ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির নতুন সরকার: মন্ত্রিসভায় আলোচনায় যারা

জয়নাল আবেদিন
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জল্পনা-উৎপত্তি শুরু হয়েছে। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি মিত্র দল ও ক্লিন ইমেজের তরুণ নেতাদেরও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

নতুন মন্ত্রিসভা কবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হবে তা নির্ধারণের আগে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন চলছেই, তবে মূল ফোকাস দলীয় অভিজ্ঞতা, ন্যায়পরায়ণতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও রাজনৈতিক ত্যাগে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।

এছাড়া গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে মির্জা আব্বাস, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ড. আব্দুল মঈন খান, পররাষ্ট্র বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।

সূত্রমতে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রনালয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আইন বা জনপ্রশাসনে সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, একই মন্ত্রনালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারে ড. এম এ মুহিত।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ড. রেজা কিবরিয়া। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে রাখা হবে জয়নুল আবদিন ফারুককে।

কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন শামসুজ্জামান দুদু, শ্রম মন্ত্রণালয়ে শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে খন্দকার আবু আশফাক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এহসানুল হক মিলন, একই মন্ত্রনালয়ে প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।

গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে শামা ওবায়েদকে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হতে পারে রুহুল কবির রিজভীকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর।

মন্ত্রীপরিষদের তালিকায় আরও রয়েছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, ববি হাজ্জাজ, নুরুল হক নূর, জোনায়েদ সাকি, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল, ব্যারিস্টার মীর হেলাল।

ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক সফল অধিনায়ক আমিনুল হক। বিএনপি জোট সরকার গঠন করলে, এমপি না হয়েও ‘টেকনোক্রেট’ কোটায় তার মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ এবং ১৭–১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিএনপির নতুন সরকার: মন্ত্রিসভায় আলোচনায় যারা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জল্পনা-উৎপত্তি শুরু হয়েছে। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি মিত্র দল ও ক্লিন ইমেজের তরুণ নেতাদেরও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

নতুন মন্ত্রিসভা কবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হবে তা নির্ধারণের আগে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন চলছেই, তবে মূল ফোকাস দলীয় অভিজ্ঞতা, ন্যায়পরায়ণতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও রাজনৈতিক ত্যাগে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।

এছাড়া গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে মির্জা আব্বাস, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ড. আব্দুল মঈন খান, পররাষ্ট্র বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।

সূত্রমতে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রনালয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আইন বা জনপ্রশাসনে সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, একই মন্ত্রনালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারে ড. এম এ মুহিত।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ড. রেজা কিবরিয়া। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে রাখা হবে জয়নুল আবদিন ফারুককে।

কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন শামসুজ্জামান দুদু, শ্রম মন্ত্রণালয়ে শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে খন্দকার আবু আশফাক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এহসানুল হক মিলন, একই মন্ত্রনালয়ে প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।

গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে শামা ওবায়েদকে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হতে পারে রুহুল কবির রিজভীকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর।

মন্ত্রীপরিষদের তালিকায় আরও রয়েছেন আন্দালিব রহমান পার্থ, ববি হাজ্জাজ, নুরুল হক নূর, জোনায়েদ সাকি, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল, ব্যারিস্টার মীর হেলাল।

ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক সফল অধিনায়ক আমিনুল হক। বিএনপি জোট সরকার গঠন করলে, এমপি না হয়েও ‘টেকনোক্রেট’ কোটায় তার মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ এবং ১৭–১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে।