ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে বিধ্বস্ত বিমানে ছিলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণী

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫ ৮৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের অহমদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তাতে গুজরাতের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণী ছিলেন? কয়েকটি সূত্রে তেমনটাই দাবি করা হচ্ছে। বিমানের যাত্রীদের তালিকায় তার নাম ছিল। তার ঘনিষ্ঠ প্রশান্ত ভালা আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, তিনি বিজয়কে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিয়ে এসেছেন। বিমানে লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল তার। যাত্রীদের বিমান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বাসেও উঠেছিলেন বিজয়। তবে তিনি বিমানে উঠেছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তার খোঁজ চলছে।

আরও পড়ুন :বিধ্বস্ত লন্ডনগামী বিমান, মৃত ১৩৫

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি অহমদাবাদের টার্মিনাল ২ থেকে ছেড়েছিল। ৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের উড়ান শেষে তার নামার কথা ছিল গ্যাটউইকে। লন্ডন থেকে দু’ঘণ্টার সড়ক দূরত্বে এই বিমানবন্দর। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, এআই১৭১ বিমানটি বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে অহমদাবাদ থেকে লন্ডন গ্যাটউইকের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

আরও পড়ুন : লন্ডনে আলোচনায় নির্বাচন ইস্যু!

এটি বোয়িং সংস্থার বি৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমান ছিল। এই ধরনের একটি বিমানে সর্বোচ্চ ২৯০ থেকে ৩০০ জন যাত্রী থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অহমদাবাদের বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। বিমানবন্দরের কাছে লোকলয়ে পড়ার পর বিমানে আগুন ধরে যায়। বিস্তীর্ণ অংশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়। মনে করা হচ্ছে, বিমানটিতে ২০০-র বেশি যাত্রী ছিলেন। এখনও যাত্রী সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। খুব বেশি উচ্চতায় বিমানটি পৌঁছোতে পারেনি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা।

আরও পড়ুন : ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে রাজি নন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

বিমান ভেঙে পড়ার পর পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিজয়। রাজকোট পশ্চিমের বিধায়কও ছিলেন। বর্ষীয়ান নেতাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন বিজেপি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভারতে বিধ্বস্ত বিমানে ছিলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

ভারতের অহমদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে এয়ার ইন্ডিয়ার যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তাতে গুজরাতের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণী ছিলেন? কয়েকটি সূত্রে তেমনটাই দাবি করা হচ্ছে। বিমানের যাত্রীদের তালিকায় তার নাম ছিল। তার ঘনিষ্ঠ প্রশান্ত ভালা আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, তিনি বিজয়কে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিয়ে এসেছেন। বিমানে লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল তার। যাত্রীদের বিমান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বাসেও উঠেছিলেন বিজয়। তবে তিনি বিমানে উঠেছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তার খোঁজ চলছে।

আরও পড়ুন :বিধ্বস্ত লন্ডনগামী বিমান, মৃত ১৩৫

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি অহমদাবাদের টার্মিনাল ২ থেকে ছেড়েছিল। ৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের উড়ান শেষে তার নামার কথা ছিল গ্যাটউইকে। লন্ডন থেকে দু’ঘণ্টার সড়ক দূরত্বে এই বিমানবন্দর। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, এআই১৭১ বিমানটি বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে অহমদাবাদ থেকে লন্ডন গ্যাটউইকের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

আরও পড়ুন : লন্ডনে আলোচনায় নির্বাচন ইস্যু!

এটি বোয়িং সংস্থার বি৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমান ছিল। এই ধরনের একটি বিমানে সর্বোচ্চ ২৯০ থেকে ৩০০ জন যাত্রী থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অহমদাবাদের বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। বিমানবন্দরের কাছে লোকলয়ে পড়ার পর বিমানে আগুন ধরে যায়। বিস্তীর্ণ অংশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়। মনে করা হচ্ছে, বিমানটিতে ২০০-র বেশি যাত্রী ছিলেন। এখনও যাত্রী সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। খুব বেশি উচ্চতায় বিমানটি পৌঁছোতে পারেনি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা।

আরও পড়ুন : ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে রাজি নন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

বিমান ভেঙে পড়ার পর পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিজয়। রাজকোট পশ্চিমের বিধায়কও ছিলেন। বর্ষীয়ান নেতাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন বিজেপি।