ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য কমানো সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী মীনা আইভিএফ ও প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ঘোষণা ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ, ব্যবসায়ীরা উধাও নোয়াখালীতে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরী, দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা নোয়াখালীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার খুলনায় ৫টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ নারী আটক সিমগাছে কালিম পাখির সংসার, দেখতে ভিড় পাখিপ্রেমীদের চরাঞ্চলে স্বাস্থসেবায় আশার আলো ভাসমান হাসপাতালে  নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ফখরুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল ঈদযাত্রায় যানজটের ঝুঁকি ২০৭ স্থানে, নাজুক দেড় হাজার কিলোমিটার সড়ক

রিজার্ভ চুরির সংবাদ সত্য নয়, জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার চুরি করে নিয়েছে এমন একটি খবর এক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। যা সত্য নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মঙ্গলবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হওয়ার খবর একটি ভারতীয় সংবাদপত্র প্রকাশ করেছে। সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, এটি ভুল সংবাদ। বর্তমানে রিজার্ভ ব্যাংক ফেডের সাথে আমাদের ৩ স্তরের কনফার্মেশন পলিসি রয়েছে। এর মাধ্যেমে নিয়মিত লেনদেন তদারক করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, রিজার্ভ চুরির কোনো ঘটনা ঘটেনি, যা আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি।

উল্লেখ্য, ভারতীয় একটি পত্রিকার সংবাদে বলা হয়, মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার চুরি হয়েছে। এজন্য ভারতীয় হ্যাকারদের সন্দেহ করা হচ্ছে। উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এ ঘটনার গোপন তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে পত্রিকাটির সংবাদে প্রকাশ। খবরে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তত ৩ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট-ব্যবস্থা কাজে লাগিয়ে ভুয়া বার্তার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের নিউইয়র্ক শাখায় রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করেছিলো হ্যাকাররা। চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে শ্রীলঙ্কায় চলে যায় দুই কোটি ডলার। পরে শ্রীলঙ্কা থেকে সেই অর্থ অবশ্য উদ্ধার করা হয়।

কিন্তু বাকি আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংক হয়ে দেশটির বিভিন্ন ক্যাসিনোয় ঢুকে যায়। চুরি যাওয়া অর্থের মধ্যে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ডলার উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার এখনও ফেরত পাওয়া যায়নি। ২০১৬ সালের রিজার্ভ চুরির ঘটনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বর্তমানে মামলা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রিজার্ভ চুরির সংবাদ সত্য নয়, জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার চুরি করে নিয়েছে এমন একটি খবর এক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। যা সত্য নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মঙ্গলবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হওয়ার খবর একটি ভারতীয় সংবাদপত্র প্রকাশ করেছে। সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, এটি ভুল সংবাদ। বর্তমানে রিজার্ভ ব্যাংক ফেডের সাথে আমাদের ৩ স্তরের কনফার্মেশন পলিসি রয়েছে। এর মাধ্যেমে নিয়মিত লেনদেন তদারক করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, রিজার্ভ চুরির কোনো ঘটনা ঘটেনি, যা আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি।

উল্লেখ্য, ভারতীয় একটি পত্রিকার সংবাদে বলা হয়, মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার চুরি হয়েছে। এজন্য ভারতীয় হ্যাকারদের সন্দেহ করা হচ্ছে। উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এ ঘটনার গোপন তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বলে পত্রিকাটির সংবাদে প্রকাশ। খবরে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্তত ৩ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফট-ব্যবস্থা কাজে লাগিয়ে ভুয়া বার্তার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের নিউইয়র্ক শাখায় রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করেছিলো হ্যাকাররা। চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে শ্রীলঙ্কায় চলে যায় দুই কোটি ডলার। পরে শ্রীলঙ্কা থেকে সেই অর্থ অবশ্য উদ্ধার করা হয়।

কিন্তু বাকি আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংক হয়ে দেশটির বিভিন্ন ক্যাসিনোয় ঢুকে যায়। চুরি যাওয়া অর্থের মধ্যে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ডলার উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার এখনও ফেরত পাওয়া যায়নি। ২০১৬ সালের রিজার্ভ চুরির ঘটনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বর্তমানে মামলা চলছে।