ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামপাল-মোংলা চার দশক পর বিএনপির দখলে

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চার দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর বাগেরহাট- ৩ (রামপাল ও মোংলা) সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবীদ ড. ফরিদ প্রথমরা নির্বাচনে অংশ নিয়ে ১৯ হাজার ১১১ ভোটের ব্যবধানে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এ্যাডভোকেট মো. আব্দুল ওয়াদুদ শেখকে পরাজিত করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন।

তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৯৩ ভোট। এবারের নির্বাচনে জেলার অন্য ৩টি সংসদীয় আসনে দলীয় কোন্দল আর বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কারনে জেলার অন্য ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা জামায়াতের কাছে পরাজিত হলেও সকল ষড়যন্ত্র কৌশলে রুখে দিয়ে জয়ী হয়েছেন ড. ফরিদ।

১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রæয়ারি দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট- ৩ (রামপাল ও মোংলা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী আফতাব উদ্দিন হাওলাদার নির্বাচিত হবার পর প্রতিদ্বদ্বিতা কোন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি। চার দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের বিজয়ের মধ্য দিয়ে এবার এই আসনটি বিএনপির দখল করতে পেরেছে।

বিএনপির নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, রামপাল- মোংলা আসনটি পুরুদ্ধার করতে বিগত ১৭ বছর ধরে দলকে র্তর্ণমূল থেকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তশালী করার পাশাপাশি এলাকার মানুষের সেবা করতে ফ্রি মেডিকেল করেছি। আই ক্যাম্পের মাধ্যমে রোগী বাছাইয়ের মাধ্যমে বিনামূল্যে অপারেশন অসুষ-চশমা প্রদান করে এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দিয়ে তাদের পাশে দাড়িয়েছি। করোনাকালে এলাকার দরিদ্র শত-শত পরিবারকে অর্থিক সহয়তা করে তাদের হুদয় জয় করেছি। পাশাপাশি নির্যাতিত ও মিথ্যা মামরায় কারাগারে থাকা দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশে থেকে ফ্রি আইনী সহয়তা, চিকিৎসা ও তাদের পরিবারসহ সন্তানদের পড়াশুনাও অর্থিক সহয়তা করেছি। এভাবে আমি দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এলাকায় চাদাবাজী ও চিংড়ি ঘের দখল রুখতে কাজ করেছি। এসব করতে গিয়ে আমার দলেরই একটি আমি যাদে বিএনপির মনোনয়ন না পাই তার জন্য কাজ করেছে।

তারপরও দলকে এক রাখতে সকল ষড়যন্ত্র কৌশলে রুখে দিয়েছি। এই সংসদীয় এলাকার মানুষ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর আস্থা রেখে দীর্ঘচার দশক পর আমাকে নির্বাচিত করেছেন। এখন আমার প্রথম কাজই হচ্ছে চাদাবাজ ও দখলবাজ মুক্ত রামপাল ও মোংলা গড়ে তোলা। মোংলা শিল্পাঞ্চালে এলাকার অধিক মানুষের কর্মস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রামপাল-মোংলা চার দশক পর বিএনপির দখলে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চার দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর বাগেরহাট- ৩ (রামপাল ও মোংলা) সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবীদ ড. ফরিদ প্রথমরা নির্বাচনে অংশ নিয়ে ১৯ হাজার ১১১ ভোটের ব্যবধানে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এ্যাডভোকেট মো. আব্দুল ওয়াদুদ শেখকে পরাজিত করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন।

তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৯৩ ভোট। এবারের নির্বাচনে জেলার অন্য ৩টি সংসদীয় আসনে দলীয় কোন্দল আর বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কারনে জেলার অন্য ৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা জামায়াতের কাছে পরাজিত হলেও সকল ষড়যন্ত্র কৌশলে রুখে দিয়ে জয়ী হয়েছেন ড. ফরিদ।

১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রæয়ারি দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট- ৩ (রামপাল ও মোংলা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী আফতাব উদ্দিন হাওলাদার নির্বাচিত হবার পর প্রতিদ্বদ্বিতা কোন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেনি। চার দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের বিজয়ের মধ্য দিয়ে এবার এই আসনটি বিএনপির দখল করতে পেরেছে।

বিএনপির নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, রামপাল- মোংলা আসনটি পুরুদ্ধার করতে বিগত ১৭ বছর ধরে দলকে র্তর্ণমূল থেকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তশালী করার পাশাপাশি এলাকার মানুষের সেবা করতে ফ্রি মেডিকেল করেছি। আই ক্যাম্পের মাধ্যমে রোগী বাছাইয়ের মাধ্যমে বিনামূল্যে অপারেশন অসুষ-চশমা প্রদান করে এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দিয়ে তাদের পাশে দাড়িয়েছি। করোনাকালে এলাকার দরিদ্র শত-শত পরিবারকে অর্থিক সহয়তা করে তাদের হুদয় জয় করেছি। পাশাপাশি নির্যাতিত ও মিথ্যা মামরায় কারাগারে থাকা দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশে থেকে ফ্রি আইনী সহয়তা, চিকিৎসা ও তাদের পরিবারসহ সন্তানদের পড়াশুনাও অর্থিক সহয়তা করেছি। এভাবে আমি দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এলাকায় চাদাবাজী ও চিংড়ি ঘের দখল রুখতে কাজ করেছি। এসব করতে গিয়ে আমার দলেরই একটি আমি যাদে বিএনপির মনোনয়ন না পাই তার জন্য কাজ করেছে।

তারপরও দলকে এক রাখতে সকল ষড়যন্ত্র কৌশলে রুখে দিয়েছি। এই সংসদীয় এলাকার মানুষ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর আস্থা রেখে দীর্ঘচার দশক পর আমাকে নির্বাচিত করেছেন। এখন আমার প্রথম কাজই হচ্ছে চাদাবাজ ও দখলবাজ মুক্ত রামপাল ও মোংলা গড়ে তোলা। মোংলা শিল্পাঞ্চালে এলাকার অধিক মানুষের কর্মস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।