ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাগালের বাইরে ইলিশ, বৃষ্টির অজুহাত সবজিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫ ৮০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কয়েকমাসে থেকে অস্থির চালের বাজার। সেইসাথে মাছের ইলিশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। আর সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে বেশিরভাগ শাকসবজির দাম। শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমনটাই দেখা গেছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে মিনিকেট চালের কেজি ৮২-৮৫ টাকা, নাজিরশাইল ৮৫-৯২ টাকা এবং মোটা চাল ৫৬-৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এক কেজি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০-২৬০০ টাকা। যা আগে ছিল ২২০০ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ২০০-৩০০ টাকার মতো। এছাড়া ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৭০০ টাকা, ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২২০০ টাকা ও দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩০০০-৩২০০ টাকায়।

বাজারে প্রতিকেজি বোয়াল ৭৫০-৯০০ টাকা, কোরাল ৮৫০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের রুই ৩৮০-৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ১৮০-২২০, পাঙাশ ১৮০-২৩০, কৈ ২০০-২২০ এবং পাবদা ও শিং বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকায়। আর চাষের ট্যাংরা প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, কাঁচকি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা ও মলা ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরবরাহ কম থাকায় চড়া ইলিশের বাজার বলে জানালেন বিক্রেতারা। এর প্রভাব পড়েছে অন্যান্য মাছের দামেও।

বৃষ্টির অজুহাতে বেড়েছে সবজির দাম। বাজারে প্রতিকেজি কচুরমুখী ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০ টাকা, পেঁপে ২০-২৫ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০-৭০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা ও কহি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া করলা ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, শসা ৭০ টাকা ও ধনেপাতা ৮০ টাকা , লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা ও চালকুমড়া প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৫৫-৬৫ টাকা, আলু ২৫ টাকা, দেশি রসুন ১০০-১৩০ টাকা এবং আদা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলেন, কেজিতে সবজির দাম বেড়েছে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তলিয়ে গেছে সবজির ক্ষেত। কৃষকরা সবজি তুলতে পারছেন না। এতে সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে।

তবে বাজারে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে দাম বেড়েছে সোনালি মুরগির। বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৭০ টাকা। আর প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়; যা আগে ছিল ৩০০ টাকা।

গরু ও খাসির মাংসের দামে তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ১ হাজার ১০০ টাকায়।

ডিমের বাজারে কিছু স্বস্তি বিরাজ করছে। প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়, আর প্রতি ডজন সাদা ডিমের জন্য গুনতে হচ্ছে ১১০ টাকা। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে ডজনে ৫-১০ টাকা বাড়তি দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগালের বাইরে ইলিশ, বৃষ্টির অজুহাত সবজিতে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

কয়েকমাসে থেকে অস্থির চালের বাজার। সেইসাথে মাছের ইলিশ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। আর সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে বেশিরভাগ শাকসবজির দাম। শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমনটাই দেখা গেছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে মিনিকেট চালের কেজি ৮২-৮৫ টাকা, নাজিরশাইল ৮৫-৯২ টাকা এবং মোটা চাল ৫৬-৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এক কেজি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০-২৬০০ টাকা। যা আগে ছিল ২২০০ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ২০০-৩০০ টাকার মতো। এছাড়া ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৭০০ টাকা, ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২২০০ টাকা ও দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩০০০-৩২০০ টাকায়।

বাজারে প্রতিকেজি বোয়াল ৭৫০-৯০০ টাকা, কোরাল ৮৫০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের রুই ৩৮০-৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ১৮০-২২০, পাঙাশ ১৮০-২৩০, কৈ ২০০-২২০ এবং পাবদা ও শিং বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকায়। আর চাষের ট্যাংরা প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, কাঁচকি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা ও মলা ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরবরাহ কম থাকায় চড়া ইলিশের বাজার বলে জানালেন বিক্রেতারা। এর প্রভাব পড়েছে অন্যান্য মাছের দামেও।

বৃষ্টির অজুহাতে বেড়েছে সবজির দাম। বাজারে প্রতিকেজি কচুরমুখী ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০ টাকা, পেঁপে ২০-২৫ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০-৭০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা ও কহি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া করলা ৫০-৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, শসা ৭০ টাকা ও ধনেপাতা ৮০ টাকা , লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা ও চালকুমড়া প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৫৫-৬৫ টাকা, আলু ২৫ টাকা, দেশি রসুন ১০০-১৩০ টাকা এবং আদা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলেন, কেজিতে সবজির দাম বেড়েছে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তলিয়ে গেছে সবজির ক্ষেত। কৃষকরা সবজি তুলতে পারছেন না। এতে সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে।

তবে বাজারে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে দাম বেড়েছে সোনালি মুরগির। বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৭০ টাকা। আর প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকায়; যা আগে ছিল ৩০০ টাকা।

গরু ও খাসির মাংসের দামে তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়, খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ১ হাজার ১০০ টাকায়।

ডিমের বাজারে কিছু স্বস্তি বিরাজ করছে। প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়, আর প্রতি ডজন সাদা ডিমের জন্য গুনতে হচ্ছে ১১০ টাকা। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে ডজনে ৫-১০ টাকা বাড়তি দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে।