মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকতে পারেন জাইমা রহমান

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি নতুন সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এখন সবার নজর নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের দিকে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরই মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
মন্ত্রিসভায় নতুন চেহারা
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়। অতীতে দলের প্রতি ত্যাগ, যোগ্যতা ও বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো মন্ত্রীপদ নৈরাজ্যপূর্ণভাবে বণ্টন করা হবে না।
আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ নাম
বৃহৎ রাজনৈতিক মহলে আলোচনা হচ্ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতাদের নাম নিয়ে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর – গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন – মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জহিরউদ্দিন স্বপন, রেজা কিবরিয়া, এহসানুল হক মিলন, রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, শরীফুল আলম, দেওয়ান সালাহউদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, সেলিম ভূঁইয়া, অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফজলুর রহমান, মুশফিকুর রহমান, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, শামা ওবায়েদ, ফারজানা শারমিন পুতুল, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, আসাদুল হাবীব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রকিবুল ইসলাম বকুলও আলোচনায়।
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, ইসমাঈল জবিউল্লাহ, ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, হুমায়ূন কবীর, জিয়া হায়দার।
জাইমা রহমানের সম্ভাব্য দায়িত্ব
নতুন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকতে পারেন তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এছাড়া বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিনও এ ধরনের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা চলছে।
প্রক্রিয়া ও সময়সীমা
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া সংসদ সদস্যদের শপথের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশনের গেজেট নোটিফিকেশনের পর শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে এবং তার পরই মন্ত্রিসভা কার্যক্রম শুরু করবে।
নতুন মন্ত্রিসভায় বিএনপি চাইছে নেতৃত্ব, যোগ্যতা ও প্রযুক্তি-উদ্ভাবনকে সমন্বয় করতে। নবীন-প্রবীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে মন্ত্রিসভা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। জাইমা রহমানের মতো নতুন প্রজন্মের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাখা এ প্রক্রিয়ার অংশ, যা সরকারী কাজকর্মে উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি আনার আশা জাগাচ্ছে।























