ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতের দাপট থাকবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সারা দেশে শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার যেখানে ২৫টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল, বর্তমানে সেখানে সাতটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার কমলেও ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতের প্রকোপ অব্যাহত থাকবে।

বাংলা বর্ষপঞ্জিতে পৌষ মানেই শীতের দাপট। জমাট কুয়াশা ও হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। মাঝ দুপুরেও বাতাসে ভাসছে কুয়াশার আস্তর, নিস্তেজ সূর্যে দিনের আলো মিলছে সীমিত সময়ের জন্য।

আবহাওয়া অফিস জানায়, জানুয়ারি বছরের সবচেয়ে শীতল মাস হলেও চলতি বছর ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এরপর চুয়াডাঙ্গা ও যশোরসহ কয়েকটি জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। শুক্রবার থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও শীতের তীব্রতা পুরোপুরি কাটেনি।

আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জলি বলেন, শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার কমলেও ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতের দাপট থাকবে। আবহাওয়া গবেষক ড. বজলুর রশীদ জানান, চলতি জানুয়ারিতে এক থেকে দুইটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় কম। একই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা নওগাঁর বদলগাছি, পাবনা ও রাজশাহীতে রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, নৌ ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে।

আগামী কয়েক দিন সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বর্ধিত পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শীতের দাপট থাকবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

সারা দেশে শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার যেখানে ২৫টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল, বর্তমানে সেখানে সাতটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার কমলেও ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতের প্রকোপ অব্যাহত থাকবে।

বাংলা বর্ষপঞ্জিতে পৌষ মানেই শীতের দাপট। জমাট কুয়াশা ও হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। মাঝ দুপুরেও বাতাসে ভাসছে কুয়াশার আস্তর, নিস্তেজ সূর্যে দিনের আলো মিলছে সীমিত সময়ের জন্য।

আবহাওয়া অফিস জানায়, জানুয়ারি বছরের সবচেয়ে শীতল মাস হলেও চলতি বছর ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এরপর চুয়াডাঙ্গা ও যশোরসহ কয়েকটি জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। শুক্রবার থেকে কিছুটা উন্নতি হলেও শীতের তীব্রতা পুরোপুরি কাটেনি।

আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জলি বলেন, শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার কমলেও ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতের দাপট থাকবে। আবহাওয়া গবেষক ড. বজলুর রশীদ জানান, চলতি জানুয়ারিতে এক থেকে দুইটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আগের দিনের তুলনায় কম। একই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা নওগাঁর বদলগাছি, পাবনা ও রাজশাহীতে রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, নৌ ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে।

আগামী কয়েক দিন সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বর্ধিত পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।