ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘদিন মহাকাশে থাকলে মস্তিষ্কে পরিবর্তন, জানালেন বিজ্ঞানীরা

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহাকাশে দীর্ঘ সময় কাটালে মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কে সূক্ষ্ম পরিবর্তন আসে। ফ্লরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, বিশেষ করে ভারসাম্য এবং চলাফেরার সঙ্গে যুক্ত মস্তিষ্কের অংশে তা লক্ষ্য করা যায়।

গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন ফিজিওলজিস্ট রাচেল সিডলার। তার দলে ২৬ জন মহাকাশচারীর মস্তিষ্কের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা গেছে, মহাকাশে থাকার সময় করোটির ভিতরে মস্তিষ্ক সামান্য উপরে ও পিছনের দিকে সরতে পারে। দীর্ঘ এক বছর মহাকাশে থাকলে মস্তিষ্কের আকার ২–৩ মিলিমিটার পরিবর্তিত হতে পারে।

এই পরিবর্তনগুলো সাধারণত স্থায়ী নয়, কিন্তু পৃথিবীতে ফিরে আসার পর কয়েক দিন থেকে সপ্তাহ পর্যন্ত ভারসাম্য বজায় রাখতে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। মস্তিষ্কের পস্‌চেরিয়ার ইনসুলা অংশ বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়, যা চলাফেরার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, মহাকাশে থাকার ফলে ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা বা বোধশক্তিতে কোনো প্রভাব পড়ে না। মস্তিষ্কের শুধু সেই অংশে পরিবর্তন আসে যা চলাফেরার নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

সিডলারের দল ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার হেলানো বিছানায় করা পূর্ববর্তী গবেষণাও কাজে লাগিয়ে এই ফলাফলে পৌঁছেছে। সংক্ষিপ্ত সময়ে মহাকাশযাত্রা হলেও মস্তিষ্কে সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, তবে তা সাধারণত মানুষের দৈনন্দিন কার্যকলাপে বড় প্রভাব ফেলে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দীর্ঘদিন মহাকাশে থাকলে মস্তিষ্কে পরিবর্তন, জানালেন বিজ্ঞানীরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

মহাকাশে দীর্ঘ সময় কাটালে মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কে সূক্ষ্ম পরিবর্তন আসে। ফ্লরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, বিশেষ করে ভারসাম্য এবং চলাফেরার সঙ্গে যুক্ত মস্তিষ্কের অংশে তা লক্ষ্য করা যায়।

গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন ফিজিওলজিস্ট রাচেল সিডলার। তার দলে ২৬ জন মহাকাশচারীর মস্তিষ্কের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা গেছে, মহাকাশে থাকার সময় করোটির ভিতরে মস্তিষ্ক সামান্য উপরে ও পিছনের দিকে সরতে পারে। দীর্ঘ এক বছর মহাকাশে থাকলে মস্তিষ্কের আকার ২–৩ মিলিমিটার পরিবর্তিত হতে পারে।

এই পরিবর্তনগুলো সাধারণত স্থায়ী নয়, কিন্তু পৃথিবীতে ফিরে আসার পর কয়েক দিন থেকে সপ্তাহ পর্যন্ত ভারসাম্য বজায় রাখতে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। মস্তিষ্কের পস্‌চেরিয়ার ইনসুলা অংশ বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়, যা চলাফেরার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, মহাকাশে থাকার ফলে ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা বা বোধশক্তিতে কোনো প্রভাব পড়ে না। মস্তিষ্কের শুধু সেই অংশে পরিবর্তন আসে যা চলাফেরার নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

সিডলারের দল ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার হেলানো বিছানায় করা পূর্ববর্তী গবেষণাও কাজে লাগিয়ে এই ফলাফলে পৌঁছেছে। সংক্ষিপ্ত সময়ে মহাকাশযাত্রা হলেও মস্তিষ্কে সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, তবে তা সাধারণত মানুষের দৈনন্দিন কার্যকলাপে বড় প্রভাব ফেলে না।