ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ
জুলাই সনদ নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, জুলাই সনদ নিয়ে কোনো চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না। হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাইয়ের অর্জন নষ্ট করার কোনো অপচেষ্টা জনগণ সফল হতে দেবে না।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) শাখার উদ্যোগে চিকিৎসকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সরকারদলীয় চিফ হুইপ যখন বলেন তারেক রহমান ২০৩১ নয়, ২০৩৭ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকবেন—তখন জনগণের কাছে স্পষ্ট হয় যে বিএনপিও আওয়ামী লীগের পথে হাঁটছে। তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করলে তাদের মতো পরিণতিও হতে পারে। তাই আওয়ামী লীগের পথ পরিহার করে জনগণের দেখানো পথে চলার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে গণভোটে রায় দিয়েছে। সেই রায় মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর এ নেতা বলেন, দায়িত্বশীল বিরোধীদল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী সরকারকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে সরকার দেশ ও জাতির স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে দলটি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির এ ব্লক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (এমপি) ও ডা. মুসলেহ উদ্দিন ফরিদ (এমপি)।
ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম বিএমইউ শাখার সভাপতি ডা. আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ডা. মো. শাহাদাত হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, রোজা আত্মশুদ্ধির অন্যতম মাধ্যম। এটি মানুষকে আল্লাহভীতি ও নৈতিকতার পথে পরিচালিত করে। তিনি বলেন, আল্লাহভীরু মানুষ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা দুর্নীতির সঙ্গে জড়াতে পারে না। সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, রমজান মাস কুরআন নাজিলের মাস হওয়ায় এটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র যদি কুরআনের আদর্শ ধারণ করে, তবে তা মর্যাদাশীল সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সহায়ক হবে। এজন্য কুরআনের বিধান প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।





















