ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ: জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে পাকিস্তান

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে Strait of Hormuz বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় পড়েছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে Shehbaz Sharif সরকারের প্রশাসন।

পাকিস্তানের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিগগিরই কর্মীদের আংশিকভাবে বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজগুলোতেও অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে অনেকের কাছেই কোভিড মহামারির সময়কার পরিস্থিতির স্মৃতি ফিরে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আগে থেকেই ঋণের চাপে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতি নতুন এই জ্বালানি সংকটে আরও চাপে পড়তে পারে। কারণ, দেশটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। দীর্ঘ সময় এই পথ বন্ধ থাকলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম Dawn-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে কোভিড সময়ের মতো কিছু ব্যবস্থা আবার চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আগামী মাস থেকে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে সীমিত সংখ্যক কর্মীকে উপস্থিত রেখে অন্যদের বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। আইটি খাতের কর্মীদের ক্ষেত্রেও সপ্তাহে অন্তত দুই দিন অনলাইনে কাজ করার পরামর্শ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

এদিকে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী Muhammad Aurangzeb জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ২৫ দিনের পেট্রল ও ডিজেলের মজুত রয়েছে। এছাড়া অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ১০ দিনের এবং এলপিজি মজুত রয়েছে প্রায় ১৫ দিনের।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জ্বালানি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হরমুজ প্রণালী বন্ধ: জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে পাকিস্তান

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে Strait of Hormuz বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় পড়েছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে Shehbaz Sharif সরকারের প্রশাসন।

পাকিস্তানের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিগগিরই কর্মীদের আংশিকভাবে বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজগুলোতেও অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে অনেকের কাছেই কোভিড মহামারির সময়কার পরিস্থিতির স্মৃতি ফিরে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আগে থেকেই ঋণের চাপে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতি নতুন এই জ্বালানি সংকটে আরও চাপে পড়তে পারে। কারণ, দেশটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। দীর্ঘ সময় এই পথ বন্ধ থাকলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম Dawn-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে কোভিড সময়ের মতো কিছু ব্যবস্থা আবার চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আগামী মাস থেকে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে সীমিত সংখ্যক কর্মীকে উপস্থিত রেখে অন্যদের বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। আইটি খাতের কর্মীদের ক্ষেত্রেও সপ্তাহে অন্তত দুই দিন অনলাইনে কাজ করার পরামর্শ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

এদিকে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী Muhammad Aurangzeb জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ২৫ দিনের পেট্রল ও ডিজেলের মজুত রয়েছে। এছাড়া অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ১০ দিনের এবং এলপিজি মজুত রয়েছে প্রায় ১৫ দিনের।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জ্বালানি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।