ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশের ওপর তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে।

শীতের প্রভাব ঢাকা ও আশেপাশের অঞ্চলেও বাড়তে পারে। শীতের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং রাতের বেলা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

জেঁকে বসা হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহ আরও স্থায়ী হচ্ছে। বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কিছু এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ৬–৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

বিডব্লিউওটির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরের পর দেশের অধিকাংশ এলাকায় কুয়াশা সরতে শুরু করেছে এবং রোদের দেখা মিলেছে। তবে বগুড়া, গাইবান্ধা ও খুলনার কিছু এলাকায় কুয়াশার চাদর এখনও রয়ে গেছে।

আজ রাতে কুয়াশা আবার বিস্তার লাভ করতে পারে। পশ্চিমাঞ্চলে কুয়াশা স্থায়ী হবে না, বুধবার দ্রুত রোদের দেখা মিলার সম্ভাবনা আছে। উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে কুয়াশা তুলনামূলক বেশি থাকবে।

রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে আগামী ১০–১১ জানুয়ারি রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।

বিডব্লিউওটি সতর্ক করে জানিয়েছে, তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশজুড়ে ‘কনকনে’ শীত অনুভূত হবে, বিশেষ করে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দেশের ওপর তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

দেশজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাবে।

শীতের প্রভাব ঢাকা ও আশেপাশের অঞ্চলেও বাড়তে পারে। শীতের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং রাতের বেলা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

জেঁকে বসা হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহ আরও স্থায়ী হচ্ছে। বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কিছু এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ৬–৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

বিডব্লিউওটির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরের পর দেশের অধিকাংশ এলাকায় কুয়াশা সরতে শুরু করেছে এবং রোদের দেখা মিলেছে। তবে বগুড়া, গাইবান্ধা ও খুলনার কিছু এলাকায় কুয়াশার চাদর এখনও রয়ে গেছে।

আজ রাতে কুয়াশা আবার বিস্তার লাভ করতে পারে। পশ্চিমাঞ্চলে কুয়াশা স্থায়ী হবে না, বুধবার দ্রুত রোদের দেখা মিলার সম্ভাবনা আছে। উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে কুয়াশা তুলনামূলক বেশি থাকবে।

রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে আগামী ১০–১১ জানুয়ারি রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।

বিডব্লিউওটি সতর্ক করে জানিয়েছে, তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশজুড়ে ‘কনকনে’ শীত অনুভূত হবে, বিশেষ করে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে।