিয়েছেন, শীর্ষ নেতাদের পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কোনো নীতি নেই। দলের নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দলীয় মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন। যোগ্যতার বিচারে শীর্ষ নেতাদের পরিবারের কেউ এগিয়ে থাকলে তাকেও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে এটি পারিবারিক পরিচয়ের কারণে নয়, সম্পূর্ণভাবে দলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

জামায়াতের তথ্য অনুযায়ী, দলটির মোট কর্মীর মধ্যে নারীর অংশগ্রহণ ৪৩ শতাংশের বেশি। যদিও এবারের নির্বাচনে দলটির কোনো নারী সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি, তবে ভবিষ্যতে পরিবেশ অনুকূল হলে সরাসরি নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংরক্ষিত নারী আসন: ১৩টিতে জামায়াতের প্রার্থী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩টিতে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট। জাতীয় নির্বাচনে ৭৭টি আসনে জয় পাওয়ার ফলে এই সংখ্যক সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী মনোনয়নের সুযোগ পাচ্ছে দলটি।

নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর হিসাব অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি পেয়েছে বিএনপি জোট এবং ১৩টি পেয়েছে জামায়াত। ত্রয়োদশ সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে জামায়াতে ইসলামী।

দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে পরিবারতন্ত্র নয়, বরং যোগ্যতা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও জনগ্রহণযোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে সম্ভাব্য নারী প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করে দলের আমিরের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় সরাসরি নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব হয়নি, সেসব অঞ্চল থেকে নারীদের প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের নেত্রীরা জানিয়েছেন, শীর্ষ নেতাদের পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কোনো নীতি নেই। দলের নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্যতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দলীয় মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন। যোগ্যতার বিচারে শীর্ষ নেতাদের পরিবারের কেউ এগিয়ে থাকলে তাকেও বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে এটি পারিবারিক পরিচয়ের কারণে নয়, সম্পূর্ণভাবে দলের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

জামায়াতের তথ্য অনুযায়ী, দলটির মোট কর্মীর মধ্যে নারীর অংশগ্রহণ ৪৩ শতাংশের বেশি। যদিও এবারের নির্বাচনে দলটির কোনো নারী সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি, তবে ভবিষ্যতে পরিবেশ অনুকূল হলে সরাসরি নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।