ধর্ষণের শিকার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন: ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদের নাম জড়িয়ে বিষোদগার
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
যশোরে ধর্ষণের শিকার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী। সংবাদ সম্মেলন তিনি যশোরের বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ ও ব্যবসায়ীদের নাম উল্লেখ করে মামলা প্রভাবিত করার অভিযোগ এনেছেন। কিন্তু তাদের বিষয়ে কোন তথ্য প্রমাণ দিতে পারেননি। এমনকি সাংবাদিকদের প্রশ্নের সদুত্তোরও দিতে পারেননি।
শনিবার দুপুর ১২ টায় প্রেসক্লাব যশোরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলন করা ওই নারী যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাসিন্দা।
লিখিত বক্তব্যে ওই নারী অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে যশোর শহরের চোপদারপাড়া এলাকার শামীম আহমেদ মানুয়ার ছেলে এহসান আহমেদ ফয়সালের সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সেই সূত্রে ফয়সাল তাকে কুয়াকাটাও নিয়ে যায় এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হোটেল রুমে রাত্রিযাপন করে। পরবর্তীতে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া হলে ফয়সাল বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করা জন্য হুমকি দেয়। এরপর এই ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৫ মে তিনি কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। মামলার পর ফয়সাল তাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়।
সেখানে ফয়সাল, তার পিতা, মাতা ও ভগ্নিপতি রিপন আটোর মালিক রিপন ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নিতে বলে। তিনি রাজি না হলে ফয়সালের পিতা মানুয়া তাকে জাপটে ধরে এবং ভগ্নিপতি রিপন তাকে জোর করে বিষ খাইয়ে দেয়। এরপর তাকে রাস্তায় ফেলে দিলে লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে সুস্থ্য হয়ে তিনি ১১ সেপ্টেম্বর একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ওই নারী বিএনপির এক শীর্ষ নেতার নাম উল্লেখ করে হুমকি দেয়ার অভিযোগ তোলেন। তার লোকজন মামলা তুলে না নিলে এসিড মারা হবে, হত্যা, গুম করবে বলে দাবি করেন। এমনকি অভিযোগ তোলেন আইনি লড়াই দামাতে না পেরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার পিতা ও ভাইকে মিথ্যা মামলা আসামি করেছে এবং তার ভাইকে পুলিশ দিয়ে আটকও করিয়েছে।
তবে সংবাদ সম্মেলনে ওই নারী অভিযোগ আনা ব্যবসায়ী ও শীর্ষ বিএনপি নেতার সংশ্লিষ্টতার কোন বস্তুনিষ্ট তথ্য উপস্থাপনে ব্যর্থ হন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আইয়াজ উদ্দিন রিপন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
তিনি বলেন, ওই নারী কথিত ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ তুলে আমার কাছে দশ লাখ টাকা দাবি করে। তার ভিডিও আমার কাছে আছে। ব্যর্থ হয়ে আমার মানহানি করতে এবং আমাকে বিপদগ্রস্ত করতে যশোরের শীর্ষ নেতার নাম ব্যবহার করে হুমকি ধামকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আমি ন্যায় বিচার পেতে আইনের আশ্রয় নেবো।























