ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে অনিয়ম: মামলার সংখ্যা বাড়ছে

জয়নাল আবেদিন
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে কারচুপির অভিযোগে একের পর এক মামলা দায়ের হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলোতে ভোটারদের তালিকার ছল, কুইক ভোটিং এবং ভোটের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা উল্লেখ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করেছেন, ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের চাপ সৃষ্টি, ব্যালট মেশিনে অনিয়ম এবং নির্বাচন কর্মকর্তা ও দলীয় লোকজনের অশৃঙ্খল আচরণ লক্ষ্য করা গেছে।

পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি মামলার তদন্ত শুরু করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রমাণ সংগ্রহের পর দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে ৎআরও সাতটি নির্বাচনী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা এসব মামলা করেন। মামলাগুলোর শুনানি বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে আজ মামলা করেছেন:

মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত প্রার্থী, খুলনা-৫), ডা. সুলতান আহমেদ (জামায়াত প্রার্থী, বরগুনা-২), শামীম সাঈদী (জামায়াত প্রার্থী, পিরোজপুর-২), এম এ কাইয়ুম (বিএনপি প্রার্থী, ঢাকা-১১), শরিফুজ্জামান শরীফ (বিএনপি প্রার্থী, চুয়াডাঙ্গা-১), নাদিরা আক্তার (বিএনপি প্রার্থী, মাদারীপুর-১), শাহরিন ইসলাম (বিএনপি প্রার্থী, নীলফামারী-২)।

এর আগে বিভিন্ন আসনে একই অভিযোগে করা একাধিক আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ব্যালট পেপার ও ফলাফলের নথিপত্র হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের এই নির্বাচনী বেঞ্চ।

উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আসা এসব আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

নতুন করে দায়ের করা এই সাতটি মামলার শুনানির দিন ও পরবর্তী কার্যক্রম খুব দ্রুতই শুরু হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচন বিশেষঞ্জরা আশঙ্কা করছেন, এই ধরনের কারচুপি যদি বন্ধ না হয়, তবে জনগণের ভোটে আস্থা হ্রাস পাবে এবং আগামী নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনে অনিয়ম: মামলার সংখ্যা বাড়ছে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণে কারচুপির অভিযোগে একের পর এক মামলা দায়ের হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলোতে ভোটারদের তালিকার ছল, কুইক ভোটিং এবং ভোটের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা উল্লেখ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করেছেন, ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের চাপ সৃষ্টি, ব্যালট মেশিনে অনিয়ম এবং নির্বাচন কর্মকর্তা ও দলীয় লোকজনের অশৃঙ্খল আচরণ লক্ষ্য করা গেছে।

পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি মামলার তদন্ত শুরু করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রমাণ সংগ্রহের পর দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে ৎআরও সাতটি নির্বাচনী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা এসব মামলা করেন। মামলাগুলোর শুনানি বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে আজ মামলা করেছেন:

মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত প্রার্থী, খুলনা-৫), ডা. সুলতান আহমেদ (জামায়াত প্রার্থী, বরগুনা-২), শামীম সাঈদী (জামায়াত প্রার্থী, পিরোজপুর-২), এম এ কাইয়ুম (বিএনপি প্রার্থী, ঢাকা-১১), শরিফুজ্জামান শরীফ (বিএনপি প্রার্থী, চুয়াডাঙ্গা-১), নাদিরা আক্তার (বিএনপি প্রার্থী, মাদারীপুর-১), শাহরিন ইসলাম (বিএনপি প্রার্থী, নীলফামারী-২)।

এর আগে বিভিন্ন আসনে একই অভিযোগে করা একাধিক আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ব্যালট পেপার ও ফলাফলের নথিপত্র হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের এই নির্বাচনী বেঞ্চ।

উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আসা এসব আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

নতুন করে দায়ের করা এই সাতটি মামলার শুনানির দিন ও পরবর্তী কার্যক্রম খুব দ্রুতই শুরু হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচন বিশেষঞ্জরা আশঙ্কা করছেন, এই ধরনের কারচুপি যদি বন্ধ না হয়, তবে জনগণের ভোটে আস্থা হ্রাস পাবে এবং আগামী নির্বাচনের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।