পাকিস্তানের ‘ভারত বয়কট’, বিসিবির শঙ্কা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারতবিরোধী ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত ক্রিকেট জগতে বড় ধাক্কা সৃষ্টি করেছে। যদিও পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ প্রকাশ করেনি, সিদ্ধান্তটি শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অর্থনীতি এবং বাংলাদেশের জন্যও প্রভাব ফেলতে পারে।
পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত ও কারণ
পাকিস্তান সরকার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি মূলত রাজনৈতিক কারণেই নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের দৃষ্টিকোণ থেকে, ভারতের আধিপত্য এবং ক্রিকেটীয় প্রভাব কমানোই লক্ষ্য। পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি শুরু থেকেই বাংলাদেশের ভেন্যু বদলের অনুরোধ নাকচ করে এবং বিশ্বকাপ আয়োজনের বিরোধিতা করেছেন, যা দেখায় পাকিস্তান কিছুটা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াচ্ছে।
বিসিবির শঙ্কা ও প্রতিক্রিয়া
বিসিবির কর্মকর্তারা পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে শঙ্কিত। মূল উদ্বেগের বিষয় হলো অর্থনৈতিক ক্ষতি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশই বিসিবির প্রধান আয়ের উৎস। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে:
আইসিসির আয়ের ক্ষতি হবে।
সরাসরি বাংলাদেশের লভ্যাংশও কমবে। ঘরোয়া ক্রিকেট ও পৃষ্ঠপোষক থেকে আয় কমে যেতে পারে।
বিসিবি এক শীর্ষ পরিচালক বলেন, “এটি শুধু দুই দেশের ক্রিকেট নয়, পুরো বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য বড় ঘটনা। আমাদেরও অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে।”
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব
ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্ব এবং বাংলাদেশের ভূমিকা ক্রিকেট কূটনীতিতে প্রকাশ্য। পাকিস্তানের ভারতবিরোধী পদক্ষেপকে কিছু বিশ্লেষক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থনের দৃষ্টিতে দেখছেন। তবে ভবিষ্যৎ সফরসূচি, এশিয়া কাপসহ অন্যান্য টুর্নামেন্টে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা আছে।
আশার দিক
বিসিবি আশাবাদী যে আলোচনার দরজা এখনো খোলা। বোর্ড পরিচালকরা মনে করছেন, সময়মতো সংলাপ এবং সমন্বয় করে সংকট দূর করা সম্ভব।
পাকিস্তানের ভারতবিরোধী ম্যাচ বয়কট ক্রিকেট এবং অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের জন্য মূল উদ্বেগ হলো অর্থনৈতিক ক্ষতি ও ভবিষ্যৎ ক্রিকেট কূটনীতির প্রভাব। তবে বোর্ড আশা করছে, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব, এবং বিশ্বকাপের খেলা, দলীয় স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে সামঞ্জস্যের পথে রাখা সম্ভব।



















