ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিলো থাইল্যান্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বীকৃতি পেলো সমলিঙ্গের বিয়ে (Marriage Equality Bill)। ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্ত থাইল্যান্ডে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবার থাইল্যান্ডের সেনেট আইনি স্বীকৃতি দিলো সমলিঙ্গের বিয়ে। সেনেটের ১৩০ জন ভিন্ন ধারার বিয়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর বিরোধিতা করেন চারজন। ভোটে অংশ নেয়নি ১৮ জন সদস্য।

সেনেটে বিল পাশ হলেও বাকি রাজা মহা বাজিরালংকর্ণের স্বাক্ষর। রাজার স্বাক্ষরের ১২০ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে আইন।

বিলে উল্লেখ করা হয়, একজন ব্যক্তি যে কোনো লিঙ্গের মানুষকে বিয়ে করতে পারেন। এজন্য কোনো অধিকার থেকেই বঞ্চিত হবেন না তারা। তবে স্বামী-স্ত্রী বলে কাউকে চিহ্নিত করা হবে না। এর পরিবর্তে ‘ম্যারেজ পার্টনার’ বা ‘বিবাহিত সঙ্গী’ বলা হবে। অন্যদিকে, বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষ বা মহিলা নয়, ইন্ডিভিজুয়াল বা স্বতন্ত্র ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হবে।

থাইল্যান্ডে সাধারণত সেখানে কেনো ধরনের গোঁড়ামি দেখা যায় না। তবে সমলিঙ্গ বিয়ের স্বীকৃতি সহজে আসেনি। দীর্ঘ আন্দোলনের পর আইনে পরিণত হলো স্বতন্ত্র ব্যক্তির সমলিঙ্গের বিয়ের আইন।

ভারতের মতোই সে দেশেও মূল প্রশ্ন ছিলো, সাধারণ জনতা সমলিঙ্গের বিয়েকে কীভাবে গ্রহণ করবে। তবে শেষ পর্যন্ত সমকামীদের পক্ষেই রায়।

উল্লেখ্য, ভারতে সমকামী সম্পর্ক বৈধ হলেও সমলিঙ্গের বিয়ের বিষয়টি বিবেচনার জন্য সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিলো থাইল্যান্ড

আপডেট সময় : ১২:৪৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

স্বীকৃতি পেলো সমলিঙ্গের বিয়ে (Marriage Equality Bill)। ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্ত থাইল্যান্ডে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবার থাইল্যান্ডের সেনেট আইনি স্বীকৃতি দিলো সমলিঙ্গের বিয়ে। সেনেটের ১৩০ জন ভিন্ন ধারার বিয়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর বিরোধিতা করেন চারজন। ভোটে অংশ নেয়নি ১৮ জন সদস্য।

সেনেটে বিল পাশ হলেও বাকি রাজা মহা বাজিরালংকর্ণের স্বাক্ষর। রাজার স্বাক্ষরের ১২০ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে আইন।

বিলে উল্লেখ করা হয়, একজন ব্যক্তি যে কোনো লিঙ্গের মানুষকে বিয়ে করতে পারেন। এজন্য কোনো অধিকার থেকেই বঞ্চিত হবেন না তারা। তবে স্বামী-স্ত্রী বলে কাউকে চিহ্নিত করা হবে না। এর পরিবর্তে ‘ম্যারেজ পার্টনার’ বা ‘বিবাহিত সঙ্গী’ বলা হবে। অন্যদিকে, বিয়ের ক্ষেত্রে পুরুষ বা মহিলা নয়, ইন্ডিভিজুয়াল বা স্বতন্ত্র ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হবে।

থাইল্যান্ডে সাধারণত সেখানে কেনো ধরনের গোঁড়ামি দেখা যায় না। তবে সমলিঙ্গ বিয়ের স্বীকৃতি সহজে আসেনি। দীর্ঘ আন্দোলনের পর আইনে পরিণত হলো স্বতন্ত্র ব্যক্তির সমলিঙ্গের বিয়ের আইন।

ভারতের মতোই সে দেশেও মূল প্রশ্ন ছিলো, সাধারণ জনতা সমলিঙ্গের বিয়েকে কীভাবে গ্রহণ করবে। তবে শেষ পর্যন্ত সমকামীদের পক্ষেই রায়।

উল্লেখ্য, ভারতে সমকামী সম্পর্ক বৈধ হলেও সমলিঙ্গের বিয়ের বিষয়টি বিবেচনার জন্য সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।