ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিতে সিলেট, সিসিকের অচল কার্যক্রম
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
সিলেট নগরীতে হঠাৎ করে বেড়েছে মশার উপদ্রব, কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে নগরবাসী এখনো কোনো ফল পাননি। এই নিরব ভূমিকার কারণে শহরের মানুষ ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বৃহত্তর সিলেটের অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনগুলো—সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থা—মিলে সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদতে ব্যস্ত থাকলেও মশার উপদ্রব তাদের দিনের ও রাতের জীবন দুর্ভোগময় করেছে। সংগঠনগুলো সিটি কর্পোরেশনের মশা নিধনের বর্তমান কার্যক্রমকে ‘আইওয়াশ’ এবং ‘লোক দেখানো’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, ফগার মেশিনের মাধ্যমে যে ধোঁয়া দেওয়া হচ্ছে তা মশা নিধনে কার্যকর নয়। বরং মেয়াদোত্তীর্ণ ও অকার্যকর ওষুধের কারণে ড্রেনের তেলাপোকা ও ইঁদুর মারা গেলেও মশা বেঁচে থাকে, যা নগরবাসীর জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
সিকস’র সমাবেশে বক্তারা বলেন, নগরবাসী মশা থেকে বাঁচতে কয়েল, স্প্রে ও অন্যান্য বিষাক্ত সামগ্রী ব্যবহার করছেন, যা বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও ইয়ালো ফিভারের মতো প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। অথচ সিটি কর্পোরেশন শীতের শেষে দায়সারা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
বক্তারা অনতিবিলম্বে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণের জোর দাবি জানান।
সমাবেশটি পরিচালনা করেন সিকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, স্বাগত বক্তব্য রাখেন সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদার। এছাড়া বক্তব্য দেন সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুস শহীদ খান, চিত্ত রঞ্জন দাস, এডভোকেট মুহাম্মদ কামাল মিয়া প্রমুখ।





















