ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সমুদ্রস্নানে মেতেছেন পর্যটকরা

উত্তম কুমার হাওলাদার, পটুয়াখালী
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪ ২৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যটকদের পদারচারনায় মুখরিত কুয়াকাটা সৈকত। পর্যটকের উন্মদনায় প্রানচাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়েছে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতে। শুক্রবার (২১ জুন) সকাল থেকেই এসব পর্যটকের আগমন ঘটে। সৈকতের বালিয়াড়িতে ছোট বড় আছড়ে পড়া ঢেউয়ের সাথে মেতেছেন তারা। কেউ প্রিয়জনদের সাথে সেলফি তুলছেন। পর্যটকদের ভীড়ে বুকিং বেড়েছে আবাসিক হোটেল মোটেলগুলোতে। বিক্রি বেড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।

জানা গেছে, ঈদের প্রথম দিনে বৈরী আবহাওয়ার কারণে পর্যটক কম ছিলো। ঈদের পঞ্চম দিন শুক্রবার (২১ জুন) জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে পুরো সৈকতজুড়ে পর্যটকদের পদচারণা। আগত এসব পর্যটকরা আনন্দ উল্লাস ও সমুদ্রস্নানে মেতেছেন। তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, ঝাউবাগান ও গঙ্গামতি সৈকত সহ সকল পর্যটন স্পটে রয়েছে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি। একই সাথে পর্যটন নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে বেচাকেনার ধুম পরে গেছে।

পর্যটক মৌসুমী আক্তার বলেন, সাকাল থেকেই এখানকার দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেছি। আরেক পর্যটক সাবরিনা সাথী বলেন, সবুজ অরণ্য এবং সমুদ্র এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাকে বিমোহিত করেছে। একই সাথে সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে সাঁতার কাটা আসলেই অন্যরকম এক অনুভূতি।

কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কুটুম’র সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর কুয়াকাটায় প্রচুরসংখ্যক পর্যটকের ভীড় লক্ষ করা যাচ্ছে। এখন কুয়াকাটার এই সৈকতে আসতে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের চেয়ে কম সময় লাগে। তাই ভ্রমণপিপাসুরা কুয়াকাটা সৈকত বেছে নিচ্ছেন।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিভিন্ন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আশা করছি পর্যটকরা নিরাপদে তাদের ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সমুদ্রস্নানে মেতেছেন পর্যটকরা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:১৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

পর্যটকদের পদারচারনায় মুখরিত কুয়াকাটা সৈকত। পর্যটকের উন্মদনায় প্রানচাঞ্চল্যতা ফিরে পেয়েছে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতে। শুক্রবার (২১ জুন) সকাল থেকেই এসব পর্যটকের আগমন ঘটে। সৈকতের বালিয়াড়িতে ছোট বড় আছড়ে পড়া ঢেউয়ের সাথে মেতেছেন তারা। কেউ প্রিয়জনদের সাথে সেলফি তুলছেন। পর্যটকদের ভীড়ে বুকিং বেড়েছে আবাসিক হোটেল মোটেলগুলোতে। বিক্রি বেড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।

জানা গেছে, ঈদের প্রথম দিনে বৈরী আবহাওয়ার কারণে পর্যটক কম ছিলো। ঈদের পঞ্চম দিন শুক্রবার (২১ জুন) জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে পুরো সৈকতজুড়ে পর্যটকদের পদচারণা। আগত এসব পর্যটকরা আনন্দ উল্লাস ও সমুদ্রস্নানে মেতেছেন। তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, ঝাউবাগান ও গঙ্গামতি সৈকত সহ সকল পর্যটন স্পটে রয়েছে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি। একই সাথে পর্যটন নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে বেচাকেনার ধুম পরে গেছে।

পর্যটক মৌসুমী আক্তার বলেন, সাকাল থেকেই এখানকার দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেছি। আরেক পর্যটক সাবরিনা সাথী বলেন, সবুজ অরণ্য এবং সমুদ্র এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাকে বিমোহিত করেছে। একই সাথে সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে সাঁতার কাটা আসলেই অন্যরকম এক অনুভূতি।

কুয়াকাটা ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কুটুম’র সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর কুয়াকাটায় প্রচুরসংখ্যক পর্যটকের ভীড় লক্ষ করা যাচ্ছে। এখন কুয়াকাটার এই সৈকতে আসতে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের চেয়ে কম সময় লাগে। তাই ভ্রমণপিপাসুরা কুয়াকাটা সৈকত বেছে নিচ্ছেন।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিভিন্ন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আশা করছি পর্যটকরা নিরাপদে তাদের ভ্রমণ উপভোগ করতে পারবে।