ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চালের দামে লাগাম টানা যাচ্ছে না, বস্তাপ্রতি বাড়লো ৪০০ টাকা

জয়নাল আবেদিন
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চালের দামের লাগাম কিছুতেই টানা যাচ্ছে না। কোনো কারণ ছাড়াই বাজারে হু হু করে বাড়ছে চালের দাম। ঈদুল আজহার পর গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট (সরু বা চিকন) চাল বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) ৪০০ টাকা বেড়েছে।

জানা যায়, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অসাধু মজুদদার ও করপোরেট চাল ব্যবসায়ীরা বেশি পরিমাণে ধান কিনে মজুদ করে রেখেছেন। কৃষকের ধান সাধারণ মিলারদের হাতে একেবারে নেই বললেই চলে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।

গত তিন সপ্তাহ ধরে সব ধরনের চাল মানভেদে বেড়েছে ৫-৯ টাকা পর্যন্ত। শুক্রবার (২৭ জুন) বিভিন্ন বাজারসহ রাজধানীর কারওয়ান বাজারেও দেখা যায় চালের বাড়তি দাম। যে চিত্র চলমান গত তিন সপ্তাহ ধরে।

মিনিকেট মানভেদে প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ব্রি-২৮ ও পাইজাম ৬০ থেকে ৬২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই সপ্তাহে মিল পর্যায়ে মিনিকেট চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এর প্রভাবে খুচরা ও পাইকারিতে দাম বেড়েছে। দাম বাড়ায় মিনিকেট চালের বিক্রিও কিছুটা কমে গেছে বলে জানান বিক্রেতারা।

চালকল মালিকরা বলছেন, বাজারে মিনিকেট চালের ধানের সংকটে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা চালের দাম বাড়িয়েছেন।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, ঈদের পর মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। মোটা চালের দাম কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে পাঁচ টাকা।

কারওয়ান বাজারের মেসার্স ঢাকা রাইস এজেন্সির ব্যবসায়ী মো. সায়েম বলেন, মিলাররা তাঁদের খেয়াল-খুশিমতো দাম বাড়িয়ে যাচ্ছেন, সরকারের তরফ থেকেও তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। মৌসুম শেষ না হতেই চালের দাম প্রতি বস্তায় ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেল। চিকন চালের দাম কেজিতে এক লাফে সাত থেকে আট টাকা বাড়ার নজির নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চালের দামে লাগাম টানা যাচ্ছে না, বস্তাপ্রতি বাড়লো ৪০০ টাকা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০১:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

চালের দামের লাগাম কিছুতেই টানা যাচ্ছে না। কোনো কারণ ছাড়াই বাজারে হু হু করে বাড়ছে চালের দাম। ঈদুল আজহার পর গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট (সরু বা চিকন) চাল বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) ৪০০ টাকা বেড়েছে।

জানা যায়, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অসাধু মজুদদার ও করপোরেট চাল ব্যবসায়ীরা বেশি পরিমাণে ধান কিনে মজুদ করে রেখেছেন। কৃষকের ধান সাধারণ মিলারদের হাতে একেবারে নেই বললেই চলে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।

গত তিন সপ্তাহ ধরে সব ধরনের চাল মানভেদে বেড়েছে ৫-৯ টাকা পর্যন্ত। শুক্রবার (২৭ জুন) বিভিন্ন বাজারসহ রাজধানীর কারওয়ান বাজারেও দেখা যায় চালের বাড়তি দাম। যে চিত্র চলমান গত তিন সপ্তাহ ধরে।

মিনিকেট মানভেদে প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ব্রি-২৮ ও পাইজাম ৬০ থেকে ৬২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই সপ্তাহে মিল পর্যায়ে মিনিকেট চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এর প্রভাবে খুচরা ও পাইকারিতে দাম বেড়েছে। দাম বাড়ায় মিনিকেট চালের বিক্রিও কিছুটা কমে গেছে বলে জানান বিক্রেতারা।

চালকল মালিকরা বলছেন, বাজারে মিনিকেট চালের ধানের সংকটে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা চালের দাম বাড়িয়েছেন।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, ঈদের পর মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। মোটা চালের দাম কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে পাঁচ টাকা।

কারওয়ান বাজারের মেসার্স ঢাকা রাইস এজেন্সির ব্যবসায়ী মো. সায়েম বলেন, মিলাররা তাঁদের খেয়াল-খুশিমতো দাম বাড়িয়ে যাচ্ছেন, সরকারের তরফ থেকেও তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। মৌসুম শেষ না হতেই চালের দাম প্রতি বস্তায় ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেল। চিকন চালের দাম কেজিতে এক লাফে সাত থেকে আট টাকা বাড়ার নজির নেই।