বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে র্যালি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
“একসাথে হাত ধরি, গ্লুকোমা মুক্ত বিশ্ব গড়ি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)। এ উপলক্ষে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক র্যালি ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালির উদ্বোধন করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম।
এ সময় তিনি বলেন, গ্লুকোমা চোখের একটি নীরব ঘাতক রোগ। অনেক মানুষই এই রোগ সম্পর্কে অবগত নন। ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমতে কমতে একসময় রোগী অন্ধত্বের ঝুঁকিতে পড়েন। তাই সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে গ্লুকোমা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন, আইসিও-এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. জেসমিন আহমেদ, কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর, অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন, ডা. কাজী তাহমিনা আক্তার, ডা. ফারজানা আক্তার চৌধুরী, ডা. এ এস এম মাহাবুবুল আলম, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ডা. সুইটি বড়ুয়া, ডা. আমিনুর রহমান, ডা. শেলী বিশ্বাস, ডা. মো. ইফতেখার শামীম ও ডা. মৌসুমী চৌধুরীসহ অন্যান্য চিকিৎসকরা।
এর আগে সকাল ৮টায় হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে গ্লুকোমা নির্ণয় ও প্রতিরোধ বিষয়ক একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্লুকোমা বিভাগের প্রধান কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর।
সেমিনারে জানানো হয়, বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের দ্বিতীয় প্রধান কারণ গ্লুকোমা। উপসর্গ স্পষ্ট না থাকায় অনেক রোগীই বুঝতে পারেন না যে তারা এই রোগে আক্রান্ত। ফলে অধিকাংশ রোগী চিকিৎসকের কাছে আসেন দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারানোর পর্যায়ে।
আলোচনায় বলা হয়, গ্লুকোমা পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়, তবে নিয়মিত পরীক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের মতোই সুশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞের নিয়মিত পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতন করছেন।






















