ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাটির নিচে ট্যাংকিতে ১০ হাজার লিটার ডিজেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য কমানো সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী মীনা আইভিএফ ও প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ঘোষণা ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, ব্যবসায়ীরা উধাও নোয়াখালীতে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরী, দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা নোয়াখালীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার খুলনায় ৫টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ নারী আটক সিমগাছে কালিম পাখির সংসার, দেখতে ভিড় পাখিপ্রেমীদের চরাঞ্চলে স্বাস্থসেবায় আশার আলো ভাসমান হাসপাতালে  নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ফখরুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল

হজে যাওয়া বারণ যেসব মানুষের

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী বছর হজ হজযাত্রীদের জন্য কঠোর স্বাস্থ্য নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। চলতি বছর হজে অনেক মানুষের মৃত্যু হওয়ায় নতুন এ নির্দেশনা জারি করে দেশটির মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় তারা কিছু মানুষকে হজে না যেতে অনুরোধ করেছে।

দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে হজের কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয় হজযাত্রীদের। এই পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ কিলোমিটার। হাঁটার পথটি বেশ কয়েকটি পবিত্র জায়গাকে সংযুক্ত করেছে। যার শুরু আরাফার ময়দান থেকে, পরে তা মুজদালিফা হয়ে শেষ হয়েছে মিনায় গিয়ে।

যা গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহে অতিক্রম করা বেশ কঠিন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শুধুমাত্র স্বাস্থ্যবান এবং শারীরিকভাবে ফিট ব্যক্তিদের হজে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

খালিজ টাইমস জানিয়েছে, যেসব মানুষের বয়স ৬৫ বছর বা তারও বেশি, কঠিন রোগে আক্রান্ত- যেমন হার্ট, কিডনি, শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যা, ডায়বেটিস, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, ক্যানসার, খুবই অসুস্থ, গর্ভবতী এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশু তাদের এই বছর হজ ও ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা বাদ দেয়া উচিত।

মন্ত্রণালয় বলছে, যারা স্বাস্থ্যগত এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন শুধুমাত্র তারা যেন হজে আসেন। কারণ আগামী বছরও হজ হবে গ্রীষ্মকালের প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে।

চলতি বছর হজ করতে গিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে অতিরিক্ত গরমের মধ্যে হেঁটে। এ বছর যখন হজ অনুষ্ঠিত হয় তখন সৌদিতে অস্বাভাবিকরকম তাপমাত্রা ছিল।

যেসব মানুষ অনুমতি ছাড়া হজ করতে গিয়েছিলেন তারা এই দীর্ঘ পথ হাঁটার পর বিশ্রামের জন্য কোনো জায়গা পাননি। এছাড়া পর্যাপ্ত পানিও পাননি অনেক হজযাত্রী। এতে করে খোলা ময়দানে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন তারা।

পরিস্থিতি এমনো হয়েছিলেঅ মৃত মানুষের মরদেহ রাস্তায় পড়েছিল। কিন্তু চাপের কারণে অ্যাম্বুলেন্স বা স্বাস্থকর্মীরা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সেগুলো নিতে পারেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হজে যাওয়া বারণ যেসব মানুষের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আগামী বছর হজ হজযাত্রীদের জন্য কঠোর স্বাস্থ্য নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। চলতি বছর হজে অনেক মানুষের মৃত্যু হওয়ায় নতুন এ নির্দেশনা জারি করে দেশটির মন্ত্রণালয়। নির্দেশনায় তারা কিছু মানুষকে হজে না যেতে অনুরোধ করেছে।

দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে হজের কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয় হজযাত্রীদের। এই পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫ কিলোমিটার। হাঁটার পথটি বেশ কয়েকটি পবিত্র জায়গাকে সংযুক্ত করেছে। যার শুরু আরাফার ময়দান থেকে, পরে তা মুজদালিফা হয়ে শেষ হয়েছে মিনায় গিয়ে।

যা গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহে অতিক্রম করা বেশ কঠিন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শুধুমাত্র স্বাস্থ্যবান এবং শারীরিকভাবে ফিট ব্যক্তিদের হজে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।

খালিজ টাইমস জানিয়েছে, যেসব মানুষের বয়স ৬৫ বছর বা তারও বেশি, কঠিন রোগে আক্রান্ত- যেমন হার্ট, কিডনি, শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যা, ডায়বেটিস, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, ক্যানসার, খুবই অসুস্থ, গর্ভবতী এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশু তাদের এই বছর হজ ও ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা বাদ দেয়া উচিত।

মন্ত্রণালয় বলছে, যারা স্বাস্থ্যগত এবং শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন শুধুমাত্র তারা যেন হজে আসেন। কারণ আগামী বছরও হজ হবে গ্রীষ্মকালের প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে।

চলতি বছর হজ করতে গিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে অতিরিক্ত গরমের মধ্যে হেঁটে। এ বছর যখন হজ অনুষ্ঠিত হয় তখন সৌদিতে অস্বাভাবিকরকম তাপমাত্রা ছিল।

যেসব মানুষ অনুমতি ছাড়া হজ করতে গিয়েছিলেন তারা এই দীর্ঘ পথ হাঁটার পর বিশ্রামের জন্য কোনো জায়গা পাননি। এছাড়া পর্যাপ্ত পানিও পাননি অনেক হজযাত্রী। এতে করে খোলা ময়দানে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন তারা।

পরিস্থিতি এমনো হয়েছিলেঅ মৃত মানুষের মরদেহ রাস্তায় পড়েছিল। কিন্তু চাপের কারণে অ্যাম্বুলেন্স বা স্বাস্থকর্মীরা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সেগুলো নিতে পারেননি।