ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কর্মসংস্থানের ফল ‘ড্রাগন’

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫৩:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাতে গোনা কয়েক বছর আগেও যে সকল মাঠে অন্য ফসলের চাষ করা হতো। ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের সে সব মাঠের বেশিরভাগ ক্ষেতেই আজ বিদেশী ফল ড্রাগনের চাষ করা হচ্ছে। কেননা এ অঞ্চলের শিক্ষিত বেকার ও সৌখিন চাষীরা এ ফল চাষের মধ্যে নিজেদের কর্মসংস্থান খুঁজছেন। তাছাড়াও এখনকার দিনে কৃষিতে যে সব নতুন উদ্যোক্তারা ভিড় করছেন তাদের অধিকাংশই ড্রাগন ফল ঘিরে।

কিন্ত মৌসুমের প্রথম ধরের ড্রাগনে চলছে অকল্পনীয় দরপতন। এতে বড় চাষীদের মাঝে কোন রকমের দাগ না কাটলেও দীর্ঘ মেয়াদি এ ফল চাষের নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে চরম নিরাশার শঙ্কা বিরাজ করছে। পাওনাদারদের পাওনা মেটাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। লাভ লোকসানের হিসাব কষে তাদের কপালে পড়ছে নিরাশার ভাঁজ। এদিকে কৃষি অফিস বলছে এ চাষ লাভজনক বলেই কৃষকেরা ঝুঁকছেন ড্রাগন চাষে।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসসূত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলাতে প্রায় ২ শত ৫০ হেক্টোর জমিতে ড্রাগনের চাষ করা হয়েছে। অধিকাংশই রেড ভ্যালবেট জাতের। যা উৎপাদনে এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া খুবই উপযোগী।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গেলে দেখা যায়, বিশেষ পদ্ধতিতে সিমেন্টের খুঁটির উপরে বাধা ট্রায়ার অথবা কোন জিনিস দিয়ে তৈরী গোলাকার চাকার উপর ভর করে আছে ড্রাগনে শাখা। যেগুলোতে পাকা ,আধাপাকা ড্রাগন ঝুলছে। আবার কোনটাতে নতুনভাবে ফুল আসছে। পাকাগুলো বিক্রির জন্য কৃষকেরা ক্ষেত থেকে তুলছেন। দাম কম হওয়ায় তাদের মধ্যে কেউ কেউ ড্রাগনের বর্তমান বাজার দর নিয়ে হতাশার গল্প করছেন।

কালীগঞ্জ শহরের ফলের আড়ৎগুলোতে গেলে দেখা যায়, কৃষকেরা মাঝারি গোছের ড্রাগন প্রতিকেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। আর অপেক্ষাকৃত বড়গুলো প্রতিকেজি ৮৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যে দামে বিক্রি করেও পুরাতন অভিজ্ঞ চাষীরা লাভজনক বললেও বেশিরভাগ ক্ষুদ্রচাষীরা খুশি হতে পারছেন না।

ফলচাষে উপজেলার মধ্যে একমাত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত কৃষক সুরত আলী জানান, এ এলাকায় তিনি প্রথম ড্রাগন চাষ শুরু করেন। আর এখন ড্রাগন চাষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছরও তার মোট ২২ বিঘা জমিতে ড্রাগন আছে। এ বছরের অত্যাধিক তাপমাত্রার কারনে ড্রাগনে ধর এসেছে কমপক্ষে দুই মাস পরে। তবে বিশেষ পদ্ধতির কারনে তার জমিগুলোতে ঠিক সময়েই ফুল এসেছিল। ফলে ঈদের আগেই তিনি ড্রাগন বিক্রি শুরু করেন। সে সময়ে দাম চড়া থাকলেও এখন বিক্রি করছেন অনেক কম দামে।

অভিজ্ঞ এ ফলচাষী আরও জানান, বাজারে এখনও সুস্বাদু আম,কাঠালসহ দেশী জাতের ফলে ভরা রয়েছে। যে কারনে ড্রাগনের চাহিদা কম। তারা আশা করছেন দেশী ফল বাজারে কমে গেলেই ড্রাগনের দাম আবার বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, বাজারে এখনও যে দাম আছে তা লাভজনক। তবে ক্ষুদ্র ও নতুন কৃষকেরা সারা বছরের দায়দেনা পরিশোধের বিষয়টি ভেবে বর্তমান ড্রাগনের দামে খুশি হতে পারছেন না।

মমরেজ আলী নামের আরেক ড্রাগনচাষী জানান, এখন এক বিঘা ড্রাগন চাষ শুরু করতে কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। একটি বাগান ভালো করে পরিচর্যা করতে পারলে ২০ বছর পর্যন্তও ড্রাগন পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, চলতি বছর তার মোট ১৮ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ রয়েছে। বর্তমান বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। তাছাড়াও ড্রাগন বাগানে বছরজুড়ে কৃষি শ্রমিক কাজ করে থাকে। ফলে খরচও বেড়ে গেছে। সেই তুলনায় ড্রাগন বিক্রি করে পয়সা উঠছে কম। এতে দায়দেনার মাধ্যমে বাগান করে ক্ষুদ্র চাষীরা বিপাকে পড়ছেন।

তিনি বলেন, দেশীয় ফল বাজারে কমে গেলে হয়তোবা ড্রাগনের দাম বাড়বে কিন্ত সে সময় পর্যন্ত গাঁটের টাকা খরচ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

আশরাফ আলী (অব.প্রভাষক) জানান, কয়েক বছর আগে চাকরী থেকে অবসরে গেছেন। এরপর থেকে জীবন চালাতে তিনি ড্রাগনের চাষ শুরু করেন। এ বছর তার প্রায় ৮ বিঘা জমিতে ড্রাগন আছে।

তিনি বলেন, এখন বাজারে যে ড্রাগন পাওয়া যাচ্ছে তা মৌসুমের প্রথম ধরের। এরপরও এ মৌসুমে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ টি ধর আসবে। বর্তমানে বাজারে ড্রাগনের দাম একেবারেই কমে গেছে। তবে অন্য ফসল চাষের চেয়ে লাভজনক বলেই পুষ্টিকর এ ফল চাষে মানুষ দিন দিন ঝুঁকে পড়ছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব আলম রনি জানান, লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলাতে দিন দিন ড্রাগনের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার মোট ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে বিশেষ করে কালীগঞ্জের পৌর এলাকা, ত্রিলোচনপুর, সিমলা রোকনপুর, রাখালগাছি, মালিয়াট ইউনিয়নে বেশি চাষ হচ্ছে। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি চাষ হলেও প্রথম বছরে খরচের বেশিরভাগটা হয়ে যায়। এছাড়াও এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের জন্য উপযোগী। একটি ড্রাগন ক্ষেত ঠিকমত পরিচর্যা করতে পারলে ভালোভাবে ১৫-২০ বছর ফল পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, ড্রাগন ফল বেশ সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণে ভরা। দামের ব্যাপারে বলেন, দীর্ঘমেয়াদী ফল বাগান হিসেবে প্রতিকেজি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হলেও কৃষকদের লোকসান হওয়ার কথা নয়।

বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষনা ও প্রশিক্ষন ইনষ্টিটিউট সদর দপ্তরের পুষ্টিবিদ ডঃ মোঃ আব্দুল মজিদ জানান, ড্রাগন ক্যকটাস জাতীয় গাছ। ড্রাগন ফল পুষ্টিগুণে ভরা। এতে যথেষ্ট পরিমানে ভিটামিন সি রয়েছে। এছাড়াও ফলটিতে মিনারেল, ক্যালসিয়াম,আইরন, ফসফরাস, ক্যারোটিন,শর্করা, প্রোটিন ও উচ্চ ফাইবারযুক্ত ফল ড্রাগন। এ সকল উপাদান থাকায় রোগ প্রতিরোধে ড্রাগন খুব কার্যকর। উপকারী তাই অনেক চিকিৎসক এখন রোগীদের ড্রাগন খেতে বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কর্মসংস্থানের ফল ‘ড্রাগন’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫৩:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪

হাতে গোনা কয়েক বছর আগেও যে সকল মাঠে অন্য ফসলের চাষ করা হতো। ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের সে সব মাঠের বেশিরভাগ ক্ষেতেই আজ বিদেশী ফল ড্রাগনের চাষ করা হচ্ছে। কেননা এ অঞ্চলের শিক্ষিত বেকার ও সৌখিন চাষীরা এ ফল চাষের মধ্যে নিজেদের কর্মসংস্থান খুঁজছেন। তাছাড়াও এখনকার দিনে কৃষিতে যে সব নতুন উদ্যোক্তারা ভিড় করছেন তাদের অধিকাংশই ড্রাগন ফল ঘিরে।

কিন্ত মৌসুমের প্রথম ধরের ড্রাগনে চলছে অকল্পনীয় দরপতন। এতে বড় চাষীদের মাঝে কোন রকমের দাগ না কাটলেও দীর্ঘ মেয়াদি এ ফল চাষের নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে চরম নিরাশার শঙ্কা বিরাজ করছে। পাওনাদারদের পাওনা মেটাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। লাভ লোকসানের হিসাব কষে তাদের কপালে পড়ছে নিরাশার ভাঁজ। এদিকে কৃষি অফিস বলছে এ চাষ লাভজনক বলেই কৃষকেরা ঝুঁকছেন ড্রাগন চাষে।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসসূত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলাতে প্রায় ২ শত ৫০ হেক্টোর জমিতে ড্রাগনের চাষ করা হয়েছে। অধিকাংশই রেড ভ্যালবেট জাতের। যা উৎপাদনে এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া খুবই উপযোগী।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গেলে দেখা যায়, বিশেষ পদ্ধতিতে সিমেন্টের খুঁটির উপরে বাধা ট্রায়ার অথবা কোন জিনিস দিয়ে তৈরী গোলাকার চাকার উপর ভর করে আছে ড্রাগনে শাখা। যেগুলোতে পাকা ,আধাপাকা ড্রাগন ঝুলছে। আবার কোনটাতে নতুনভাবে ফুল আসছে। পাকাগুলো বিক্রির জন্য কৃষকেরা ক্ষেত থেকে তুলছেন। দাম কম হওয়ায় তাদের মধ্যে কেউ কেউ ড্রাগনের বর্তমান বাজার দর নিয়ে হতাশার গল্প করছেন।

কালীগঞ্জ শহরের ফলের আড়ৎগুলোতে গেলে দেখা যায়, কৃষকেরা মাঝারি গোছের ড্রাগন প্রতিকেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। আর অপেক্ষাকৃত বড়গুলো প্রতিকেজি ৮৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যে দামে বিক্রি করেও পুরাতন অভিজ্ঞ চাষীরা লাভজনক বললেও বেশিরভাগ ক্ষুদ্রচাষীরা খুশি হতে পারছেন না।

ফলচাষে উপজেলার মধ্যে একমাত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত কৃষক সুরত আলী জানান, এ এলাকায় তিনি প্রথম ড্রাগন চাষ শুরু করেন। আর এখন ড্রাগন চাষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছরও তার মোট ২২ বিঘা জমিতে ড্রাগন আছে। এ বছরের অত্যাধিক তাপমাত্রার কারনে ড্রাগনে ধর এসেছে কমপক্ষে দুই মাস পরে। তবে বিশেষ পদ্ধতির কারনে তার জমিগুলোতে ঠিক সময়েই ফুল এসেছিল। ফলে ঈদের আগেই তিনি ড্রাগন বিক্রি শুরু করেন। সে সময়ে দাম চড়া থাকলেও এখন বিক্রি করছেন অনেক কম দামে।

অভিজ্ঞ এ ফলচাষী আরও জানান, বাজারে এখনও সুস্বাদু আম,কাঠালসহ দেশী জাতের ফলে ভরা রয়েছে। যে কারনে ড্রাগনের চাহিদা কম। তারা আশা করছেন দেশী ফল বাজারে কমে গেলেই ড্রাগনের দাম আবার বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, বাজারে এখনও যে দাম আছে তা লাভজনক। তবে ক্ষুদ্র ও নতুন কৃষকেরা সারা বছরের দায়দেনা পরিশোধের বিষয়টি ভেবে বর্তমান ড্রাগনের দামে খুশি হতে পারছেন না।

মমরেজ আলী নামের আরেক ড্রাগনচাষী জানান, এখন এক বিঘা ড্রাগন চাষ শুরু করতে কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। একটি বাগান ভালো করে পরিচর্যা করতে পারলে ২০ বছর পর্যন্তও ড্রাগন পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, চলতি বছর তার মোট ১৮ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ রয়েছে। বর্তমান বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। তাছাড়াও ড্রাগন বাগানে বছরজুড়ে কৃষি শ্রমিক কাজ করে থাকে। ফলে খরচও বেড়ে গেছে। সেই তুলনায় ড্রাগন বিক্রি করে পয়সা উঠছে কম। এতে দায়দেনার মাধ্যমে বাগান করে ক্ষুদ্র চাষীরা বিপাকে পড়ছেন।

তিনি বলেন, দেশীয় ফল বাজারে কমে গেলে হয়তোবা ড্রাগনের দাম বাড়বে কিন্ত সে সময় পর্যন্ত গাঁটের টাকা খরচ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

আশরাফ আলী (অব.প্রভাষক) জানান, কয়েক বছর আগে চাকরী থেকে অবসরে গেছেন। এরপর থেকে জীবন চালাতে তিনি ড্রাগনের চাষ শুরু করেন। এ বছর তার প্রায় ৮ বিঘা জমিতে ড্রাগন আছে।

তিনি বলেন, এখন বাজারে যে ড্রাগন পাওয়া যাচ্ছে তা মৌসুমের প্রথম ধরের। এরপরও এ মৌসুমে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ টি ধর আসবে। বর্তমানে বাজারে ড্রাগনের দাম একেবারেই কমে গেছে। তবে অন্য ফসল চাষের চেয়ে লাভজনক বলেই পুষ্টিকর এ ফল চাষে মানুষ দিন দিন ঝুঁকে পড়ছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুব আলম রনি জানান, লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলাতে দিন দিন ড্রাগনের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার মোট ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে বিশেষ করে কালীগঞ্জের পৌর এলাকা, ত্রিলোচনপুর, সিমলা রোকনপুর, রাখালগাছি, মালিয়াট ইউনিয়নে বেশি চাষ হচ্ছে। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি চাষ হলেও প্রথম বছরে খরচের বেশিরভাগটা হয়ে যায়। এছাড়াও এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের জন্য উপযোগী। একটি ড্রাগন ক্ষেত ঠিকমত পরিচর্যা করতে পারলে ভালোভাবে ১৫-২০ বছর ফল পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, ড্রাগন ফল বেশ সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণে ভরা। দামের ব্যাপারে বলেন, দীর্ঘমেয়াদী ফল বাগান হিসেবে প্রতিকেজি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হলেও কৃষকদের লোকসান হওয়ার কথা নয়।

বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষনা ও প্রশিক্ষন ইনষ্টিটিউট সদর দপ্তরের পুষ্টিবিদ ডঃ মোঃ আব্দুল মজিদ জানান, ড্রাগন ক্যকটাস জাতীয় গাছ। ড্রাগন ফল পুষ্টিগুণে ভরা। এতে যথেষ্ট পরিমানে ভিটামিন সি রয়েছে। এছাড়াও ফলটিতে মিনারেল, ক্যালসিয়াম,আইরন, ফসফরাস, ক্যারোটিন,শর্করা, প্রোটিন ও উচ্চ ফাইবারযুক্ত ফল ড্রাগন। এ সকল উপাদান থাকায় রোগ প্রতিরোধে ড্রাগন খুব কার্যকর। উপকারী তাই অনেক চিকিৎসক এখন রোগীদের ড্রাগন খেতে বলেন।