ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদকমুক্ত ও নিরাপদ যশোর গড়তে ধানের শীষে ভোট চাইলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

শহিদুল ইসলাম দইচ, যশোর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:২০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে যশোর-৩ (সদর) আসন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচারণা চালান বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। প্রচারণাকালে বিসিক শিল্প এলাকায় এক পথসভায় অমিত বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন ভোটের জন্য অপেক্ষা করেছি। ২০১৪, ১৮ এবং ২৪ সালে আপনাদের ভোটের প্রয়োজন হয়নি। আজ শত সহস্র মানুষের আত্মত্যাগ আর দীর্ঘ সাধনার পর সেই ভোটের অধিকার ফিরে এসেছে। তাই সকলকে কেন্দ্রে যেতে হবে।

তিনি বলেন, এখানকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। শিল্পনগরীর শ্রমিক ভাই-বোনদের জীবনমান উন্নয়নে রাস্তাঘাট ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। আপনারা সুযোগ দিলে আমি এই সমস্যাগুলো স্থায়ীভাবে সমাধান করব।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাদকের কারণে আজ বহু মা-বোনের সংসার তছনছ হয়ে গেছে। যদি আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তবে এই অঞ্চলকে মাদকমুক্ত করব। মাদক ও সন্ত্রাসের সাথে যদি আমার পরিবারের কেউ বা দলের বড় কোনো নেতাও জড়িত থাকে, আমি তার সাথে কোনো আপোষ করব না।

স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা তরিকুল ইসলাম যশোরবাসীর জন্য ২৫০ শয্যার হাসপাতাল করে দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে রোগীর চাপে সেখানে তিল ধারণের জায়গা নেই। আমি নির্বাচিত হলে যশোরে ৫০০ শয্যার একটি পৃথক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গড়ে তুলব।”

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার বিষয়ে অমিত বলেন, “২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর যখন দেশে আইন-শৃঙ্খলার সংকট ছিল, তখন আমরাই আপনাদের মন্দির, মসজিদ ও ঘরবাড়ি পাহারার ব্যবস্থা করেছি। আপনাদের স্থায়ী সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানের শীষের বিকল্প নেই।

বক্তৃতার শেষে তিনি আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।

পথসভায় ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদকমুক্ত ও নিরাপদ যশোর গড়তে ধানের শীষে ভোট চাইলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:২০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে যশোর-৩ (সদর) আসন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচারণা চালান বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। প্রচারণাকালে বিসিক শিল্প এলাকায় এক পথসভায় অমিত বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন ভোটের জন্য অপেক্ষা করেছি। ২০১৪, ১৮ এবং ২৪ সালে আপনাদের ভোটের প্রয়োজন হয়নি। আজ শত সহস্র মানুষের আত্মত্যাগ আর দীর্ঘ সাধনার পর সেই ভোটের অধিকার ফিরে এসেছে। তাই সকলকে কেন্দ্রে যেতে হবে।

তিনি বলেন, এখানকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। শিল্পনগরীর শ্রমিক ভাই-বোনদের জীবনমান উন্নয়নে রাস্তাঘাট ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। আপনারা সুযোগ দিলে আমি এই সমস্যাগুলো স্থায়ীভাবে সমাধান করব।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাদকের কারণে আজ বহু মা-বোনের সংসার তছনছ হয়ে গেছে। যদি আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তবে এই অঞ্চলকে মাদকমুক্ত করব। মাদক ও সন্ত্রাসের সাথে যদি আমার পরিবারের কেউ বা দলের বড় কোনো নেতাও জড়িত থাকে, আমি তার সাথে কোনো আপোষ করব না।

স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা তরিকুল ইসলাম যশোরবাসীর জন্য ২৫০ শয্যার হাসপাতাল করে দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে রোগীর চাপে সেখানে তিল ধারণের জায়গা নেই। আমি নির্বাচিত হলে যশোরে ৫০০ শয্যার একটি পৃথক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গড়ে তুলব।”

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার বিষয়ে অমিত বলেন, “২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর যখন দেশে আইন-শৃঙ্খলার সংকট ছিল, তখন আমরাই আপনাদের মন্দির, মসজিদ ও ঘরবাড়ি পাহারার ব্যবস্থা করেছি। আপনাদের স্থায়ী সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধানের শীষের বিকল্প নেই।

বক্তৃতার শেষে তিনি আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।

পথসভায় ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিলেন।