নতুন সরকারের শপথগ্রহণ: কে পড়াবেন?

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় সরকার গঠনের পথ স্পষ্ট হলেও শপথগ্রহণ নিয়ে সাংবিধানিক কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বর্তমানে কার্যত সংসদ ও স্পিকার নেই।
সংবিধান অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। তবে নির্বাচন কমিশনের বেসরকারি ফলাফল আনুষ্ঠানিক নয়; গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত সময়সীমা শুরু হয় না। ফলে ভোটগণনার পর গেজেট জারি হতে কয়েক দিন লাগতে পারে।
শপথের সাধারণ নিয়ম:
স্পিকার সাধারণত শপথগ্রহণ করান। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার না থাকলে সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি শপথগ্রহণ পরিচালনা করতে পারেন। প্রয়োজনে প্রধান বিচারপতি বা অন্য কোনো সাংবিধানিক পদধারীকেও মনোনয়ন দেওয়া যায়।
নির্ধারিত সময়ে মনোনীত ব্যক্তি শপথ করাতে ব্যর্থ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তিন দিনের মধ্যে শপথ আয়োজন করবেন।
শপথগ্রহণের পর রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সরকার গঠন শুরু হয়। যেকোনো দল বা জোট যা সংসদের অর্ধেকের বেশি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, রাষ্ট্রপতি সেই দলের নেতাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে সংসদ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন এবং এরপর শপথ নিয়ে কার্যভার গ্রহণ করেন।
সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পূর্ববর্তী সরকারের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।
সংক্ষেপে, সংসদ ও স্পিকারের অনুপস্থিতি কিছু অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে, তবে সংবিধানের বিকল্প ব্যবস্থার কারণে শপথ ও সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে।






















