ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ইলিশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে

মো: রবিউল ইসলাম খান, লক্ষ্মীপুর
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের ইলিশ জাতীয় সম্পদ রক্ষা করতে হলে সবাইকে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। ছোট ইলিশ ধরার ওপর দুই মাস নিষেধাজ্ঞা মানলে বড় ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, যা জেলেদেরই সুবিধা দেবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মৎস্য অধিদপ্তর, স্থান ছিল লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপনাদের সবার খোঁজ রাখেন, কে কিভাবে আছেন। আপনারাও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, সবাই পাবেন। কেউ কার্ড থেকে বঞ্চিত হবেন না। জেলেদের যে তালিকাভুক্তি করছি, যারা বাদ আছেন তাদেরকে তালেকাভুক্তির আওতায় আনবো। আপনারা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাবেন না। সরকার বলেছে, আপানাদের স্বার্থেই বলেছে। আপনারাই আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। আপনার কোনটা ক্ষতি কোনটা লাভ আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত দিনের সরকাররা বলতো, ফ্যাসিস্ট সরকার বলতো তারা নাকি উন্নয়নের জোয়ার বাইয়ে দিছে। লক্ষ্মীপুরের মান্দারীর মৎস্য খামারটির অবস্থা দেখলেই বুঝা যায়, উন্নয়নে তারা কি করেছেন। নামমাত্র উন্নয়নে দুর্নীতি করেছে, তারা লুটপাট করেছে। জনগণের সেবক হিসেবে আমরা কাজ করবো। জনগণের সেবা দেওয়ার জন্যই আপানার আমাদেরকে নির্বাচিত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ৪০ হাজার পরিবারকে আমরা সহায়তা দিচ্ছি। এরআগে শুধু চাল দেওয়া হতো। এবারের প্রকল্প ৪০ হাজার পরিবারকে যে সহায়তা দিচ্ছি, এতে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার মতো লাগছে। আমাদের সরকারের মাত্র দেড় মাসের সরকার। যে পরিমাণ জিনিস দিচ্ছি, মিনিমাম কেউ কম পাবেন না। এখানে দুই মাসের খাবার দেওয়া হচ্ছে। এতে ১২ কেজি আটা, ১০ লিটার তেল, ৮ কেজি মসুর ডাল, চিনি ৪ কেজি, লবণ ৪ কেজি ও ১৬ কেজি আলু দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুই মাসে ৮০ কেজি ভিজিএফ’র চাল দেওয়া হয়েছে। আরও ৮০ কেজি করে চাল পাবেন। জেলেদের কথা বিবেচনা করে প্রায় ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। আগে জেলেদের লিস্ট ঠিক ছিল না, এবার আমরা নতুন করে লিস্ট করেছি। আগে চাল দিতে দুর্নীতি করেছে। আমরা এবার সার্বক্ষণিক খোঁজ রেখেছি। দুর্নীতিকে কখনোই আমরা প্রশ্রয় দেবো না, এটা আমাদের অঙ্গীকার।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হেমায়েত হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ইলিশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের ইলিশ জাতীয় সম্পদ রক্ষা করতে হলে সবাইকে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে। ছোট ইলিশ ধরার ওপর দুই মাস নিষেধাজ্ঞা মানলে বড় ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, যা জেলেদেরই সুবিধা দেবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মৎস্য অধিদপ্তর, স্থান ছিল লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপনাদের সবার খোঁজ রাখেন, কে কিভাবে আছেন। আপনারাও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, সবাই পাবেন। কেউ কার্ড থেকে বঞ্চিত হবেন না। জেলেদের যে তালিকাভুক্তি করছি, যারা বাদ আছেন তাদেরকে তালেকাভুক্তির আওতায় আনবো। আপনারা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাবেন না। সরকার বলেছে, আপানাদের স্বার্থেই বলেছে। আপনারাই আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। আপনার কোনটা ক্ষতি কোনটা লাভ আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত দিনের সরকাররা বলতো, ফ্যাসিস্ট সরকার বলতো তারা নাকি উন্নয়নের জোয়ার বাইয়ে দিছে। লক্ষ্মীপুরের মান্দারীর মৎস্য খামারটির অবস্থা দেখলেই বুঝা যায়, উন্নয়নে তারা কি করেছেন। নামমাত্র উন্নয়নে দুর্নীতি করেছে, তারা লুটপাট করেছে। জনগণের সেবক হিসেবে আমরা কাজ করবো। জনগণের সেবা দেওয়ার জন্যই আপানার আমাদেরকে নির্বাচিত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ৪০ হাজার পরিবারকে আমরা সহায়তা দিচ্ছি। এরআগে শুধু চাল দেওয়া হতো। এবারের প্রকল্প ৪০ হাজার পরিবারকে যে সহায়তা দিচ্ছি, এতে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার মতো লাগছে। আমাদের সরকারের মাত্র দেড় মাসের সরকার। যে পরিমাণ জিনিস দিচ্ছি, মিনিমাম কেউ কম পাবেন না। এখানে দুই মাসের খাবার দেওয়া হচ্ছে। এতে ১২ কেজি আটা, ১০ লিটার তেল, ৮ কেজি মসুর ডাল, চিনি ৪ কেজি, লবণ ৪ কেজি ও ১৬ কেজি আলু দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুই মাসে ৮০ কেজি ভিজিএফ’র চাল দেওয়া হয়েছে। আরও ৮০ কেজি করে চাল পাবেন। জেলেদের কথা বিবেচনা করে প্রায় ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। আগে জেলেদের লিস্ট ঠিক ছিল না, এবার আমরা নতুন করে লিস্ট করেছি। আগে চাল দিতে দুর্নীতি করেছে। আমরা এবার সার্বক্ষণিক খোঁজ রেখেছি। দুর্নীতিকে কখনোই আমরা প্রশ্রয় দেবো না, এটা আমাদের অঙ্গীকার।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হেমায়েত হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু প্রমুখ।